গতকাল নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়তে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যত নিয়ে বুশ প্রশাসনের পররাস্ট্র নীতির নির্বিকার ভূমিকার সমালোচনা করা হয়। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, জেনারলদের নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশ চলে গেলেও বুশ প্রশাসন সামান্যই প্রতিবাদ করেছে। দেশে সীমাহীন দুর্নীতির বিস্তৃতির জন্য যে প্রাক্তন প্রধানন্ত্রীরা দায়ী সে কথার উল্লেখ করেই বলা হয়, এর সমাধান ভোটারদের ইচ্ছায় স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে, নিয়ন্ত্রনবিহীন সামরিক তত্ত্বাবধানে নয়।
সম্পাদকীয়টি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আশা সুদূর পরাহত বলে মনে করা হয়।
সামরিক বাহিনী খুব চমকপ্রদভাবে পর্দার আড়াল থেকে যে নিয়ন্ত্রন করছে সেই চিএ তুলে ধরার জন্য বলা হয়, This year’s democratic eclipse in Bangladesh did not follow the classic script for a military coup. A civilian caretaker has been nominally in charge since January, after troubled national elections were indefinitely postponed. Meanwhile, the generals consolidated power behind the scenes and began harassing and jailing many of the country’s top civilian political leaders. সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে গণতন্ত্র যে সুদূর পরাহত তার দৃস্টান্ত আনতে গিয়ে পাকিস্তানের জেনারেল মোশাররফের কথা তুলে ধরা হয় যেখানে আট বছর পরও সত্যিকারের গণতন্ত্র এখনও আসেনি।
বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার দূর্নীতিবিরোধী অভিযানের জন্য যথেস্ট জনপ্রিয় হলেও নির্বাচনমূখী পরিবেশ তৈরী, রাজনৈতিক সংস্কার ও আলোচনা শুরু করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ যে আগামী দিনগুলোতে বাড়বে তা এই সম্পাদকীয় প্রচ্ছন্নভাবে হলেও খুব স্পস্টভাবে ইংগিত দিচ্ছে। বাংলাদেশ অতীতে সামরিক জেনারেলদের নিয়ন্ত্রনে ছিল, সেই পুরনো দিনগুলোতে যে দেশ আর ফিরবে না সেই আশাবাদ ও সচেতনতা অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশী প্রবল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


