কতদিন ভোরের লাল টুকটুকে সূর্য দেখা হয়না । দেখা হয়না সুনসান প্রকৃতি আর শিশিরভেজা স্নিগ্ধ সকাল ।প্রতিদিন ভোরের সূর্যরশ্মির লাল আভায় অবগাহন করতে ইচ্ছে হয় । সকালের মোলায়েম নির্মল বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতেও ইচ্ছে করে । ইচ্ছেগুলো এলোমেলো হয়ে দিন যায়, মাস আসে, বছরও ফুরিয়ে যায় । কিন্তু এসবের কিছুই হয়ে উঠে না । বহু বছর ধরে প্রতিদিন কল্পনা করি পরদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে লিখতে বসবো অথবা পড়বো বিখ্যাত কোন লেখকের উপন্যাস, গল্প, কিংবা কবিতা । কল্পনা আর বাস্তবের মেলবন্ধন যে ঘটেনা । অবশ্য পড়ালেখা যে একেবারেই হয়না তা কিন্তু নয় । লেখাপড়া সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে খবরের কাগজ কিংবা পেশাগত জীবনের নথিপত্রে । এমন যদি হতো প্রতিদিন ভোরের ২/৩ ঘন্টা লেখা-পড়ায় লাগানো যেত তাহলে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে জীবনটা অন্যরকম হতে পারত। সম্ভাবনার সকল দ্বার রুদ্ধ করে অধিকাংশ সকাল ঘুমের ঘোরেই কেটে যায় । অথচ দেশী বিদেশী কত শত অসাধারণ বই এখনো পড়াই হয়নি । রবীন্দ্রনাথ এক জীবনে যা লিখেছেন আমারতো কয়েক জনম লাগবে শুধু তা পড়ে শেষ করতে । সঞ্চয়িতা’র অসংখ্য কবিতা কিংবা গল্পগুচ্ছ’র অনেক গল্পওতো পড়া হয়ে উঠেনি । পড়া হয়ে উঠেনি শেক্সপিয়ার,শেলী, কিটস্, বায়রন,চার্লস ডিকেনস্ লিও টলস্টয়, বার্টান্ড রাসেল, জর্জ বার্ণাডশ, আঁনাতোল ফ্রান্স, উইলিয়াম ফকনার, টি এস ইলিয়ট, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে , বরিস পেস্তারনাক, জ্যাঁ পল সাত্রে, পাবলো নেরুদা, গুন্টার গ্রাস, ভি এস নাইপল, গার্সিয়া মার্কেজ, নাগিব মাহফুজ, অক্টাভিও পেজ, অরহাম পামুক সহ বিশ্বসাহিত্যের বরেণ্য লেখকদের মহামূল্যবান অগুনতি সব বই । জীবনের হিসেব থেকে একেকটা দিন ঝরে পড়লেও কল্পনা আর বাস্তবের হিসেবে গরমিল থেকেই যাচ্ছে । জীবন থেকে প্রতিটি মূহুর্ত মহাকালের গর্ভে দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে কিন্তু মূহুর্তগুলোকে নিজের মত করে ফ্রেমে ধরা যাচ্ছে না । আলস্যে অবহেলায় কত সময় যে নষ্ট হয়ে গেল প্রবল ইচ্ছাশক্তির অভাবে । এটাতো সত্য অসম্ভব সম্ভাবনাময় মানুষের প্রবল ইচ্ছাশক্তি জীবনকে বদলে দিতে পারে । প্রয়োজন শুধু স্বপ্ন আর বাস্তবের সূচারু সম্মিলন । এক সময় কবিতা লিখতাম তাও অল্প কিছুদিনের জন্য । এরপর জীবন সংগ্রামের যাঁতাকলে সব ছন্দ কখন যে হারিয়ে গিয়েছে বুঝতেই পারিনি । যাপিত জীবনের নানা চক্রে পড়ে কবিতার ছন্দ- স্পন্দন, তাল, লয়, সৌন্দর্য কখন যে বেসুরে হয়ে যায় তা টেরও পাইনি। অযত্ন অবহেলায় পান্ডুলিপিও হারিয়ে যায় । ডায়েরির সাদা পাতা যেন নির্মম উপহাসে আমার অপারগতা মনে করিয়ে দেয় ।মাঝে মাঝে মনে হয় আবার যদি অতীতে ফিরে যাওয়া সম্ভব হতো স্বপ্ন সম্ভাবনার মেলবন্ধনে সব নতুন করে শুরু করা যেত । শাণিত পরিকল্পনা আর দৃঢ় সংকল্পে জীবনের প্রতিটি অধ্যায় মনের মাধুরী মিশিয়ে সাজানো যেত ।কিন্তু এতো অসম্ভব । নিত্যদিনের অযাচিত মানবিক ভুলগুলো যদি ফিরে ফিরে না আসতো তাহলে হয়তো অধরা স্বপ্নগুলো সংগোপনে ধরা দিত আপন আলোয়। মানবজীবন হয়তো এমনই । অনেকের ক্ষেত্রে এমন নয় বলেই তাঁরা পূজনীয় ব্যতিক্রম । ইচ্ছে করে আমারও, কিন্তু……….।
ইচ্ছে করে অনেক কিছুই
পঁই পঁই করে হিসাব রাখতে হবে, নতুবা বিপদে!
আমরা ক'জনা বেশ কিছুদিন আগে ব্যবসা শুরু করেছি। প্রথমেই একজনকে হিসাবের সব দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি নিয়েছিলাম মার্কেটিং ও টেকনিক্যাল সাইড গুলির দ্বায়িত্ব। সৌদীতে অনেক POS রেডিমেড পাওয়া গেলেও আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই
'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম
২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভাষণময়

বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন
।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।