somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Ahsan mir
একা একা করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ

রহস্যময় ও ভয়ংকর ইলুমিনাতি

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইলুমিনাতি হলো মানব রচিত এক প্রকার ধর্মীয় সংগঠন 1776 সালে পহেলা মে প্যভারিয়ুতে  এডামঐশদ এই সংগঠনটি প্রতিস্ঠা করেন.
অনেকে দারনা করে যে এলুমিনাতি প্রতিস্ঠার মূল ভূমিকা পালন করেছে ফিওম্যনছেছরা.
ইলুমিনাতি শব্দের অর্থ:-
যারা বিশেষ ভাবে কোন বিষয়ের উপর আলোকিত বা জ্ঞান অর্জনে দাবী করে.বা ধর্মীয় বিষয়ে বিষেশ জ্ঞান সম্পূর্ণ কোন দল.
.কিন্তুু তাহারা ধর্মকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে.অনেকের মতে এরা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা গরে তোলার নীল নকশা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে.
ডেন ব্রাউন রচিত এনজেলেস ডিমোন্ছ এই উপন্যাসটি রচনার ফলে এই সংগঠনটি আবারো আধুনিক কালে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু পরিণত হয়েছে.

এরা মূলত বাপহুমেন্ট নামক এক শয়তানের পার্থনা করে...
তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে তারা কাউকে ভয় পেতে না করে.অর্থাৎ কোন কিছুতেই কোন বাদা নেই যদি অজাচরও হয়.
আসলে তারা চায় এইসবেই হউক কারন এতে সভ্যতা খোব তারাতারি ধংশ হয়ে যাবে.
যার ফলে তারা মানুষ কে বসে আনবে. আর তাই তারা চেষ্টা করে বেশি বেশি যৌনতার প্রতি আকর্ষণ করতে.তারা মানুষকে বসে আনার জন্য এমন ভাবে প্রচার করে যে মানুষ খোব দ্রুত কাবো হয়ে যায়.

এদের প্রধান প্রচার মাধ্যম হল গোপ্ত বার্তার মাধ্যমে হিপ্যাসাস করা.
একটা পেরেগ যেমন দেয়ালে আঘাত করতে করতে ধীরে ধীরে দেয়ালে গেতে যায় ঠিক হিডেন ম্যাছেজ বা গোপ্তবার্তার মাধ্যমে তারা মানুষকে ইলুমিনাতির দিকে আহ্বান করে.

আর মানুষ অনেক সময় নিজের অজান্তেই ফাদে জরিয়ে পরে.
এরা বিষেশ অঙ্গভঙ্গি বার্তা ও চিহ্নের মাধ্যমে বেশি বেশি করে প্রচার করে.
কাটুন বা এনিমেশ্যান. মোভি.গান.বই.সংগীত. এমনকি সংবাদ মাধ্যম এবং বিনোদনমূলক ভিবিন্ন চেনেলে  তারা ব্যবহার করে এটি প্রচারের জন্য.

হলিউডের বিভিন্ন অভিনয় শিল্পীদের সাথে ইলুমিনাতির যোগ সাদৃশ্য রয়েছে.
এদের প্রধান উদ্দেশ্য হল শুধুমাত্র তাদের সিদ্ধান্তে যেন পৃথিবী চলে.আর এটি বাস্তবায়ন করার জন্য ইতিমধ্যে অনেক রাজনৈতিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে.

দারনা করা হয় অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় এসেছে ইলুমিনাতির সহায়তায়.
আর ইলুমিনাতি তাদের পুতুলের মত ব্যবহার করে.যেমন জর্জ ডব্লিউ বুস বারাক ওবামা ও ড্রোনাল ট্রাম্প ইত্যাদি.

অনেক প্রতিস্ঠান এখন সরাসরি ইলুমিনাতির নিয়ন্ত্রণে.
যেমন হোয়াইট হাউস ও বিশ্বব্যাংক.

ইলুমিনাতি নতুন নতুন সমস্যা তৈরি করে আর মানুষ সমাধান চায়. আর তাহারা সমস্যা সমাধানের জন্যে নতুন নতুন পথ তৈরির মাধ্যমে সৃষ্টি করে নতুন ফাদ.

যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথাই দরুন.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে তাহারা সংগাত সৃষ্টি করে. তারা জাতীসংঘ সৃষ্টি করে নতুন একটি ফাদ তৈরী করে .
এরপর তাদের আর একটি সংগঠন হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন. আপনি হয়তো জানলে অবাক হবেন ..
ট্রাম যে প্রেসিডেন্ট হবে এই কথা পনেরো বছর আগেই জনপ্রিয় কাটুন সিরিজ ছিংছনে দেখানো হয়েছিলো.
ট্রামকে প্রেসিডেন্ট করা ইলুমিনাতির পূর্ব পরিকল্পনা ছিলো.
এতো বিতর্কের মাজে ট্রামকে তারা এই কারনে প্রেসিডেন্ট বানিয়েছে যাতে অদিবাসিদের আমেরিকা থেকে বের করে দিতে পারে.
বিশ্ব অর্থনীতিতে ধষ নামাতে পারে এবং ট্রাম্পের"" অনুদানে ইলুমিনাতি কে চালাতে পারে.
কারন ইলুমিনাতির পরিচালনার ১৩ পরিবারের মাজে ট্রাম্প অন্যতম.

