খবরটা পড়ার পর থেকে মনটা খুব খারাপ। শিবিরের তিন নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে সুদূর কক্সবাজারের উখিয়ায়। তারা গণতন্ত্রের চর্চা করছিল সেখানকার একটা স্কুল ভবনে। সমকাল ফেব্রুয়ারীর 24 তারিখে লিখছে, "প্রকাশ্যে একটি স্কুলে রাজনৈতিক সভা করায় তিন ছাত্রশিবির নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাইক্ষ্যংছড়ির গুনদম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আবদুর রহিম, মোরশেদুল ইসলাম ও হামিদুল হক। তিনজনই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শিবিরের শীর্ষ নেতা। দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর প্রকাশ্যে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও শিবির প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল জানান, আটক শিবির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে"।
খবরটা পড়া মাএই আমার সাংবাদিক বন্ধুকে ফোন করলাম। জানতে চাইলাম সে কিছু জানতে পেরেছে কি-না। বললাম, "জামাত শিবিরের নেতারা তো সব আমলেই রাজনীতি করে। সামরিক আইন হোক আর জরুরী আইন হোক, আল্ল্লাহর আইন প্রচার বন্ধ করার হিম্মত রাখে কে"? দোস্ত বলে, "শিবিরের নেতারা বোধ হয় বুঝেনি যে, দেশে জরুরী আইন চলছে"। কারণ, তারা হয়তো বাংলা ভালভাবে জানে না বলে সরকারী সার্কুলার পড়তে পারেনি। কে জানে এরা রোহিঙ্গাও হতে পারে। হয়তো বা ভেবেছে, জামাতের নেতা ক্রিমিনাল শাহজাহান নিজে যখন দুনর্ীতি কমিশনে আয় ব্যয়ের হিসেব দিতে আসল তখন তো কেউ তার কেশাগ্র স্পর্শ করেনি, সেজন্য হয়তো শিবির ভেবেছে তারা গ্রেফতারের উধের্্ব। কিন্তু আমি ভাবছি, অন্য কথা। জামাত শিবিরের প্রতি আগে ভাগে সহানুভূতি জানিয়ে রাখা ভাল। কারণ কে জানে, এখন থেকে 4 বছর পর নিজামী, খালেদা জিয়া ও হাসিনা ওয়াজেদ এক মঞ্চে আন্দোলন করছে স্বৈরাচারী ইউনূসের বিরুদ্ধে!!! বিনে পয়সায় ভবিষ্যত বাণী। এখন টিনের বাক্সে 5 টাকা। নেক্সট...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



