আমাদের সমাজে দুই ধরনের মেয়ে আছে এক ধরনের মেয়েরা পর্দা করেও না মানেও না অন্তত ভাল ইসলামের খোলস পরে না।আরেক ধরনের আছে আধা ইসলামিক আধা কুফুরি।মানে এরা পর্দা করে ঠিক কিন্ত যথা যথ ভাবে না মানে ধরি মাছ না ছুই পানি। পথে ঘাটে চলাচলের সময় দেখবেন এক শ্রেণীর মেয়েরা আছে যারা হিজাব পরবে কিন্তু আটো সাটো ড্রেসে আর মুখ থাকবে খোলা।মানে বোঝাতে চাই যে দেখ আমাকে আমার শরির কে ।আর প্রেম করবে এই ড্রেস পরেই।সব ধরনের ডেটিঙ্গে এই ড্রেস পরেই যাবে আত্তরক্ষা স্বরুপ।এই এরাই সেই মেয়ে যারা ইসলামের নাম করে ইসলামের ইজ্জত মারছে।আর আপনি যদি এদের কে বলেন যথযথ ভাবে হিজাব কর তাহলে বলবে তোমরা কি অমুক হুজুরের চেয়ে জাকির নায়েকের চেয়ে বেশি জান?কারন এরা বলেছে এ মুখ খুলে চলাচল করলেও সমস্যা নেই।আঢ় উদ্ধৃতি দেবে সূরা আহযাবের ৫৯ নম্বর আয়াতের "হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়। এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়" তাদের কে চিনে নেওয়া যাই মানে হল হল তারা যে বেশ্যা না তারা যে খারাপ মেয়ে না তা যেন পর্দা করা দেখে মানুষ চিনতে পারে এবং খারাপ মেয়ে না ভাবতে পারে।সূরা আহযাবে ৫৯ নং আয়াত কি শুধু মেয়েদের চুল ঢাকা নিয়ে নাজিল করেছে?এটা কেমন ধরনের কথা?।আর ওরা বলবে আল্লাহই তো বলেছে মুখ খুলে চলাযাবে।"যাতে তাদের কে চেনা যাই" এই কথা নিয়া।যখন মেয়েরা জামাতে নামাজ পড়বে তখন ইমাম যদি ভুল করবে তখন ছেলেরা বলবে সুবহান আল্লাহ আর মেয়েরা তালি দেবে।এখন আমার প্রশ্ন মেয়েরা তালি দেবে কেন? তারাও সুবহানাল্লাহ বলবে? এর কারণ হল যাতে মেয়েদের সুবহানাল্লাহ আপনাকে ইম্প্রেস করতে না পারে।আপনার মন পবিত্র থাকে।সূরা আহযাবের ঐ সমস্ত মেয়েরা শুধু একটা ঊদ্ধৃতি দেবে।কিন্ত সূরা আহযাব যদি আপনি পড়েন তাহলে বুঝবেন সেখানে মেয়েদের মুখ ঢেকে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে ।যেমন সূরা আহযাবে আরো বলা হয়ে "মেয়েরা যেন পর্দান পেছন থকে কথা বলে" কেন পেছন থেকে কথা বলবে কেন ওদের না মুখ খুলে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে? যে সূরাই মুখ খুলে চলতে বলেছে সে সূরাইই পর্দার পেছন থেকে কথা বলতে বলেছে।এর অর্থ একটাই যে ছেলেরা যাতে ওদের দেখে ইম্প্রেস না হই।আমি যদি বিয়ে করতে যাই আমি তো মেয়ের মুখ দেখেই ঠিক করব যে তাকে আমার পছন্দ হচ্ছে না কি।আর সেই মুখ যদি বের করেই চলতে বলেন আল্লাহ তাহলে পর্দা করতে বলার মানে কি।আর সব থেকে বড় কথা মেয়েদের তো আল্লাহ একাকি বাইরে চলাফেরা করতেই নিষেধ করেছে সেখাণে তাদের কে মুখ দেখে চিনে নেবার কি আছে? আর দূর বর্তি স্থানে তাঁর সুন্দর চেহারা বের করে চলাচল করে মেয়ারা কি আরো বিপধ বাধাবে।এটাই কি আল্লাহর উদ্দেশ্য?
মেয়েরা যদি মুখ ঢেকে চলাচল করে তাঁর কথা শোনে তাহলে না তাকে প্রপোজ করবে না না তাকে টিজ করবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





