অসংখ্য ঘটমান ঘটনার পৃথিবীতে আমাদের বসবাস। ঘটনাগুলো ঘটছে আমাদের কল্পনার চেয়েও দ্রুত গতিতে। একসময় আমরা রেডিও'র পাশে বসে শুনতাম খবর। খবরের সেই একমূখী ধারায় এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। আমরা আর শুধু খবর শুনি আর দেখি না। এখন আমরাও স্বাধীনভাবে, সোচ্চারে ও সাহসের সাথে প্রকাশ করি আমাদের কথামালা, আর ভাবনার সংগ্রহ। তথ্য ও খবরের জগতে এ এক অকল্পনীয় বিপ্লব যেখানে আমরা ব্লগাররা আমাদের ভাবনা, আনন্দ, ও বেদনা সারা পৃথিবীর সাথে সমান্তরালভাবে প্রকাশ করতে পারি।
সবচেয়ে মজার ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে গত ডিসেম্বরের 16 তারিখে যখন সামহোয়্যার ইন বাংলাদেশে বাংলা ব্লগের উদ্ভোধন করে। "বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ" সশব্দে ভেঙ্গে দিল সকল বাধা-বন্ধন যখন তারা বাংলায় নিজস্ব ভাবনা ও সুখ-দু:খের সংলাপগুলো প্রকাশ করার সুযোগ উন্মুক্ত করে দিল। এক লাখেরও বেশী ব্লগ অতিথি দর্শন করল তাদের সাইট। প্রতিষ্ঠিত ও হবু লেখক, কবি ও শিল্পীর দল ভীঁড় জমাতে লাগল তাদের কথা বলার জন্য।
যখন আমরা সবাই নবজাগৃতির পথ চেয়ে আছি, তখন ব্লগারদের মনের কথা স্বাধীনভাবে বলার সুযোগ দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন যুগের সূচনা করেছে। একই সাথে দেশীক্রিটিকসের যাএা আমাদের না-বলা কথা সকল প্রযুক্তিগত বিভক্তি অতিক্রম করে সকলের দৃস্টির সীমানা ভেতরে নিয়ে চলে আস্ল। আমাদের জন্য এটা হচ্ছে নতুন জাগরণ। এধরণের অবিভক্ত নিভর্ীক জাগ্রত মানবগোষ্ঠীর কথা ভেবেই নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন তার গীতাঞ্জলীতে:
"চিও যেথা ভয়শূণ্য, উচ্চ যেথা শির,
জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
আপন প্রাঙ্গনতলে দিবসশর্বরী
বসুধারে রাখে নাই খ' ুক্ষুদ্র করি,
যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমূখ হতে
উচ্ছসিয়া উঠে,...
নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি পিত:
ভারতের সেই স্বর্গে করো জাগরিত"।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




