somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার প্রিয় ব্লগ:

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সমপ্রতি ব্লগে ধর্ম নিয়ে হরেক রকম লেখা চোখে পড়ল। ধর্ম হচ্ছে একান্ত বিশ্বাসের ব্যাপার, ব্যক্তিগত সমর্পনের ব্যাপার। একে জোর করে চাপাতে গেলে এই বিশ্বাসে ধস্ নামে। সতীর্থ ব্লগার দীক্ষক দ্রাবিড় তো "নতুন ঈশ্বর আবশ্যক" শীর্ষক প্রথম পোস্ট করে দেখাতে লাগলেন ঈশ্বরকে যেভাবে আমরা চিএিত করি তার গন্ডি থেকে বেরিয়ে নতুন ধারায় তার গন্ডিকে অন্তর্দর্শন করতে। ব্যাপারটা আপাতত: জটিল, বিতর্কিত ও খুব ঝুঁকিপূর্ণর্ মনে হলেও তিনি বিশ্বাসীদের চোখে হাত দিয়ে দেখানোর একটা মহৎ চেস্টা করলেন। অবশ্য বোদ্ধার সংখ্যা সত্যি কম। ভঙ্গুর, লোকদেখানো ও চাপিয়ে দেয়া বিশ্বাস সত্যি নড়বড়ে হয়। তাই, এনিয়ে তুলে ধরলাম আমার খুব প্রিয় একটি ব্ল্লগের কথা। আমার প্রিয় ব্লগারদের মধ্যে একজন হচ্ছেন সাদিক আলম যিনি "মিস্টিকসেইন্ট" নামে অত্যন্ত চমৎকার এই ব্লগটি উপহার দিয়েছেন। তার ব্লগটি ধর্ম সম্পর্কে অনিন্দ্য সুন্দর ও হূদয়স্পর্শী বললে নিতান্তই সামান্য হবে। কিছুদিন এখানকার বাংলা ব্লগে তার আনাগোণা ছিল, এখন তার নতুন কোন পোস্টিং দেখছি না, তবে মিস্টিকসেইন্ট (ইংরেজী ব্লগের বানানের মতো) যোগ করলেই তার বাংলা সাইটটিও দেখা যাবে।

ধর্ম নিয়ে অপকর্ম যখন তুঙ্গে তখন মিস্টিকসেইন্ট সত্যি আমাদের বিশ্বাসকে কস্টিপাথরে ফেলে দেখার সুযোগ করে দেয়। ধর্ম নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি আর মারামারি করে তারা দেখতে পারবেন এই ব্লগ কি চমৎকারভাবে বিশ্বাসীদের আধ্যাত্মিকতাকে তুলে ধরেছে। সব ধর্মবিশ্বাস কিভাবে একএিত হয় এক অভিন্ন সৃস্টিকর্তার সন্ধানে। ধর্ম মানুষকে সহজ, সরল ও সহনশীল জীবনের আহবান দেয়, প্রতিশ্রুতিও দেয়। আর মানুষ সেই ধর্মের বারোটা বাজিয়ে দেয় তাকে ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও উন্মাদনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।

সাদিক তার ব্ল্লগের মাধ্যমে আমাদের বিশ্বাসকে ফিরিয়ে আনার চেস্টা করছেন ধর্মের অনিন্দ্য সুন্দর ও সুগভীর আত্মিক সমর্পনকে মহিমান্বিত করে। ছবি দিয়ে, শব্দ দিয়ে, বাণী দিয়ে, কথা দিয়ে তিনি নিয়ে যান আমাদেরকে বিশ্বাসের একেবারে দোরগোড়ায়। আমার প্রার্থনা তিনি আরও বড়ো হোন এধরণের ব্যতিক্রমী অবদানের জন্য। আমরা যাতে নিজেকে জানতে পারি, সত্যকে জানতে পারি, হূদয়ের লালিত ও সমর্পিত বিশ্বাসকে উৎকর্ষতর করতে পারি সৃস্টিকর্তার সন্ধানে। আমি আমার পছন্দের লিংকে যোগ করেছি সাদিকের সাইটটি, ঘুরে এসে যাচাই করে দেখুন আমার কথার সত্যতা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ একটি পরিচ্ছন্ন শৌচাগার

লিখেছেন রাজসোহান, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮



বাড়িটা দেখতে বাড়ির মতো না, যেনো একটা ঘোষণা। দ্যাখো, আমি কে।

গেটে দুইটা সিংহ, পাথরের, মুখ হাঁ করা; সিংহ দুইটা কী পাহারা দিচ্ছে তারা নিজেরাও জানে না। ভিতরে উঠান... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×