somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোরবানির গরু কম দামে কিনে আমরা জিতে যাই?

১৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রায় প্রতি বছর ঈদুল আজহা এলেই আমি লক্ষ্য করি কতিপয় আল্লাহর গোলাম অপেক্ষাকৃত কম দামে কোরবানির গরু কিনতে পেরে আহ্লাদে আটখানা হয়ে যান। অথচ লোকসানে বা একেবারেই কম মূল্যে গরু বিক্রি করে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা ঠিকই অশ্রুসিক্ত নয়নে বাড়ি ফিরে যান। এই বিষয়টি আমাকে বড্ড পীড়া দেয়।

একজন গোপালক মাসের পর মাস গাধার খাটুনি খেটে গরু হৃষ্টপুষ্ট করে হাটে নিয়ে যান দু’পয়সা লাভে বিক্রি করতে। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন না হলে তাকে হতাশ হতে হয়। এমন আটকপালে গোপালক গরুর নায্য মূল্য না পেয়ে হরহামেশাই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

একজন ক্রেতা গরুর দরদাম শেষে নিশ্চয় অনুমান করতে পারেন যে, সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা গরুটি লাভে বিক্রি করছেন নাকি লোকসানে। তখন ক্রেতা ইচ্ছা করলেই নায্য মূল্য দিয়ে কিংবা নির্ধারিত মূল্যের বেশি দিয়ে একজন বিক্রেতার মুখে হাসি ফোটাতে পারেন এবং একই সঙ্গে তিনি নিজের কোরবানির প্রথম ধাপকে পরিশুদ্ধ করতে পারেন।

জেনেশুনে কোনো বিক্রেতাকে লোকসানের সম্মুখীন করলে আল্লাহ্ নিশ্চয় সেই বান্দার কোরবানি কস্মিনকালেও কবুল করবেন না। কারণ পশু কোরবানির উদ্দেশ্যই হলো তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। তাই কোরবানির প্রতিটি ধাপেই তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। এ জন্যে আল্লাহ্ বলেন, ‘‘এগুলোর (পশু) গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, বরং তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া পৌঁছে।’’ (২২:৩৭)


~জিসান আহমেদ,
মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর।

০৮ জিলহজ্জ, ১৪৪২ হিজরি।
১৯ জুলাই, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ।
সময়ঃ রাত ১০:৫০ মিনিট।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৫০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁশি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৪



হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের এই দিনে ১৯৭৫-এর শোকাবহ আগস্ট/ রক্তাক্ত দিবস॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১১



“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি : ভারসাম্যের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশল

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:০২


ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও নিকটতম বাণিজ্য অংশীদার। ভৌগোলিক নৈকট্য, দীর্ঘ সীমান্ত, পরিবহন সুবিধা এবং পরস্পর-নির্ভরশীল উৎপাদনব্যবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×