
নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশেই IUBAT- “ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এগরিকাল্চার এন্ড টেকনোলজি” নামক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ধর্মীয় পোষাক পড়তে বাধা দেওয়া হল, অলিখিত ফরমানে একজন টুপি পাঞ্জাবি পড়া ছাত্রকে পরীক্ষাতেও বসতে দেয়নি তারা।
আমার প্রথম প্রশ্ন এই সংবাদ দেশের কয়টি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বা প্রিন্ট মিডিয়া এসেছে! দেখাতে পারবেন কি কেউ? দেশের কোন একজন বুদ্ধিজীবির নাম বলুন যে তিনি এর প্রতিবাদে একটি কলাম লিখেছেন পত্রিকায় অথবা ৭১ বা এটিএন, বিডিনিউজ কিংবা অন্যান্য চ্যানেলে এর প্রতিবাদে নিশ্চয় টকশো হয়েছে তাই কি?? কি খুজে পান নি? তাছাড়া যিনি এই পোষাক তথা পাঞ্জাবী পড়েন এটা তার স্বাধীনতা আর সেই স্বাধীনতার উপর হামলা হলো, কিন্তু কথিত মানবতাবাদী তথা মুক্তমনারা চুপ, একটা স্টাটসও দিলেন না প্রতিবাদ স্বরুপ, কেন আপনাদের আন্দোলনতো যারা মানুষের স্বাধীনতা হরন করতে চাই তাদের বিরুদ্ধে না? তাহলে আজ এই টেপমারা মুখের অর্থ কি...ঠেংগা...
*
পক্ষান্তরে আসুনঃ-
এখানে যদি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বলা হত যে হিজাব বা শালিনতা পোষাক পড়ে আসতে হবে, তাহলে বুকে হাত রেখে বলূন যে এতক্ষন কথিত মিডিয়া (হলুদ মিডিয়া) তোলপাড় করতো কি না? জ্বি হ্যা এরুপ হলে এতক্ষন বাকস্বাধীনতার দোহায় দিয়ে মিডিয়া সেই কর্তৃপক্ষের যারা হিজাব পড়ে আসতে বলেছে তার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করতো, আমাদের মহান মহান সব বুদ্ধিজীবিরা এতক্ষন কলামে কলামে পত্রিকায় ভরে দিতেন আর টকশো তো আর বলেন না কয়দিন যে চলতো সেই শিক্ষককে জঙ্গি প্রমান করতে।
*
ফলাফলে আসুনঃ-
এখন মিডিয়ার বলেন, বা কথিত সব বদ্ধিজীবিদের কথায় বলেন এইযে একই দেশের মানুষের সাথে যে দ্বিমুখী আচারন করা হচ্ছে এর ফলাফল কি হবে..? নিজ দেশেই একজন ছাত্রকে তার ধর্মীয় পোষাক পড়ার কারনে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হচ্ছে না, আর এখানে মিডিউ চুপ অথচ আজ এর প্রতিবাদে যদি কেউ রাস্তায় দাড়ায় তাহলে সেই মিডিয়াই প্রতিবাদকারীকে উগ্রবাদী জঙ্গি বলে ধুমধামে প্রচার করছে....... কিন্তু কেন? বন্ধ করুন এই দ্বিমুখী আচারন। একটা কথা মনে রাখতে হবে মানুষ আর আগের মত নিরক্ষর না দেশে শিক্ষিত’র সংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বুঝতে পারছে এউ দিমুখী আচারন। সমাজে বিভিন্ন স্তরের মানুষের অভ্যান্তরে গিয়ে দেখুন, তাদের সাথে একটু মিশে দেখুন এই দ্বিমুখী আচারন আপনাদের কোথায় নিয়ে গেছে, ঘৃণার সবটুকু উজাড় করে ঘৃনা করছে আপনাদের মানুষ। আর করবেই বা না কেন........
আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি হয়তো বুদ্ধিমানের জন্য ইশারায় যথেষ্ট, আবার বেশি বললে পোস্টটি ডিলেট করে দেওয়া হচ্ছে, আজব আচারন কিন্তু একদিকে বলা হচ্ছে কথার যুক্তি কথা দিয়ে দিতে হয় কিন্তু একপক্ষের লেখা ওয়ালে শোভা পাইলেও তার খন্ডনকে করা হচ্ছে ডিলেট। তাহলে যুক্তিকে কে ভয় পাই..?? যাক শেষে মানুষের আক্রশের আর বেশি পরীক্ষা না নিয়ে IUBAT কর্তৃপক্ষ’র দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি। আর উপরে উল্লেখিত প্রশ্নর’র উত্তর যদি কোন মিডিয়া দিতো পারতো তাহলে বাধিত থাকতাম, অবশ্যই এই দ্বিমুখী আচারনের কেন এর সদুত্তর মিডিয়া, কথিত মানবতাবাদী মুক্তমনারা ও কথিত সব বুদ্ধিজীবীদের কাছে রইলো.........
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



