somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি বোতলের আত্ম-কাহিনী ১

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ওমা......এ কোথায় আসলাম আবার সেই দানব গুলোর চেহারা দেখতে হবে সেটা কল্পনাও করিনি। কি শব্দ? কি ঝাঁঝ আমার তো দম বন্ধ হয়ে আসছে......কাশতে কাশতে বলতে লাগলো একটা পুরোন পানির বোতল............
হঠাৎ পাশ থেকে কান্নার আওয়াজ...শুনে ঘুরে তাকিয়ে দেখে নতুন বোতলের ভিড়...সে মনে মনে চিন্তা করে এদের সাথেও কি এমনটা হবে আমার সাথে যা হয়েছিল??? তখন সে বলে উঠল তোমরা কাঁদছ কেন? কি হয়েছে? একটা বাচ্চা বোতল বলল আমদের মা বাবা কোথায়? ও তোমাদের মা বাবা...ওরা তো ওই দানব গুলো।
বাচ্চা বোতলঃ মানে কি? আমাদের বাবা মা কে আপনি দানব বলছেন কেন?
পুরোন পানির বোতলঃ আরে ওই মেশিন গুলই তোমাদের মা আর বাবা হচ্ছে বিদ্যুৎ যা মাঝে মাঝে আসে এসে আবার চলে যায়। তোমরা তাকে কখনো দেখবেনা।
বাচ্চা বোতলঃ ও তো আপনি কে?
পুরোন পানির বোতলঃ আমি তোমাদের ভবিষ্যত।তোমরা তো আজ ই পৃথিবীতে এলে। এইরকম আমিও কয়েক মাস আগে এসেছিলাম। এসে আমিও তোমাদের মতই কেদেছিলাম কিন্তু তখন আমি কাউকেই পাইনি..কেউ এমন সান্ত্বনাও দেয়নি।
বাচ্চা বোতলঃ ও ও ও তাহলে আপনার এমন অবস্থা হল কি ভাবে? এমন কাটা ছেঁড়া চেহারা...থেতলানো মুখ। বিচ্ছিরি গন্ধ। কে করলো আপনার এই অবস্থা... ??
পুরোন পানির বোতলঃ সে অনেক কথা। আমি জন্মাবার পর আমিও তোমাদের মত এমন সুন্দর ছিলাম। কিন্তু কিছুদিন পর আমাকে নিয়ে গেল এক কারখানায়,অনেকদিন এক বস্তার ভিতর বন্দি ছিলাম আমার ভাই বোনদের সাথে...একদিন এক লোক এসে আমাদের নিয়ে গেল এক মেশিনের কাছে সেখানে আমাদের গোসল না করিয়েই কিছু রং মিশ্রিত পানি আমার ভিতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে আমি তো মহা খুশী......
আমাকে দেখতে আরো সুন্দর লাগছে। আমাকে তারা খুব ভালো করে সাজিয়ে দিলো। কিছু রঙ বেরং এর ছবি লাগিয়ে দিলো। তারপর আরেকটা বাক্সে পুরে ট্রাকে করে নিয়ে গেলো একটা নির্জন যায়গায়.

আগামী পর্বটা খুব তাড়াতাড়ি ই পোষ্ট করব.।।।সেই পর্যন্ত অনেক ধন্যবাদ.।.।.।ভালো থাকবেন.।।
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংকীর্ণ মন

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮


রাস্তার মোড় যেনো সংকীর্ণ মন
ঘর উঠনে রাখবে আর কত কাল
চোখের নেশায় লালসার আগুন
জ্বলছে নিভবে না আর অমরণ

কখন মন জানালায় দেখেছ পায়রা
ভাবনার সফলী মাঠে যাচ্ছে উড়ে
দেখো নাই যে শান্তির পায়রা মন-
সংকীর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুই হাজার বছরের এক খেলা কীভাবে জমিদারি হয়ে উঠল

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯



১৮৮৩ সালের ৩১ মার্চ, লন্ডনের কেনিংটন ওভাল। এফএ কাপের ফাইনাল।

এক দলের নাম ওল্ড এটোনিয়ানস। ইটন কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের দল। ওইদিন মাঠে নামা এগারোজনের ভেতর ছিলেন একজন ব্যারনেট, একজন ল্যাটিন ভাষার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিলের কোনো রসিদ নেই

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৪



ঢাকার পাইপলাইন গ্রাহকদের একটা বড় অংশ এই জুলাইয়ে জানিয়েছেন, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি গ্যাস তাঁরা পান না। সেই এক-দুই ঘণ্টাও আসে গভীর রাতে কিংবা ভোরের আগে। ফলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×