
শাড়ির দাম ৭৫ হাজার টাকা। এই শাড়ি তাকে ৩ হাজার টাকায়ই দিতে হবে। কারন.. তিনি ঢাকা কলেজের ছাত্র!!!
এ যেনো মামুর বাড়ির আবদার.।!! দোকানদার কি কয়েক বোতল মদ খাইয়া মাতাল হইয়া রইছে যে ৭৫ হাজার টাকার শাড়ি ৩ হাজার টাকায় দিবে??
ঢাকা কলেজের কিছু শিক্ষার্থী তাদের কলেজের আসেপাশের দোকানগুলাকে তাদের বাপ দাদার দোকান মনে করে। তাদের জন্য যেনো সব ফ্রি। বাতচিত হলেই ভাংচুর, আগুন, লুটপাট ইত্যাদি ইত্যাদি। এদেরকে শিক্ষার্থী বলতেও আমার লজ্জা হয়। এরা শিক্ষার্থী নামের কলঙ্ক।
সংবাদ মাধ্যম মারপত জানা যায়, বৃহস্পতিবার তিনটার দিকে তিন তরুণ ও একজন নারী ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেটের নিচতলায় ‘বিসমিল্লাহ বস্ত্র’ দোকানে শাড়ি কিনতে আসেন। তাদের মধ্যে দুই তরুণের নাম মাহবুব ও জাফর। অন্য তরুণ ও নারীর নাম জানা যায়নি। তারা তিনটি বিয়ের শাড়ি পছন্দ করেন। প্রতিটি শাড়ির দাম ২৫ হাজার করে। কিন্তু তারা তিনটি শাড়ি ৩ হাজার টাকা করে দিয়ে প্যাকেট করতে বলেন। আমরা তাদের কাছে কমিয়ে রাখার কথা বলি। কিন্তু কিছুতেই তারা ৩ হাজার টাকার বেশি দিতে রাজি হননি। বারবার তারা নিজেদের ঢাকা কলেজের ছাত্র বলে পরিচয় দিতেছিলেন। এমনকি তিনহাজার টাকায় শাড়ি বিক্রি না করলে তাদের ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকিও দেওয়া হয়। এ সময় গালি দেওয়া হয়।’
‘গালি দিয়ে তারা চলে যান। এরপর ৩টা ৪৪মিনিটের দিকে লাঠিসোটা-অস্ত্র নিয়ে এসে দোকানদারদের ওপর হামলা চালায় এবং দোকান থেকে শাড়িও নিয়ে যান।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ধানমণ্ডি হকার্স মাকের্টের দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজি মোরশেদ আলম বলেন, ‘জুলুম করে শাড়ি নিতে চেয়েছিলেন তারা। শাড়ি নিতে না পেরে ২০ থেকে ২৫মিনিট পর প্রায় দেড়শ লোক হকি স্টিক, রামদা, চাপাতি নিয়ে মার্কেটে হামলা চালান। মার্কেটের ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। আমাদের অর্ধশতাধিক দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছেন। মার্কেটের ভেতরে মসজিদেও হামলা চালানো হয়েছে।’
মোরশেদ আলম বলেন, ‘চাঁদা না দেওয়ায় তারা নিউমার্কেট এলাকার প্রতিটি দোকানেই হামলা চালান। আমরা ঘটনার পরপরই পুলিশকে জানাই। কিন্তু পুলিশ অনেক পরে ঘটনাস্থলে আসে।
মোরশেদ আরও বলেন, ‘মার্কেটের ভেতরে হামলাকারীরা পেট্রল দিয়ে আগুন দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হামলা চালিয়ে অনেক শাড়ি নিয়ে গেছেন। তারা নিজেদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন।’
সমস্যাটা এখানেই জনাব। সরকার দলের ক্যাডার না হলে কোনো বাপের বেটার সাহস নেই এমন মামুর বাড়ির আবদার নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটানো।
সিসিটিভি ক্যামেরায় অনেকের ছবিই ধরা পড়েছে। আমরা দেখবো কতজনকে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হয়।
যদিও জোরজবরদস্তি করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা সরকার তাদের সমর্থক বিচ্চুদের এমন কান্ডের বিচার করার নৈতিক সাহসও রাখেনা।
দেশটাই যেনো জোরজবরদস্তির আর মগের মুল্লুকের ওপর চলছে। বিচার যেখানে নির্বাসনে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




