
২০২৪ আমাদের নতুন করে শত্রু মিত্র চিনতে শিখিয়েছে। আমি কোনো করুনা, সান্ত্বনা কিংবা বিচারের দাবি নিয়ে আজকের এই ক্ষুদ্র পোস্ট লিখতে চাই না।শুধু সময়ের স্বাক্ষী হিসেবে একটু আচর কেটে রাখলাম।
মিতু, তনু,সাগর,রুনী, মেজর সিনহার মতো পুরোনো ঢাকার জগন্নাথে বিশ্ববিদ্যালয় সামনে নিহত সনাতন ধর্মের সেই ছেলেটা হত্যার বিচার দাবি করেছিলাম।আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছিলাম।কিছু বিচার পেয়েছি কিছু চলমান ছিলো আর কিছু পাইনি। কিন্তু নির্বিক সাহসীকতার সাথে প্রতিবাদ করেছি।
এখন কোনো দাবি নেই/ কারন এখন যারা দেশ দখল করেছে। তাদের ইতিহাসে নেই কোনো হত্যার বিচার করার। তার পরিবর্তে দায়মুক্তি দেওয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে রাজাকার তোষনকারি এই দলটির। এদের সাথে এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে, নব্য প্রজন্মের রাজাকার লালবদরের ‼️
বুঝতে পারছি বাংলার ইতিহাস রচনা করতে এবং সৃষ্টির পেছনে যাদের ভূমিকা সর্বাধিক তারা আজ নিষিদ্ধ‼️বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আর ছাত্রলীগ পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কি বিচিত্র সেলুকাস বাংলাদেশের জন্মের সাথে জড়িত যারা তারাই এই বঙ্গভূমিতে নিষিদ্ধ! তাদের জন্য মিছিল করে শ্লোগান দেয়া অপরাধ। এবং তার জন্য হত্যা করে নদীর পানির রং বদলে দেয়া হয়। নদীর পানি স্বাক্ষী দিতে পারবে কি যদি কখনো দিন বদলে যায় ⁉️
যদি পৃথিবীতে বাংলাদেশ তার অস্তিত্ব না হারায়। তাহলে এই বাংলাদেশে আরও অনেক নব্বই, ছিয়ানব্বই, ২০০৮ এবং ২০২৪ আসবে।সেই পরিক্রমায় দখলদার যেমন আসতে পারে আবার রাজনৈতিক দলের সরকারও আসতে পারে।
আমি বিশ্বাস করি তুরাগে যারা লাশ হয়ে ভাসছিলেন, তাদের উত্তরসূরি হিসেবে কেউ না কেউ এই মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রতিটি হত্যাকাণ্ড,লুটপাট,ধ্বংস এবং ধর্ষনের বিচার কঠোরভাবে করা হবে। অন্ধকার যত ঘনীভূত হবে সূর্যদয় ততই সন্নিকট।
তুরাগ নদে রাজনৈতিক কর্মীদের লাশ - বিস্তারিত
মূল ঘটনা: ২২ জুন ২০২৬ মিছিলের পর নিখোঁজ ৭ জন
টাইমলাইন:
২২ জুন সোমবার: তুরাগ এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিল হয়।
মিছিলের পর: ৭ জন স্থানীয় যুবক-কর্মী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ।
২৬ জুন: ৪ দিন পর তুরাগ নদী থেকে ৩ জনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। বাকি ৪ জন এখনো নিখোঁজ।
লাশের অবস্থা:
অর্ধগলিত: ৪ দিন পানিতে থাকায় লাশ পচে গিয়েছিল।
আঘাতের চিহ্ন: শরীরে পিটিয়ে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।
পুলিশের ধারণা: নৃশংসভাবে নির্যাতন করে হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য নদীতে ফেলা হয়।
নিহতদের পরিচয়
গণমাধ্যমে ৩ জনের নাম এসেছে:
আরিফুল - ছাত্রলীগ কর্মী
বিপ্লব - যুবলীগ কর্মী
সুমন - ছাত্রলীগ কর্মী
নিখোঁজ ৪ জন: পরিবারগুলো এখনো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
---
আরেকটি ঘটনা: ছাত্রলীগ কর্মী মমিন খান শাকিল - নভেম্বর ২০২৫
ঘটনা:
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিবাদে দিয়াবাড়িতে আয়োজিত মিছিল শেষে নিখোঁজ হন। পরে তুরাগ নদী থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার হয়।
পরিবারের অভিযোগ:
মমিন খান শাকিলকে প্রথমে অপহরণ করা হয়, এরপর হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
---
পরিস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
পরিবারের অবস্থা:
৭টি পরিবার শোক ও আতঙ্কে। কারও ঘরে ফিরেছে ক্ষতবিক্ষত লাশ, কারও ঘরে চলছে অন্তহীন অপেক্ষা। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী:
পুলিশ জানিয়েছে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও বাকি নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বিতর্ক:
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও মূলধারার গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের নীরবতা নিয়ে সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক মিছিলে অংশ নেওয়ার কারণে এমন পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এলাকার অবস্থা:
ঘটনার পর তুরাগ এলাকায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারা জড়িত তা নিয়ে ধোঁয়াশা আছে।
মূল প্রশ্ন: ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক সহিংসতার অংশ হিসেবেই এই ঘটনাগুলো দেখা হচ্ছে। মিছিলে যোগ দেওয়াই "কাল" হয়েছে বলে পরিবারগুলো দাবি করছে।
আল্লাহ আমাদের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করুন ॥
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


