২৪ (১২+১২) ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্ব ও উত্তরাভাষে বলা হয়েছে, বিশ্বের মোটামোটি সর্বত্র প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আমেরিকা ও ইউরোপে রীতিমত তুষার ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বাংলাদেশেও রাজধানী ঢাকার কিছু কিছু জায়গা ছাড়া সারাদেশের মানুষ রীতিমত কাঁপছে (নানা কারণে!)। কিন্তু এই হাড়কাঁপা শীতেও ঢাকার গুলশান এলাকায় নাকি রীতিমত দাবদাহ শুরু হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই দাবদাহ মোকবেলায় পুলিশ (দমকল কর্মী) রীতিমত (পানির বদলে) বালির ট্রাক, ইট, কামান (!) নিয়ে হাজির হয়েছে। জনগনের জানমালের (!) নিরপাত্তা নিশ্চিত করতে তারা কাউকে ওই এলাকায় ঘেষতে দিচ্ছেননা। দাবদাহের চুলকানিদাতা বুদ্ধিমান (!) নেতারা শীতের আরাম বিনষ্টে অনিচ্ছুক বলে জানা গেছে। তারা বরং বাসায় লেপ-কম্বল মুড়ি দিয়ে বউয়ের (আপনাদের ভাবি) রান্না করা মাংস-খিচুড়ি খাওয়াটাকেই লাভবান মনে করছেন (!) অন্যদিকে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় নাকি কিছু লোক ১৪৪ ধারা ভংগ করে গুলশানের দাবদাহ অন্যত্রও ছড়িয়ে দিতে রাস্তায় নেমেছে (অতি উৎসাহী!)। আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, সাধারণ মানুষ অবশ্য এসব উত্তাপকে এখন আর গোনেনা। কারন, এসব তাদের সয়ে গেছে! হাড়কাঁপা শীতেও যে বাংলাদেশে মাঝে মাঝে দাবদাহ আসে এটা তারা জানে। এজন্য কষ্ট করে হলেও তারা প্রস্তুত (!) থাকে। জনদরদী দমকল বাহিনী জানিয়েছে, শীতের আরাপ বিনষ্ট করে দেশের মানুষকে তারা কোনভাবেই আগুনে ঝাঁপ দিতে পারেনা। পাইপে পড়ে মরলে মরুক, বিল্ডিং ধ্বসে পড়ে পচুক, কিন্তু তাই বলে আগুণে পুড়বে?! তা হবে না। তাই অলিখিত আদেশে অনির্দষ্টকালের জন্য যানবাহন, দোকান-পাট সব বন্ধ থাকবে।
আবহাওয়াবিদেরা অবশ্য এই দাবদাহের স্থায়িত্ব নিয়ে খুব একটা চিন্তিতঃ নন বরং তারা চিন্তায় আছেন, কেন বছরের শুরুতেই এসব ছড়ানো হয়?! যারা ছড়ায় তারা আসলে কি চায়? তারা কি আরো ঠান্ডা পানি নিয়ে জনগনের নিরাপত্তায় প্রস্তুত নাকি আরো গরম?! আর এই দাবদাহ কি প্রতিবছরই হবে?! এই বিষয়টা পরিষ্কার হলে সাধারণ মানুষের জন্য একটু সুবিধা, তারা এজন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে পারবে। তাছাড়া এই ছোট্ট পরিসরের উত্তাপে সারাদেশ অচল করে দেয়ার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছন আবহাওয়াবিদেরা!




অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


