আমেরিকায় কিভাবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বেড়ে উঠছে এবং জঙ্গীদের কিরকম অভয়ারণ্য তা নিচের তথ্যগুলো দেখলেই আঁতকে উঠবেন।
টেক্সাস এর ফোর্টহুড এলাকায় 13 জনকে গুলি করে হত্যা করে খ্রিষ্টান জঙ্গীরা।এটা ঘটেছে 1 অক্টোবর,2015 তে।
একই তারিখে ওরিগনে একজন কে মারে জঙ্গীরা।
দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় 2015 ,জুন 18 তে একটি চার্চে গুলি করে মারা হয় 9 জনকে।পরে আহত আরো সাতজন মারা যায়।
ফোর্টহুড, টেক্সাসে 2014 সালের এপ্রিলের 2 তারিখে মারে 3 জনকে।পরে আহত ষোলজনের 9 জন মারা যায়।
স্যান্ডিহুক ইলিমেন্টারিতে 2012 সালের ডিসেম্বরের 14 তারিখে গুলি করে 20 জন শিশু সহ মোট 26 জনকে মারে খ্রিষ্টান জঙ্গীরা ।পরে আহত আরো চার জন মারা যায়।
একই সালের আগস্ট মাসের 6 তারিখে মারা হয় 6 জনকে।ঘটনাস্থল উইসকনসিন।
2013 সালের সেপ্টেম্বর এর 12 তারিখে ওয়াশিংটন এ গুলি করে মারা 12 জনকে।
20 জুলাই 2012 তে আরো 12 জনকে হত্যা করে জঙ্গীরা ।2011 সালের 12 জানুয়ারিতে আরিজোনায় হত্যা করা হয়6 জনকে।
2009 সালের 10 নভেম্বরে হত্যা করা হয়েছিল 13 জনকে।ঘটনাস্থল টেক্সাস।
জুনের 10, 2014 ।সিটলে মারা হয় 1 জনকে।পরে আহত আরো দুজন।
এরা সবাই খ্রিষ্টান ছিলো। কিন্তু আমেরিকা এদের জঙ্গি বলেনি। সাদা কর্তৃক কালোদের মারার হিসাবটা নাই বা দিলাম। বাংলাদেশের অবস্থা এরকম হলে আরো আগেই যুদ্ধ বাধাতো জঙ্গী দমনের নামে।বাংলাদেশের আবাল শ্রেণির চ্যানেল আর পত্রিকা গুলো যে কি করে তাই বুঝি না।আমেরিকার এই ভয়াবহ চিত্রের কথা তুলে ধরেনি একটা চ্যানেলও।
বাংলাদেশে যা হয়েছে তা ছিলো একটা পলিটিকাল ক্রাইসিস ।গত ঈদের কয়েক দিন আগে আমেরিকায় একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী তার অস্ত্রের উপর 20% দিয়েছিল এই শর্তে যে অস্ত্র ধারি এই অস্ত্র দিয়ে মুসলিম হত্যা করবে।তাকে গ্রেফতারও করা হয়নি।আর বাংলাদেশে হলেতো বুঝতেই পারছেন।এদেশকে বলে জঙ্গি দেশ।
#শেইম_অন আমেরিকা।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




