করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছে জাপান!
.
আমি তো লাফিয়ে উঠলাম,
.
করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছে চীন!
.
আবারো লাফিয়ে উঠলাম,
.
বিশ্বজুড়ে তৈরি হচ্ছে করোনার ২০ টিকা!
.
লাফাইতে লাফাইতে লুঙ্গী ঢিলা করে ফেললাম,
.
করোনা হলে রক্ষা নাই, সেই কথার আর ভিত্তি নাই এর উপর চুনকালি মেখে দেয় এরপরের খবরগুলো, যেমন; তবে আঠারো মাস, দুই কিংবা তিন বছর পরে!
.
জেনেটিক সিকুয়েন্স পাওয়া পরও চারটা পক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটা ভ্যাকসিন মার্কেটে আসে,
.
প্রথম ধাপে, সেটা কয়েকজন ভোলায়েন্টিয়ারের উপর প্রয়োগ করা হয় তারপর তাদের উপর ভ্যাকসিনটি কিভাবে কাজ করছে তার মনিটরিং করতে করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস লেগে যায় ৷
.
দ্বিতীয় ধাপে, সেটা আরো কয়েক'শ মানুষের উপর প্রয়োগ করে দেখা হয় এর সাইড ইফেক্ট, কোন পরিবেশে কেমন কাজ করেছে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে কিভাবে কাজ করছে এভাবে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত চলে গবেষণা ৷
.
তৃতীয় ধাপে সেটা কয়েক হাজার মানুষের উপর প্রয়োগ করার পর আরো অনেকগুলো বিষয় মাথায় রেখে মার্কেটে ছাড়ার অনুমতির জন্য বিভিন্ন পক্রিয়া সাধন করতে হয়!
.
এখানেই শেষ না রে,
.
চতুর্থ ধাপে সেটা মার্কেটে ছাড়ার পরও সেই কোম্পানীকে ভ্যাকসিনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার দিকে কড়া নজর রাখার জন্যও দায়বদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয় ৷
.
সুতরাং আপাতত এসব আশা ছেড়ে দিয়ে বিশ সকেন্ড ধরে হাত ধৌত করেন, যতটুকু সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সচেতন থাকুন, অন্যকে সচেতন করুন আর আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্তা ও বিশ্বাস রাখুন!
.
তবে, এক প্রকার লক ডাইনে থাকার কারণে কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষদের বাঁচাতে আপনার সাধ্যের মধ্যে থাকা সামান্য সহযোগিতা তার বেঁচে থাকার ভ্যাকসিন হবে,
.
নিজে সাহায্য করতে না পারলেও অন্যকে উৎসাহিত করুন!
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




