কি করেন ছুটির দিন সকাল বেলা? স্রেফ আড্ডা মারার জন্য এই পোস্ট। ছুটির দিন কি সত্যি ছুটি কাটান? কঠিন প্রশ্ন। ঢাকাতে আজকাল ছুটির দিন বলে কিছু আছে না-কি? ছুটির দিনে ব্যস্ততা অনেক বেশী। ঝামেলা বেশী। দায়-দায়িত্ব বেশী। তাহলে চলুন ঘুরে দেখি ছুটির দিনে সকাল বেলা আমি কিভাবে কাটাতে পছন্দ করি?
(1) ঘুম থেকে উঠে রবীন্দ্রসংগীত। ফুরফুরে মেজাজ। জানালার পদর্ার কাপড় সরানো নিয়ে বিবাদ। গান বন্ধ করার আবেদন। অন্ধকার ভালবাসি। আলো চাই না। সূর্যকে ঘৃণা করি।
(2) এক কাপ চা চাই। নিজে বানিয়ে খেলে তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে। অন্যের জন্য অপেক্ষা করলে সকাল গড়িয়ে দুপুর চলে আসবে।
(3) সকাল সকাল খবরের কাগজ নিয়ে বসা নিষেধ। সকালে টিভির নিউজের সামনে বসা নিষেধ। তক্কে তক্কে থাকা যাতে এসব নিষিদ্ধ কাজগুলো চোখের আড়ালে করা যায়।
(4) ব্রেকফাস্টে আইটেম হিসেবে যা আছে তা না খেয়ে যা নেই তার জন্য হা হুতোশ করা ও গ্যাঞ্জাম লাগানো।
(5) ব্রেকফাস্ট শেষ হওয়ার পর বাজারের ব্যাগ লুকিয়ে ফেলা।
(6) জরুরী ই-মেইল চেক করার নামে ব্ল্লগিং করা ও ঘন্টার পর ঘন্টা কম্পিউটারের পুজো করা।
(7) জুমআর নামাজের সময় বাথরুমের সামনে ভীঁড় জমিয়ে রাখা।
(8) মোবাইল ফোন লুকিয়ে রাখা অথবা ফোন চার্জ না করা।
(9) ল্যান্ড ফোনে ফোন আসার আগে সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া বাসায় আমি নেই।
ব্যবস্থা পএে কাজ হচ্ছে না। চোখ লাল করে মাথা ব্যথার ভান ধরে বালিশ আঁকড়ে আপাদমস্তক ঢেকে ঘুমিয়ে থাকার চেস্টা করুন। অনুরোধের আগেই অজুহাত প্রস্তুত রাখুন। হঠাৎ করে হাতের টাকা ফুরিয়ে গেছে বলে গান তুলুন। কোথাও বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা দেওয়ার সুযোগ পেলে টাকাগুলো সুরসুর করে বুঝিয়ে দিয়ে সটকে পড়ুন। বাসার বাইরে গেলে সাথে মোবাইল নিতে যাওয়ার কথা ইচ্ছে করে ভুলে যাবেন। মোট কথা, ছুটির দিন উপভোগ করুন। সত্যিকারের ছুটি নিন। যাতে সারা সপ্তাহ ধরে ছুটির দিনের জন্য প্রহর গুণতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



