somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ফেনা
আমিও একদিন লাশ হব, সেই লাশ মাটির নিচে থেকে রোদ বৃষ্টিতে ভিজে অংগার হবে। বৃষ্টি ভিজা কাদায় শরীর ভিজে যাবে, শুধু অনুভবে নিথর লাশ হয়ে রয়ে যাব শেষ বিচারের অপেক্ষায়.......

বিচ্ছিন্ন আকুতি - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী; আমি আপনাকেই বলছি।

১৭ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


“আপনি শিকঁড়ের সন্ধান করুন, ধ্যানে বসুন শিকঁড়ের খোঁজে…… আপনার নিজের শিকঁড় খুঁজে দেখুন; খুঁজে দেখুন দেশের শিকঁড়। এই শিকঁড়ই আপনাকে বর্তমান সকল সমস্যা সমাধান করতে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।“

জানি না আমার এই কথা আপনার পর্যন্ত যাবে কি না। অবশ্য এত তোষামোদকারীদের ভেদ করে না যাওয়ারই কথা।

আমের স্বাদ আসে গাছের শিকঁড় আর গাছের গুণে। আর আমজনতার শান্তি আসে রাষ্ট্রপ্রধানকে দিয়ে; তার চিন্তা চেতনা এবং তার শক্তিশালী সিদ্ধান্ত দিয়ে।

আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই করেন আপনার চার পাশে তোষামোদকারী ছাড়া একটা ভাল মানুষ পাবেন না। সবাই নিজের আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত। কেউ কারো ভাল চায় না। সবাই নিজেরটাই চিন্তা করে। ফলে দেশের অবস্থা খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে। আপনি যেখানে বসে দেশকে দেখেন সেখান থেকে দেশের উন্নতিটা চোখে আসে। খারাপ অবস্থাটা ধরা পড়ে না। মাঝে মাঝে বের হয়ে আসেন- আসেন আমজনতার কাতারে দেখবেন জনতার কত ভোগান্তি। শিকঁড় ঠিক না করে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বানাচ্ছেন তাতে অপরাধ বাড়ছে, বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়। যা আপনি কোন দিন ঠিক করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউই বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা পায় না। তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জ্ঞান পায় না। শিক্ষা এখন শুধু মাত্র একটি ক্রয় যোগ্য পণ্য মাত্র। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হল নিশ্চিত লাভের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।

এখন সবাই ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে উপকারটাকে কম নিচ্ছে। বেশি করে নিচ্ছে নিষিদ্ধ পথের সময় নষ্ট করা রংধনু। অপরাধ হচ্ছে ডিজিটাল স্টাইলে। আপনি এই ভ্রষ্ট পথটাকে নিয়ন্ত্রনের কোন ব্যবস্থা নেননি। কিন্তু দেখেন আমাদের দেশেই হাজার হাজার আইটিতে দক্ষ যুবক পড়ে আছে একটা চাকুরির আসায়। পুরো সংসারটা চেয়ে থাকে এই শিক্ষিত সন্তানের দিকে। কিন্তু একটা চাকুরির অভাবে এই ছেলেটা হতাশায় একদিন পা বাড়ায় নষ্ট পথে। পা মিলায় অপরাধীদের পথে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এর দায় কার??? আমরা আমজনতার নাকি রাষ্ট্রের নাকি আপনার???

আপনার শিক্ষা মন্ত্রনালয় ত শিক্ষা ব্যবস্থার একেবারে বারটা বাজিয়ে ছেড়ে দিছে। শিক্ষা ব্যবস্থা এখন দাতি লাইজ্ঞা পড়ে আছে। দেখার এখন কেউ নাই। আপনিও না। আপনি তো আছেন দেশের উন্নয়ন নিয়ে। এদিকে যে দেশে শিকঁড়ে পচঁন ধরছে তাতে আপনার কোন খবর নাই। আপনি যেখানে বসে আছেন সেখান থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে চিঁকচিঁকই দেখাবে। তাই বলি শুধু একবার আমজনতার কাতারে আসেন; সব আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

শিক্ষিত বেকার বলতে আমরা যাদের বুঝি তাদের বাচাঁন। তথা দেশটাকে বাচাঁন। আজ এই শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে সুস্থ করে তোলবেন দেখবেন দেশটা বেঁচে যাবে। আর যখনি আপনি এই কোটি কোটি বেকারদের কর্মসংস্থা করে দিবেন তখন দেখবেন দেশ নিজেই দৌড়াঁচ্ছে। অন্য দেশের কাছে ভিক্ষা করতে হবে না। একটা দেশের জনগণ ঐ দেশের সম্পদ। তাদের সম্পদ হিসাবেই ব্যবহার করেন।
তবে এই সব কাজ করতে হলে আপনার সরকারি যে ঘুষখোর জারজ সন্তানগুলি আছে তাদের কলিজাটা টেনে বের করে তাতে মরিচ আর লবণ মাখিয়ে দিন। অন্তত আমজনতার অসহায়ত্তটা একটু তারা অনুভব করুক।
(ঘুষখোর, দূর্নীতিবাজ আর স্বজনপ্রীতিকারী-রা নিপাত যাক।)
[বিঃদ্রঃ আমি খুব সাধারণ একজন বাংলাদেশী। সহজ কথায় আমজনতা। রাজনীতি করি না। পছন্দও করি না। যারা ভাল রাজনীতিবীদ তাদের সম্মান করি।]
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৫
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

লুচ্চামি আর যৌন হতাশা এক বিষয় না।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২


সম্প্রতি জামায়াতের এক লুচ্চা এমপি-র অন্তত দুইজন তরুণী নিয়ে কট খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তিনি তরুণী নিয়ে হোটেল, কোচিং সেন্টারে রুম ডেট করতেন। নেটিজেনরা তার এই লুচ্চামি এমনভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?
-মোঃ মুসা (গাঙচিল)

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?
ঘর কাপলের জোড়া শালিক!
শেষ শিশিরের নরম আলো
তোমার মনে মুখটা একটু ধুইতে দেবে?

তুমি আমার নৌকা বিহীন নদী হবে?
বৈঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতির বিদায়ঘণ্টা: রাজনীতি ও নৈতিকতা

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



বাংলাদেশের রাজনীতি অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
পদত্যাগ কেবল একজন ব্যক্তি বা কোন একটি বিশেষ পদের পরিবর্তন নয় বরং এটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির ডায়েরি: শৈশবের মাছ ধরা, বৃষ্টির দিনে কইয়ের পদযাত্রা আর হারিয়ে যাওয়া সেই দিনগুলো!

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৫৯


সামহয়্যার ইন ব্লগের সবাইকে শুভেচ্ছা। শহরের যান্ত্রিক জীবনে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখন স্মৃতির জানালা গলে উঁকি দেয় ফেলে আসা শৈশব। আমার ছোটবেলার সবচেয়ে বড় নেশা আর শখ ছিল—মাছ ধরা! ছিপ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×