somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১টি মেয়ে...কিছু ভুল....৪টি বছর...কিছু সম্পর্ক!!!

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সবে মাত্র কলেজ পাশ করে র্ভাসিটিতে ভর্তি হয়েছি।ধীরে ধীরে ক্লাসের সবার সাথেই পরিচয় হতে লাগল। এক সময় আমাদের একটা সার্কেল ও তৈরি হল। সার্কেল এ সদস্য সংখ্যা মাত্র ১০ জন। এই ১০ জন কে শিরনাম করা হয়েছে কিছু সম্পর্ক নামে। ৪টি বছর শিরনাম করা হয়েছে গত ৪ বছর কে,যখন এই ১০ জন কখনো একসাথে বসেনি।কখনো আড্ডা দিতে বসেনি সেই চির পরিচিত কপি হাউজ টাতে !

ক্যালেন্ডারে হিসেবে তখন ২০০৫ সাল। র্ভাসিটিতে আমাদের ১০ জনের একটা ঈশ্বনীয় গ্রুপ ছিল। ৩ জন মেয়ে আর ৭ জন ছেলে। এই ১০ জনের শেষ দেখা হয়েছিল ২০০৯ সালে। মানে বিবিএ রেগ ডে তে। এর পর একসাথে আর দেখা হয়নি।

২০০৫এর শেষের দিকে টুসি কে পছন্দ করতে শুরু করল দিপু। শুধু পছন্দ বল্লে ভুল হবে...যাকে বলে এ্যাগ্রেসিভ পছন্দ তাই। টুসি হা বা না কিছুই বলে না। এই দিকে টুসির সাথে আবার পিও এর সম্পর্ক ভাল। দিপু এই কারনে একটু সময় নিল, পিও আর টুসির সম্পর্ক টা বুঝার জন্য। এইটা কি ভালবাসার সম্পর্ক নাকি শুধুই ফ্রেন্ডশীপ । দিপু যখন সিউওর হল এটা শুধু ফ্রেন্ডশীপ তখন দিপু নিজের পাশাপাশি সার্কের অন্য সবাইকে দ্বায়িত্ব দিল টুসি কে বুঝাতে। টুসি ও সরাসরি হা না কিছুই বলে না। বুঝানোর তাকিকায় শেষ নাম লিখিয়েছিল পিও নিজেও।


হা বা না কোন কিছুই না জেনে দিপু টুসি কি লাভ করেই যেতে লাগল। টুসি ও তার সাথে চারটি বছর খুব ভাল ভাবেই থাকল। বলা যায় অঘষিত গার্লফ্রেন্ড । টুসি প্রতিনিয়ত দিপুকে ডমিনেট করত।

এই দিকে পিও কে নিয়ে ২০০৭ সাল থেকে টুসির সাথে দিপুর ঝগড়া হত নিয়মিত। পিও তা তখনই বুঝতে পারে। পিও টুসির সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। কিন্তু টুসি তা কমাতে নারাজ। সেই দিপুর ঝগড়া কে কোন পাত্তাই দিত না পিওর সাথে যোগাযোগের ব্যাপারে।

২০০৮ সালের দিকে কোন এক অজানা ঝড়ে পিওর সাজানো কাঁচের বাগানে আঘাত আনল। পিও টুসিকে একটু একটু পছন্দ করতে লাগল । বলা যায় পিও টুসির প্রতি ধীরে ধীরে দূর্বল হতে লাগল।

পিও বুছতেছিল এইটা সে ভুল করছে। কিন্তু মন বলে কথা। তারপর ও সে নিজেকে সামলে নিয়ে টুসির সাথে পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ করে দিল। যেন সে তার ভাললাগা থেকে সরে আসতে পারে।

এইদিকে দিপুর পিও এর প্রতি সন্ধেহ প্রবনতা আরো বেড়ে গেল। যা ধীরে ধীরে ঝগড়াতে রুপ নিতে লাগল। এরই মাঝে পিও মেজর নিয়ে নিল মার্কেটিং। দিপু আর টুসি নিল ফাইন্যঞ্চ।যদিও পিও ও তাই নিতে চেয়েছিল কিন্তু নেয়নি দিপুর কথা ভেবে । অথচ পিও বরাবরই ফাইন্যঞ্চ এ ভাল ছিল।

তারপর শেষ রক্ষা হয়নি। দিপুর অনুরোধে পিও আবার ও টুসির সাথে কথা বলতে শুরু করল যা ছিল দিপুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে। অবশেষে যা হবার তাই হয়েছে । দিপু আর পিওর ঝগড়া শেষ এ হাতাহাতি...আর নীরব দর্শক টুসি।

সময় তখন ২০০৯ দিপুর একমাত্র শত্রুতে পরিনত হল পিও।পিও নিজের ভুল বুঝতে পরে সরিও বলেছে। দিপু কিছু মানতে নারাজ। ২০০৯ এর পর আর কারো সাথে কারো দেখা বা যোগাযোগ হয়ানি।

এখন ২০১২...দিপুর সাথে টুসির ও কোন যোগাযোগ নেই...টুসির সাথে যোগাযোগ নেই পিওর ও। কিন্তু সার্কেল এর আর অন্য সাবার সাথে সব সময় সবার আলাদা ভাবে যোগাযোগ হত। শুধু একসাথে কারো সাথে কারো দেখা হত না।

২০০৯ থেকে ২০১২, মাঝে কেটে গেছে ৪টি বছর। এই চার বছর পর আজই প্রথম আবার সবাই একসাথ হলাম....কিন্তু মাঝে হারালাম ৪টি বছর শুধু একজন এর জন্য। টুসি র সাথে তার স্কুল কলেজ বা ভাসিটির কোন বন্ধুর সাথে কোন সম্পর্ক নেই।

সব ঠিক হয়ে যাবে....কিন্তু সময় আর ফিরে আসবে...না ।

ধন্যবাদ দিপু আমাদের আবার পুরোনো বন্ধত্ব তুলে আনার জন্য। চার বছর সাত্যি তোকে অনেক মিস করছি ।
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×