২০১৬ সালে মসজিদ পরিদর্শনের কিছু চিত্র শেয়ার করে চীনা প্রেসিডেন্ট মসজিদে গিয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দোয়া চাচ্ছেন! না জেনে শুনে এমন প্রচরণা করে চলছেন অনেকে,
.
আরেক পক্ষকে দেখলাম মসজিদের ভিতর অবস্থানরত মালয়েশিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে চীনা প্রেসিডেন্ট বানিয়ে দিয়ে সেই ভিডিও শেয়ার করে চলেছেন!
.
এটা কি আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব না গজব সেই বিষয়ে যাবো না তবে কিছুদিন আগে,
.
চীনের একজন ঊর্ধ্বতন রাজনীতিকের কাছ থেকে ফাঁস হওয়া ৪০৩ পৃষ্ঠার নথি নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে যখন আসলো তখন পৃথিবী জানতে পারলো ২০ লক্ষ উইঘুর মুসলিমের উপর নির্যাতন কতটা ভয়াবহ ছিলো,
.
স্বামীদের ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রেখে উইঘুর মুসলিম নারীদের সরকারি কর্মকর্তারা তাদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করতো!
.
নির্যাতনের ডকুমেন্টারিগুলো এতো ভয়াবহ ছিলো, এসব দেখে স্বয়ং আমেরিকা চীনের শাস্তি দাবী করে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে একটি বিল উত্থাপন করে যেখানে বিলের পক্ষে ৪০৭ টি ভোট পড়েছিলো আর বিপক্ষে মাত্র ১ টি, হয়তোবা আমেরিকা মানবিকতা না বরং লোকদেখানো কিংবা নিছক রাজনৈতিক কৌশলে দরদ দেখাচ্ছে সেই তর্কে যাবো না,
.
কারণ উইঘুর মুসলিমদের শরীর থেকে যখন স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছিলো চীন সরকার তখন যুক্তরাষ্ট্র চীনকে সহায়তা করেছিলো!
.
এমন কি কিছুদিন আগে স্যাটেলাইটে ধরা পরেছিলো চীনে মসজিদ ভাঙ্গার চিত্র,
.
সমাজতন্ত্রের আলোকে মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআন আর খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলের যে অংশগুলো প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের পার্টির সাথে সাংঘর্ষিক তা নতুন করে লেখার উদ্যোগও নিয়েছিলো তারা,
.
মুসলিম নারীরা বোরকা পরলে তাদের চাকরিচ্যুত করা হতো কিংবা নেওয়া হতো না!
.
মেকিং ফ্যামিলি'র নাম দিয়ে জোর করে মুসলিমদের কমিউনিজম শিক্ষার পাশাপাশি এমন কোন ষড়যন্ত্র নেই যা তারা ইসলামের বিরুদ্ধে করছে না!
.
শুধু একটি ভয়ের কারণে, ইসলামীরা বিপ্লবী জাতি, আল্লাহ ছাড়া কারো তোয়াক্কা করে না, চীনে যেহুত বাক স্বাধীনতা থেকে শুরু করে কোন স্বাধীনতা নেই তাই তাদের ভয় কেবলি মুসলিমদের,
.
অথচ চীনের জনসংখ্যা অনুপাতে মুসলিম মাত্র দুই থেকে তিন শতাংশ!
.
হঠাৎ করে বর্বর নির্মম উদ্যত অহংকারী কাউকে পরোয়া না করে উড়তে থাকা একটি জাতি সামান্য করোনা ভাইরাসের কাছে নতজানু হয়ে গেছে, যাচ্ছে দেখে অবাক লাগে!
.
এটা থেকে যদি তাদের একটু হলেও শিক্ষা হয় তাহলে উইঘুর জাতি কিছুটা হলেও মুক্ত হবে,
.
বিপদ আপদ কখন কার উপ্রে আসে বলা যায় না, আমেরিকা, ইসরায়েল বলেন নতুবা চীন, সবাইকে বিনয়ী জাতি হওয়া দরকার!
.
কিসের এতো অহংকার! আল্লাহ চীনকে হেদায়ত দান করুক সাথে বিশ্বকেও করোনা ভাইরাস মুক্ত...!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


