পড়েন নিহত ব্লগার নিলয়ের কিছু লেখা ফেসবুক থেকে নেয়া ———————সূরা - অন্ধবিশ্বাসী ফেচবুকে অবতীর্ন যে সকল প্রশংসা জোর করিয়া আদায় করিয়া লইতে চায় সে প্রশংসারই অযোগ্য। ১-ভেবে দেখ ঐ বিশ্বাসীদের কথা ২-যাহারা তোমাদেরও গায়ের জোরে বিশ্বাসী বানাইতে চায় এক অন্ধবিশ্বাসে। ৩-কিন্তু তাহারা ভাবিয়া দেখে না যে তাহাদের বিশ্বাসেরই কোন ভিত্তি-প্রমান নেই। ৪-যাহারা কথা পেচাইয়া যায় আধার থেকে আলো অবধি। ৫-আমি কি তোমাদের বলিনি যে তাহারা তোমাদের সময় নষ্ট ব্যাতীত কিছুই করিবেনা; ৬-অথচ তোমরা তাহাদের দিনের পর দিন বুঝাইতে চাও কোন আশায়? যাহাদের জ্ঞান আছে তাহারা অল্পতেই বুঝিয়া যায়, আর বাকিরা তেনা পেচাইতে পেচাইতে ত্যানা ছিড়িয়া ফেলায়। ৭-যদিও তাহারা অন্ধবিশ্বাস করিবে আদি যুগের কিছু ভ্রান্ত রুপকথায়; ৮-যে অন্ধবিশ্বাস শিশুকাল হইতেই তাহাদের মস্তিস্কে ঢুকাইয়াছে পরিবার ও সমাজ। ৯-সেই অন্ধ বিশ্বাস মুক্ত হইতে মস্তিস্কে যে নিউরন কোষের প্রয়োজন তাহা খুলিয়া ভাজিয়া খাইয়া ফেলিয়াছে টুপি ও পৈতাওয়ালারা। ১০-এবং সেই খালি করোটিতে তাহারা ঢুকাইয়াছে অনন্ত কালের লোভ ও ভয়।১১-তাহাদের জন্য যখন ধর্মগ্রন্থের রেফারেন্সের সহিত যুক্তিযুক্ত পোষ্ট করা হয় তখন তাহারা তাছ্যিল্যের সাথে অবিশ্বাসীদের বলে- তোমাদের মত মুর্খদের সহিত আমরা কি আলোচনা করিবো? তোমরা তো ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানো না। ১২-পক্ষান্তরে তাহারাই মুর্খ এবং ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে কোন সঠিক জ্ঞানই তাহারা রাখে না। ১৩-তাহারা নিজেরাই ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করে তাহাদের ধর্মিও গুরুদের বয়ান শুনিয়া ও টিভিতে দেখিয়া। ১৪-ধর্মগুরুরা তাহাদের শিশুকাল হইতে যাহাই বুঝাইয়াছে উহারাও তাহাতেই মাথা ঝাকাইয়া বলিয়াছে জি হুজুর,যদিও সেই কথা যতই কাল্পনিক রুপকথা হউক না কেন। ১৫-তাহারা নিজেরাও কখনো ধর্ম নিয়া প্রশ্ন করেনাই কাল্পনিক নরকে যাইবার ভয়ে, এবং কেহ প্রশ্ন করিলেও উহারা তাহা সহ্য করিতে পারেনা অন্ধবিশ্বাস হারাইবার ভয়ে। ১৬-তাহারা জ্ঞান-বিজ্ঞান বিমুখ এক অদ্ভুত প্রজাতির অন্ধ-বিশ্বাসী। ১৭-এই সেই সূরা যাহাতে অবিশ্বাস করিবার জন্য কোনই সন্দেহ নেই অবিশ্বাসীদের জন্য। ১৮-তবুও বিশ্বাসীরা এই সূরাতে আসিয়া প্রমান করিতে চেষ্টা করিবে ইহাতে ভুল আছে। ১৮-যদিও এই সূরা তাহাদের ধর্মগ্রন্থের চ্যালেঞ্জ ভাঙিতে সক্ষম।১৯-কিন্তু তাহারা যতই এই সূরা ভুল প্রমান করিতে চেষ্টা করিবে ততই এই সূরা তাহার সত্যতা প্রকাশ করিবে এবং নিজের বিস্তার ঘটাইবে। ২০-যদিও তাহারা বলিবে এই সূরা তাহাদের ধর্মগ্রন্থের ন্যায় হয়নাই। ২১-যাহারা উক্ত কথা বলিবে আমি তাহাদের চ্যালেঞ্জ করিবো এই সূরার অনুরুপ একটি সূরা রচনা করিয়া আনো সমস্ত বিশ্বের বিশ্বাসীদের সাথে করিয়া। ২২-যদিও তোমরা তাহা পারিবেনা অযথা বাক্য ব্যবহার ছাড়া, কারন অন্ধবিশ্বাসীরা বিশ্বাস করে ইশ্বরই একমাত্র সূরা রচিতে সক্ষম। ২৩-কিন্তু তোমরা কি দেখিতেছ না এই সূরা কার রচনা করা? ২৪-ইহাতেই কি প্রমান হইবে আমি ইশ্বর? ২৫-যদিও বিশ্বাসীদের কথা অনুযায়ী আমার ইশ্বর হইবার কথা তবুও আমি ইশ্বর নই, আমাদের কোন ইশ্বর আল্লাহ ভগবান নামক প্রভু নেই। ২৬-গবাদী পশুদের প্রভুর দরকার হইলেও মানুষের কোন প্রভুর দরকার নেই, আমরা মানুষ,মনুষ্যত্বই আমাদের প্রভু। ( মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণএর কাছে উপরের সূরাটি অবতীর্ণ হয়েছে) (31 October 2014)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৫:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


