সবচেয়ে ভালো লাগল সমুদ্রের ঢেউ যেখানে পাহাড়ের কঠিন প্রস্তরকে কেটে কেটে নিজের মনের মতো সাজিয়েছে। মনে হলো পুরো পাহাড়টা উওাল সমুদ্রে ভাসছে। খাঁজে খাঁজে সাজানো পাহাড়ের শরীর। অদ্ভুত এক স্থাপত্য! কি অদ্ভুত তার নির্মাণ কৌশল! প্রকৃতির অপূর্ব সজ্জার কাছে মানুষের মুগ্ধ সমর্পন। আছড়ে পড়ছে ঢেউগুলো। অদ্ভুত শব্দের মুচ্র্ছনা। আমি ভাবলাম স্বপ্নের রাজ্যে বিচরণ করছি। কিন্তু সশব্দে ঠান্ডা পানির ছিঁটায় আমি সম্বিত ফিরে পেলাম। পড়ন্ত সন্ধ্যে বেলার আকাশ রক্তিম হয়ে উঠলো। এক সময় স্পীড বোটের ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়া হলো। যাতে নীরবতার মাঝে কান্তাবের শান্ত সমাহিত অথচ উওাল সৌন্দর্য আমরা সবাই উপভোগ করতে পারি। কবি নই। তাই কবিতার পংক্তিমালা সাজাতে পারলাম না। শুধু চোখ জুড়ে দেখলাম, আর শুনতে লাগলাম:
"কী গাব আমি, কী গান শুনাব, আজি আনন্দধামে।
পুরবাসী জনে এনেছি ডেকে তোমার অমৃতনামে
কেমনে বর্ণিব তোমার রচনা, কেমনে রটিব তোমার করুণা,
কেমনে গলাব হূদয় প্রাণ তোমার মধুর প্রেমে
তব নাম লয়ে চন্দ্র তারা অসীম শূন্যে ধাইছে-
রবি হতে গ্রহে ঝরিছে প্রেম, গ্রহ হতে গ্রহে ছাইছে।
অসীম আকাশ নীলশতদল তোমার কিরণে সদা ঢলঢল,
তোমার অমৃতসাগর-মাঝারে ভাসিছে অবিরামে"
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



