
আমি একবার দুদক ক্যান্টিনে টানা পঁচিশ গ্লাস পানি খেয়েছিলাম। দশ বারো বছর আগের কথা। গ্লাস বয় এক পিচ্চি সার্ভিস দিয়েছিলো। ওর সাথে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিলো। মাঝেমাঝেই যেতাম। খুব খুশি হয়েছিলো। সবাইকে জানিয়েছিলো ব্যাপারটা। পঁচিশ গ্লাস পানি টানা খেয়েছে! আশেপাশের লোকজন বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলো। রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে দেখছিলো আমাকে। ওকে আনন্দ দেবার জন্যই মূলত এ কাজ করা। এক গ্লাস দু’গ্লাস খেতেখেতে এক পর্যায়ে পঁচিশ গ্লাস। আমি খেলোয়াড়। লাইটহেভিওয়েট রেসলার। রানার। বাংলাদেশের স্কিপিং রেকর্ড হোল্ডার। অনেকের ভুল ধারণা আছে যে, আমার নাম গিনেস বুক অভ দ্যা ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে আছে। আসলে আমি না, বাংলাদেশের আরেকজন স্কিপিংয়ের আরেক ফর্মে কিছু করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে। আমি ন্যাশনাল রেকর্ড হোল্ডার। আমার পিবি টানা আড়াই ঘন্টা। যাই হোক ঘটনাটা দারুণ আনন্দ দিয়েছিলো। গ্লাসবয় পিচ্চির সাথে সে ঘটনার কয়েক বছর পর আবার সেখানে এক দীর্ঘ বিরতির পর দেখা হয়েছিলো। তখন ওর উচ্চতা অনেক বেড়ে গেছে এবং কৈশোরে পদার্পণ করেছে। আমাকে দেখেই চিনতে পেরেছিলো। পঁচিশ গ্লাস পানি খেয়েছিলেন আমাদের হেটেলে। হে হে হে। আমিও খুব খুশি হয়েছিলাম। হোটেলের অন্যান্য স্টাফরাও ব্যাপারটা জানে। দারুণ আনন্দের স্মৃতি হয়ে আছে ঘটনাটা। থাকবেও সবসময়। আবার কখনও ওরকম পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ইচ্ছে আছে এবার ত্রিশ গ্লাস খেয়ে আগের রেকর্ড ভাঙার। সহজ হবে না মোটেও জানি। বয়স হয়ে যাচ্ছে। তারপরও নিশ্চিতভাবেই আশাবাদী। দেখি।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




