somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারীলিপ্সা এবং ক্ষমতা কিংবা টাকার লোভ পরিত্যাজ্য

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যতদিন অন্তত কিছু মুসলিমের চরিত্র নিন্মের দুটো ঘটনার মতো হবে না ততদিন বিজয় আসার সম্ভবনা নেই। অন্তত ইসলামের ইতিহাস তা বলে।
.
রূপ ও সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কমনীয়তার মূর্ত প্রতীক ছিলেন ইউসুফ আ. । চেহারা ছিল চন্দ্র ও সূর্যের মতো দীপ্তিমান। বলা হয়ে থাকে মহানবী স. এর অর্ধেক সৌন্দর্য তার ছিলো।
.
সেসময় আজিজে মিসরের স্ত্রী জুলেখা ইউসুফের রূপে আকৃষ্ট হয়ে তাকে খারাপ কাজের প্রতি আহ্বান করেন। ইউসুফকে একা ঘরে পেয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে পাপের দিকে আহ্বান করল। একমাত্র আল্লাহর ভয়ে জুলেখার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করলেন।
.
পরে জোর করে ইউসুফকে নিয়ে কামনা চরিতার্থ করার চেষ্টা করলে তিনি দৌড় দেন। অনেক কাহিনী, পরবর্তীতে উল্টো থাকে অপবাদ দিয়ে বিচারের সম্মুখীন করা হলো। সত্যতা যাচাইয়ে ছিঁড়া জামার প্রমাণ পেশ করা হলো। জামার পেছন দিক ছিঁড়া থাকায় জুলেখা অপরাধী সাব্যস্ত হলো। তবুও জুলেখার সম্মান রক্ষায় মিথ্যা মামলায় ইউসুফকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
.
প্রথম পয়েন্ট হলো, যতদিন মুসলিমদের চরিত্র পরনারী লোভ থেকে দূরে থাকার সামর্থ্য লাভ করবে, নারীদের দেখলে আল্লাহর ভয়ে এমনকি গোপনেও চোখ নামিয়ে ফেলবে সেদিন বিজয়ের অর্ধেক প্রত্যাশা করা যায়। গোপনে কিংবা প্রকাশ্য নারী সে যত রূপবতী কিংবা সমৃদ্ধশালী হোক না কেনো।
.
দ্বিতীয় পয়েন্ট হলো, আবু তালিব মোহাম্মাদ সা.কে তার গোত্রের বাপ দাদার ধর্মে অবিচল থাকার ব্যাপারে গোত্রের নেতাদের মতামত বারংবার বোঝানোর চেষ্টা করলেন। তাদের অভিযোগ ব্যাখ্যা করলেন। সাথে দেব দেবীর উপাসনার বিরুদ্ধে অবস্থান না করার জন্য অনুরোধ করলেন। বিনিময়ে কুরাইশরা নবীর যা যা চাওয়া তা তা দিবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দিলেন। তার সব কথা শোনার পর রাসুলুল্লাহ সা. বললেন, ‘হে চাচা, আল্লাহর কসম, তারা যদি আমার ডান হাতে সূর্য এবং বাম হাতে চাঁদ এনে দেয়—এ শর্তে যে, আমি ইসলামকে ছেড়ে দেব, যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে বিজয়ী করেন কিংবা এ পথে আমার জীবনের যবনিকাপাত হয়, তবুও আমি কিছুতেই তাকে পরিত্যাগ করব না।’ এ কথা বলে রাসুলুল্লাহ সা. কেঁদে ফেললেন।
.
বর্তমানে আমাদের মুসলিম শাসকরা নারী এবং টাকা/ক্ষমতার কাছে জিম্মী। যতদিন না ইউসুফ কিংবা মহানবী স. এর মতো চরিত্র ধারণ করতে পারবে না ততদিন বিজয় অসম্ভব অসম্ভব এবং অসম্ভব। ইসলামের ইতিহাস তা ই বলে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩৫
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বরাজনীতি চলে স্বার্থের হিসেবে, আমরা চলি অন্ধ আবেগে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২২


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিস হলো বিশ্লেষণ। চাল, ডাল কিংবা তেলের দাম নিয়ে যতই হাহাকার থাকুক, ভূরাজনীতি নিয়ে জ্ঞানের কোনো অভাব নেই। চায়ের দোকানে বসে যিনি নিজের বাসার গ্যাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।

বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×