গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা, আন্দোলন ও ভাংচুর, বিরোধী দলের ধর্মঘট, রাজনৈতিক আন্দোলন আর কলহ কোলাহল সবই লেখাটির পরিসরে উঠে এসেছে। কিন্তু এতোসব আন্দোলনের পরেও দরিদ্র বাংলাদেশের অর্থনীতি মাথাচাঁড়া দিয়ে উঠছে। গোলযোগ, দূর্নীতি আর রাজনৈতিক কোন্দলের পরও দেশের প্রবৃদ্ধির হার হচ্ছে 6.7%। কোটা চলে যাওয়ার পরেও পোশাক রপ্তানী বৃদ্ধি পেয়ে এ বছরে দাঁড়িয়েছে দশ বিলিয়ন ডলারে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলছে গ্রামীণ সাক্ষরতা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সুফল নিয়ে আসছে। প্রতিবেদনটি গ্রামীন ব্যাংকের মুহাম্মদ ইউনুসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে দূর্নীতি কমাতে পারলে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির হার শতকরা নয় থেকে দশ ভাগে বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রতিবেদনটি দেশের অর্থমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে উপসংহার টেনে বলে সরকার আশাবাদী, ম্যাক্রোইকোনমির ভিওি সুদৃঢ় রাখতে পারলে দেশ হরতাল বা সাইক্লোনের বিপরীতে উন্নয়নের খবর চমকপ্রদ শিরোণাম করবে। লেখাটির ইংরেজী ভার্সন পড়তে চাইলে: http://tinyurl.com/o7ftm
টাইম ম্যাগাজিনের পর নিউজউইকের এই নতুন প্রতিবেদনটি দেশের উন্নয়নের আশাব্যঞ্জক চিএ তুলে ধরেছে। এরকম সম্ভাবনার দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কিভাবে মানায়? দেশের উন্নয়নের জোয়ারে ভাসমান জনপ্রিয় জোট সরকার এতোটা আতংকে বসবাস করে কেন? নির্বাচন ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবী মানতে, ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আনতে আর পরিবার-পরিজনের আয় ব্যয়ের উৎস প্রকাশ করতে এতো উৎকন্ঠা কেন? সৎ লোকের সুশাসন যেখানে বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ড সেখানে এতোটা আতঙ্ক বড্ডো বেমানান শিরোণাম
।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




