somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পান বিক্রেতার ছেলের মেডিকেলে চান্স , খুশির সংবাদেও ভবিষ্যৎ টাকার জোগাড় নিয়ে দুশ্চিন্তা

২০ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেডিকেলে পরীক্ষা দিয়েও চান্স পাইনাই , কত কঠিন ভালমতই জানি । খুব কষ্টের মধ্যে পড়াশোনা করেও শুধু মেডিকেল এই না , স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল এঁর মত জায়গায় চান্স পাইসে এই ছেলে । তারপরও টাকার চিন্তা ঘিরে ধরেছে পরিবারকে ।

পান বিক্রেতা ফজলুল হকের চোখেমুখে আনন্দ। কারণ, তাঁর একমাত্র ছেলে আলম হোসেন এবার মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু তাঁর পড়াশোনার খরচ চালানোর বিষয়টি নিয়ে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পিরব ইউনিয়নের ভালুখালী গ্রামের বাসিন্দা ফজলুল হক। তাঁর এক ছেলে ও তিন মেয়ে। তাঁদের মধ্যে আলম দ্বিতীয়। তিনি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার ফজলুল হকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দুটি ছাপরাঘরে চার সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন ফজলুল। ঈদের পর হাটবাজারে তেমন বেচাকেনা হয় না বলে বাড়িতেই ছিলেন তিনি। স্ত্রী গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত। ছেলে আলমের চোখেমুখে ছিল বিষণ্নতার ছাপ।
আলম হোসেন জানান, যেদিন মেডিকেলে ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল, সেদিন তিনি বগুড়ায় ছিলেন। অনলাইনে ফল দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। অনেক কষ্ট ও অধ্যবসায়ের পর এ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে এক আত্মীয়র বাসায় থেকে মেডিকেলে ভর্তির কোচিং করেছেন। এখন ঢাকায় থেকে মেডিকেলে পড়ার খরচ কোথায় পাবেন, তা নিয়ে চিন্তিত তিনি। তিনি অষ্টম শ্রেণীতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি এবং এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
ফজলুল হক বলেন, ‘আগে হামি ভ্যান চল্যা সংসার খরচ চলাছি। তিন বছর আগে এক দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়্যা গেছি। হাটবাজারে ফেরি কর‌্যা পান বিক্রির ট্যাকা দিয়্যা কোনো রকমে সংসার চলাই। বাড়ির সামান্য ভিটা ছাড়া আর কোনো বিষয়সম্পত্তি ন্যাই। ছোলক কছি (বলেছি) তোর পড়াশুনার খরচ চলাতে মানুষের বাড়িত ভিক্ষা কর‌্যা ট্যাকা জোগার করমো। তার পরও বাপ হয়্যা বসা থাকমো না।’
পিরব ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আবদুস সোবহান বলেন, ‘হামরা গ্রামের মানুষ হলেও আলমের পড়ালেখার খরচের একটা ব্যবস্থা করমোই।’

আলম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর : ০১৭৪৮৯৮৪৫২২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একাত্তরের ইতিহাস অন্য কিছুর সঙ্গে মিলবে না, সত্যিই?

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একাত্তর কখনো অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীনতা বলতে আপনি কি বুঝেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৩


২০২৩ সালের কথা। আমরা কয়েকজন মিলে অনলাইনে একজন ইংরেজি স্যারের কাছে কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। একদিন ক্লাস চলছে, স্যার হঠাৎ বই থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা ছোটবেলায় যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৪

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১৪



বিশেষ দিন গুলো শাহেদ জামালের জন্য কষ্টকর।
যেমন ইদের দিন শাহেদ কোথায় যাবে? কার কাছে যাবে? তার তো কেউ নেই। এমনকি বন্ধুবান্ধবও নেই। তার এমন'ই পোড়া কপাল মেসেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই যে জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই যে আমার জীবনে কিছুই করা হলোনা, সেটা নিয়ে এখন আর খুব বড় কোনো আফসোস করি না। জীবন আসলে নিজের মতোই চলতে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠি, রান্নাঘরে গিয়ে চায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×