পড়েন নিহত ব্লগার নিলয়ের কিছু লেখা ফেসবুক থেকে নেয়া—————কে মেরেছে, কে ধরেছে, কে দিয়েছে গালি? কেউ মারেনি, কেউ ধরেনি, একটা কথা বলি নবীর ছবি আঁকছে হালায়, চল মাইরা ফেলি।কী হয়েছে! আঁকলো নাহয় দু'-একখানা ছবি, তুমিও কর, মন যেটা চায়, তোমার যেটা হবি।কস কী শালা! আঁকবো ছবি, লিখবো কিনা ছড়া! সারছে রে কাম, হারাম সবই! পড়বো নাকি মারা? মরবে কেন, দারুণ জিনিস, এইগুলা তো আর্ট শিল্প ছাড়া কেমনে চালু রাখবে তোমার হার্ট? আর্ট দিয়া কী বালটা হবে, জুটবে কচি হুরি? কম কথা ক, বকলে বেশি নামায় দিমু ভুড়ি। চোদ্দ বিয়া করছে নবী, করছে বিয়া শিশু এইগুলা কি মিছা কথা, নাস্তিকদের ইস্যু? হাঁছা কথা মিছা কথা - তা দিয়া কী কাম? চক্ষু বন্ধ কইরা নিবি আল্লা-নবীর নাম। জানতে হবে সত্য কোনটা জানতে হবে মিথ্যা, এতই কুতুব, ক্যান ডরাতো দেখলে নেড়ি কুত্তা? কী কইলি? "কুত্তা নবী"? সহায় তুমি আল্লা তোমার নামে জবাই দিমু, এই নাস্তিকটার কল্লা। (কালা চানের কাছ থাইক্কা চুরি করে পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত করে লেখা) (14 January 2015)——বরাবর, মাননীয় আল্লাহ দোজাহানের মালিক,সাত আসমানের উপরের আরশ।বিষয় : পরীক্ষা থেকে অব্যাহতি পাইবার আবেদন।জনাব, আপনার সদয় অবগতির জন্য বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে,এই জাহানের সবচেয়ে ধর্মভীরু দেশের মানুষ আমরা।আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন,জগতের মাঝে সবচেয়ে বেশী মসজিদ, মাদ্রাসা আমাদের এই গরীব দেশে।ইসলাম যাতে কচু পাতার পানির মত অল্প ধাক্কাতেই পরে না যায়,এজন্য প্রতি বছর দেশে হাজার হাজার ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।আমরা সেসব ওয়াজ মাহফিলে অংশ নিয়ে ইসলামকে কঠিন ভাবে পলিথিন দিয়ে বেধে রেখেছি।মাঝের মধ্যে নাস্তিকরা আমাদের এই পলিথিন গুঁতা দিয়া ফুঁটা করতে চায়।কিন্তু আল্লাহ আপনার নামে শপথ অই নাস্তিকদের বুক ফুঁটা করে আমাদের পলিথিন অক্ষত রাখবো ইনশাল্লাহ।এই জাহানে আমরাই একমাত্র মুসলিম জাতী,যারা কথায় কথায় মিলাদ পড়াই।ওয়াজ মাহফিলে আপনার প্রেমে ইশকে দিওয়ান হয়ে লাফ দিয়ে উঠি।গরীব ধনী নির্বিশেষে চুরি,ছিনতাই,লুট,ঘুষ,বউয়ের অগোচরে কাজের মেয়ে ধর্ষণ প্রভৃতি করলেও আবার হজ,কুরবানী থেকে শুরু করে পাঁচ ওয়াকথুঃনামাজ পড়ার চেষ্টা করি।আমাদের এই সব কর্মকাণ্ড প্রমান করে আপনার প্রতি আমাদের কঠিন আনুগত্য।কিন্তু আপনি আমাদের বার বার ইমানের পরীক্ষা নেন।আর কত পরীক্ষা নিবেন জনাব? আমরা পরীক্ষা দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পরেছি।আপনাকে রক্ষার জন্য আমরা বাংলাদেশের বিরোধিতা করছি।নিজের মানুষগুলারে ধরাইয়া দিছি,মা বোন গুলারে গণিমতের মাল হিসেবে ধর্ষণ করতে সাহায্য করছি,যা আপনি অবগত।আপনাকে রক্ষার জন্য বুকে বোমা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছি আপনি জানেন।আপনি জানেন এই নাস্তিক সরকার আর তার নাস্তিক পুলিস আমাদের কত অত্যাচার করছে।আপনি আমাদের আর কত পরীক্ষা নিবেন? আপনি যেহেতু সবই জানেন সেহেতু আর পরীক্ষা নেবার দরকার কি? আপনি বলেছেন,আপনি আমাদের জন্য জান্নাত,জাহান্নাম নাকি আগেই নির্ধারণ করে রেখেছেন।তাহলে আমরা পরীক্ষা দিয়ে কি করবো,আপনি যদি জাহান্নাম লিখেই থাকেন আমরা কি কখনোই জান্নাতে যেয়ে ৭২ হুর পাবো? পাবো না।আমরা কেন এমন পরীক্ষকের কাছে পরীক্ষা দিবো যে পরীক্ষা দেবার আগেই আমাদের ফলাফল নির্ধারণ করে দেয়।ফলাফল যদি পরীক্ষার আগেই নির্ধারণ হয়েই যায় তাহলে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার দরকার কি? অতএব জনাব এর নিকট আরজ এই যে,আমাদের যেন আর পরীক্ষা না দিতে হয়,তার আশু ব্যবস্থা করিয়া আমাদের কৃতজ্ঞপাশে আবদ্ধ করিবেন।নিবেদক, আপনার একান্ত বাধ্যগত বান্দা মোহাম্মদ আহম্মক জামায়াত ইসলাম বাংলাদেশ। তারিখ : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫। ঢাকা,বাংলাদেশ। (২০১২ সালে ইকরামের একটি লেখার আইডিয়া থেকে পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে লেখা) (15 January 2015)————আল্লাহ্কে ধন্যবাদ, কারণ তিনি আমাদেরকে অমুসলিম নারীদের ধর্ষণ করার তৌফিক দান করেছেন, আমীন।(24 May 2015)—————১১ বছরের বালিকা প্রশ্ন করে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করলো আরবের একজন ইসলামিক স্কলারকে।কোরআন স্পষ্টভাবে অমুসলিমদের ঘৃণা করতে বলে যতসময় না সেই অমুসলিম মুসলমান না হবে।কোরআন কন্ডিশনাল লাভের কথা বলে, আল্লাহার ভালোবাসাও নিঃশর্ত হবে না কেন? কেন আল্লাহ মুসলমানদের বেশী ভালোবাসবে? কেন আল্লাহর স্বর্গে মুসলমানদের ছাড়া আর কারো স্থান নেই? আল্লাহ এতো সাম্প্রদায়িক কেন?(30 January 2015)—————উলঙ্গ হয়ে সাধুরা ঈশ্বরের আরাধনা করতে পারলে উলঙ্গ হয়ে কোরআন কেন পড়তে পারবে না? আসলে কোরআন পড়ার সময় কোরআন শিক্ষক উলঙ্গ করতে চেয়েছিল কারণ উলঙ্গ হয়ে আল্লাহার সাধনা করলে কতো সুন্দর লাগে তা দেখার জন্য।আর কিছুই না.....(28 May 2015)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