আপনারা হয়তো ব্যপারটা লক্ষ্য করেছেন যে ট্রাম শুরু থেকে বলে এসেছে যে নির্বাচনের কোন প্রয়োজন নেই.আমাকে প্রেসিডেন্ট করা ইউক নির্বাচনে জয়ী না হলে নির্বাচন মানবো না.আর নির্বাচিত হলে সব অদিবাসিদের ফিরিয়ে দেয়া হবে.একজন ধনখোবের কখনো এমন উল্টো পাল্টা কথা বলতে পারে না.তিনি জানতো তিনি পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট হবেন.তাই এইসব তিনি বলেছিলেন এবং ঠিক করে দেখিয়েছেন.
আমরা হয়তো অনেক জানি জর্জ বোস নিউওয়াল ওয়াল্ডের এক জনসভায় বলেছিলেন সারা বিশ্বের জনসংখ্যা দুই ভিলিয়নে নিয়ে আসতে হবে.
আর বিশ্বের জনসংখ্যা দুই বিলিয়নে আনার একটা মাত্র উপায় আর তা হলো বড় বড় হত্যা কার্য পরিচালনা করা ও অর্থনীতিে ধষ নামানো.
এর মধ্যে ফরাসী বিপ্লব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ  নাইন ইলিভেন এক একটি উদাহরণ মাত্র.

আর একটা ব্যাপার হচ্ছে নাইন ইলিভেনের এই গঠনার জন্যই ইলুমিনাতি জর্জ বুস কে   প্রেসিডেন্ট বানায়.
আর আপনি যদি পাঁচ টাকার ডলারটা দেখেন তাহলা দেখতে পাবেন নাইন ইলিভেনের ধংসের ইংগিত বহু আগেই দেয়া হয়েছে. আর এই ওছিলায় আমেরিকা মধ্যপাচ্ছ থেকে অর্থনৈতিক  অনেক সুবিধা নিয়ে নেয়.
আর নাইন ইলিভেন এর গঠনা ছিলো সম্পূর্ণ বানোয়াট.
আর অন্যদিকে লাগিয়ে দেয় গৃহযুদ্ধ.

খোব অবাক করা বিষয় হলো.....
আই এস. এইস আই বি.এভোলা বাইরার্স
সবেই ইলুমিনাতির সৃষ্টি. এভোলা রোগের বাইরার্স তৈরী করা হয়েছিলো আমেরিকার গোপন ল্যাভুটোরিতে
আর এই বাইরার্স টেস্ট করা হয় আফ্রিকার বানোরের উপর.

আর একটি বিষয় হলো আমেরিকার মধ্যে যারা সেলিব্রেটিয়ান তারা ইলুমিনাতির বিভিন্ন সংকেত ও চিহ্ন ব্যবহার  করে থাকে.খেয়াল করলে আপনি অবশ্যই পেয়ে যাবেন...

যেমন 2010 সালে ফেইসবুক প্রতিস্ঠাতা জুকারবাগ যখন সেলিব্রেটি পেয়েছে তখন একটি অনুস্ঠানের মধ্যে উপস্থাপিকা কৌতুহল করে তাহার গায়ের কুট খুলে এবং কুটের পেছনে ভিতরের দিক দেখা গেলো ইলুমিনাতির সেই ভয়ংকর চিহ্ন. তাছাড়া যত সেলিব্রেটিয়ান আছে সবাই এই চিহ্ন ব্যবহার করে.
তার কারন একটাই এরা সবাই ইলুমিনাতির অনুশারী.

তাছারা আমেরিকার যত নাইট ক্লাব ডিস্কু আছে সব গেইটে ইলুমিনাতির চিহ্ন পাওয়া যায়. আর এইটা মূলতো ইসরায়েলের পতাকার তারকা চিহ্ন. এর মােজ আরে কিছু ভয়ংকর দৃশ্য অংকন করা হয়ে থাকে.

আর আমার মতে এটা হতে পারে দাজ্জালের একটা বড় দোষর যা আমরা উপলব্ধি করতে পারছি না.
সকল বিপদ আপদ ও শয়তানের শয়তানি থেকে মহান প্রতিপালকের নিকট আশ্রয় পার্থনা করি. মহান আল্লাহ পাক যেন আমাদের সবাই কে হেফাজত করে আমিন.

এই হলো ইলুমিনাতির ইতিহাস তাছাড়া আরো অনেক আছে.সময় পেলে আবারও আপনাদের মাজে নিয়ে হাজির হবো.
......ইনশাআল্লাহ ......
..লেখা ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো..
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:২৯
৬টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালো শিক্ষার্থী কখনো পরীক্ষা পেছাতে চায় না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

কারণ একজন প্রস্তুত শিক্ষার্থী জানে, পরীক্ষা যত দ্রুত শেষ হবে, সে তত দ্রুত জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে। অনিশ্চয়তা, বারবার সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘ অপেক্ষা—এসব কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।

বৃষ্টি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপপোকায় খাওয়াচ্ছ

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮


তোমার ফসলী মাঠের ফসল.
কেন উইপোকায় খাওয়াচ্ছ
কিছুদিন পর করবেটা কি
পাগল পাগল হবেই. শুনি!
পড়ালেখা করে একদিন বড় হবে
এটাই তো স্বপ্ন দেখি ওগো সোনাধন
তোমার সুনাম ভরে যাবে পাড়ায় পাড়ায়
গর্বে ভরে ওঠবে বাবা মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×