তাই ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর ভুমিকা নিয়ে যারা খুব বিভ্রান্ত তাদের জন্য তাঁর জীবনী থেকে তুলে দিলাম। পাকিস্তানী প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষে ভুখা মিছিল বের করলে 1949 সালে পাকিস্তানীরা তাকে গ্রেফতার করে দুই বছর পাঁচ মাসের জন্য জেলে পুরে। যেমনটা তার জীবনবৃওান্তে লেখা আছে, "1952 সালের 26 জানুয়ারি খাজা নাজিমউদ্দিন ঘোষণা করেন 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উদর্ু'। এর প্রতিবাদে বন্দি থাকা অবস্থায় 21 ফেব্রুয়ারিকে রাজবন্দি মুক্তি এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি দিবস হিসেবে পালন করার জন্য বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান। 14 ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু এ দাবিতে জেলখানায় অনশন শুরু করেন। 21 ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র সমাজ 144 ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর শহীদ হন। বঙ্গবন্ধু জেলখানা থেকে এক বিবৃতিতে ছাত্র মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একটানা 17 দিন অনশন অব্যাহত রাখেন। জেলখানা থেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার দায়ে তাকে ঢাকা জেলখানা থেকে ফরিদপুর জেলে সরিয়ে নেওয়া হয়। 26 ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেল থেকে তিনি মুক্তিলাভ করেন" (এনওয়াই বাংলার সৌজন্যে)।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


