একজন মুসলিমের যখন ঈমান নষ্ট
হয়ে যায় তখন সে আর মুসলিম
থাকে না মুনাফেক হয়ে যায়,
এরা কাফের চেয়েও মারাক্তক
ভয়ংকর। চিনে রাখুন তাদের-
• সৌদি আরবের প্রধান
মুফতি বা সৌদি শরিয়া বোর্ডের
গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজ আল আশ
শেইখ বলেছেন, ইসরাইল-
বিরোধী মিছিল করা সম্পূর্ণ
হারাম। তিনি
আরো বলেছেন,
ফিলিস্তিনিদের পক্ষে মিছিল
করা অর্থহীন সস্তা আবেগপ্রসূত
তৎপরতা মাত্র!
• সৌদি রাজপুত্র ও সাবেক
গোয়েন্দা প্রধান তুর্কি ফয়সাল
গাজায়
গণহত্যা তথা ইসরাইলি অপরাধযজ্ঞের
জন্য দখলদারদের দোষ
না দিয়ে বরং হামাসকেই
দায়ী করে বলেন, “হামাস
অতীতের মতই ভুল
করে যাচ্ছে এবং গোঁয়ার্তুমি করে ইসরাইলে অকার্যকর
বা প্রভাবহীন রকেট নিক্ষেপ
করছে বলেই
ইসরাইলি সেনারা ফিলিস্তিনে হত্যাকাণ্ড
চালাচ্ছে!”
• তবে সম্প্রতি সবচেয়ে মারাত্মক
খবরটি ফাঁস করেছে নিউইয়র্ক
টাইমস। ওই খবরে বলা হয়েছে,
গাজায়
ইসরাইলি হামলা বা যুদ্ধের খরচ
বহন করছে সৌদি, জর্দান, সংযুক্ত
আরব আমিরাত ও মিশর সরকার!
• গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রায় ২৫
দিন পর (শুক্রবার বিকেলে)
সৌদি রাজা আব্দুল্লাহ গাজায়
ইসরাইলের নাম উচ্চারণ না করেই
ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়াবহ ও
নৃশংস হামলা সম্পর্কে ‘বিশ্ব
সমাজের নীরবতার’
নিন্দা করেছেন! বিশ্ব সমাজের
নীরবতার’
ফলে শান্তি বিরোধী প্রজন্ম
গড়ে উঠবে বলেও
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এ অবস্থায় গণহত্যার শিকার
ফিলিস্তিনিদের
প্রতি রাজা আবদুল্লাহর কথিত
সহমর্মিতা যে আসলে মায়াকান্না ও
লোক-দেখানো পদক্ষেপ তা দশ
বছরের বালকের কাছেও অস্পষ্ট
থাকার কথা নয়। রাই আল ইয়াওম
সংবাদ মাধ্যমের 'আবদুল
বারি আতওয়ান'সহ স্পষ্টভাষী আরব
সাংবাদিক ও বিশ্লেষকদের
মতে আসলে রাজা আবদুল্লাহর
কপটতা ফুটে উঠেছে আরো বেশ
কয়েকটি কারণে। প্রথমত
তিনি তার ওই
বক্তব্যে ইচ্ছে করেই ইসরাইলের
নাম মুখে আনেননি। (কারণ,
বাংলা প্রবাদ অনুযায়ী ভাসুরের
নাম মুখে আনতে নেই!) ইসরাইলই
যে এতোসব আগ্রাসন, গণহত্যা ও
সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাচ্ছে তা তিনি অন্তত
একবারও মুখে আনার সাহস
করেননি!
অন্যদিকে দশ হাজার
কিলোমিটার দূরের দেশ
ভেনিজুয়েলা, বলিভিয়া,
ইকুয়েডর, ব্রাজিল ও
আর্জেন্টিনা ইসরাইলি গণহত্যার
তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এইসব
দেশ
গাজার আহতদের চিকিৎসার
সুযোগ
দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এই
দেশগুলোর মধ্যে কয়েকটি দেশ
ইসরাইলি হামলার
প্রতিবাদে তাদের
রাষ্ট্রদূতকে ইসরাইল থেকে
ফেরত
এনেছে এবং এমনকি বলিভিয়া ইসরাইলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র
হিসেবে অভিহিত করে তার
সঙ্গে কিছু চুক্তিও বাতিল
করেছে। কিন্তু আজো কোনো আরব
দেশের
রাষ্ট্র প্রধান এ ধরনের
কোনো পদক্ষেপ
নিতে পারেননি! বরং মিশর
গাজার সঙ্গে তার সীমান্ত
আরো মজবুত করে বন্ধ
করে দিয়েছে যাতে বোমা হামলা থেকে পালানোর
কোনো পথ খুঁজে না পায় সমুদ্র ও
ইসরাইল-বেষ্টিত
গাজাবাসী এবং গাজাবাসীদের
জন্য জরুরী পণ্য সরবরাহের লাইন
হিসেবে ব্যবহৃত গোপন
সুড়ঙ্গগুলো ধ্বংস করছে!
তারা গণহত্যার জন্য জল্লাদদের
দায়ী না করে বরং মজলুমকেই
দোষারোপ
করছে!
কিন্তু গাজার
সন্তানহারা পিতা ও শহীদদের
জননীরা বলছেন: আমাদের
নারীরা আবারও জন্ম দেবে বীর
যোদ্ধাদের এবং গাজা কেবল
আল্লাহর কাছেই মাথা নত করবে।
আল্লাহু আকবর। তবুও মুনাফিকের
কাছে মাথা নত না।
>ফেসবুক থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



