somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাদিয়ানীরা কি মুসলমান? একটা পোষ্ট মর্টেম!

১৩ ই মার্চ, ২০২৩ দুপুর ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার এক বন্ধু ছিল। ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নামায, রোযা করতো। হঠাৎ একদিন শুনি, সে নাকি কাদিয়ানী। তখন ইন্টারনেট ছিল না। তথ্য-উপাত্ত এখনকার মতো এতোটা সহজলভ্যও ছিল না। অল্প কিছু বই-পত্র পড়ে বেশ কনফিউজড হয়ে গেলাম। শেষে আব্বাকে জিজ্ঞেস করতে উনি জানালেন, এদের মধ্যে সমস্যা আছে। এদের থেকে দূরে থাকবে। আব্বা এমনিতে আমাদেরকে ''তুই'' করে বলতেন, তবে সিরিয়াস হলে ''তুমি'' বলতেন। ফলে আমার যা বার্তা পাওয়ার, পেয়ে গেলাম। তাছাড়া তখন আমার প্রেমের মাত্র সূত্রপাত হয়েছে, বৃহসপতি তুঙ্গে! আমার প্রেমিকা ছাড়া চোখের সামনে অন্যকিছুই দেখি না, কাদিয়ানীদের দিকে নজর দেয়ার সময় কই? ফলে, কাদিয়ানী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো তখনকার মতো।

তবে আমার সেই বন্ধু হাল ছাড়লো না। সে বিভিন্ন রকমের বই-পুস্তক সরবরাহ করতেই থাকলো। তখন সের দরে কাগজ-পত্র বিক্রি করার চল ছিল। টাকার খুব টানাটানি থাকায় খানিকটা পড়ে খবরের কাগজের সাথে বিক্রি করে দিতাম। ঢাকার বখশিবাজারে তাদের একটা সেন্টার ছিল, সেখানে যাওয়ার জন্য আমার সাথে সবসময়ে ঝুলাঝুলি করতো। ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কড়া করে কিছু বলতেও পারতাম না। শেষে একদিন বললাম, দ্যাখ, প্রেম আর একাডেমিক পড়ালেখা নিয়া আমি চরম মাত্রার ব্যস্ত। পাশ করার পরে বিয়াটা কইরা লই, তারপরে তোর লগে এই নিয়া ফাইনাল ডিসকাশান হবে। তাছাড়া আব্বার সাথেও এই নিয়া আলাপ করতে হবে। ফলে সেও বার্তা পেয়ে গিয়ে আমাকে নিস্তার দিলো।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন কারনে এই বিষয়ে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছে। তার মধ্যে যতোটা না অন্যদেরকে কাউন্টার দেয়ার জন্যে; তার চাইতে বেশী কৌতুহল থেকে। কারন, যতো যাই হোক, তাদের এই যে মুসলমান হিসাবে পরিচয় দেয়া, মেইনস্ট্রিমের মুসলিমদের থেকে বিশ্বাসগত পার্থক্য আর বিভিন্ন বিষয়ে চমকপ্রদ কথাবার্তা……..সেসবই আমাকে তাদের ব্যাপারে আরো জানতে উৎসাহিত করেছে।

ইদানীং দেশে আবার কাদিয়ানী বিষয়টা সামনে এসেছে। ব্লগেও দেখলাম কিছু কথাবার্তা হচ্ছে। বিবিসি বাংলাও একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কাজেই ভাবলাম, আবার একটু পুরানো পড়ালেখাগুলো ঝালিয়ে নিয়ে এই বিষয়ে একটা পোষ্ট ঝেড়ে দেই।

সাদা চোখে দেখলে, কাদিয়ানীরা মুসলমানদের সব রকমের আচার-আচরণই পালন করে। নিজেদেরকে মুসলমান হিসাবে পরিচয়ও দেয়। তাহলে সমস্যা কোথায়? কেন তাদের নিয়ে এতো বিতর্ক? সংক্ষেপে পয়েন্ট আকারে বলার চেষ্টা করি।

তার আগে বলে নেই, এদের পোষাকী নাম, আহমদিয়া মুসলিম জামাত। আর ডাকনাম হলো কাদিয়ানী। এতো বড় নাম বারে বারে লেখা ঝামেলা, তাই পোষ্টে আমি ডাকনামই ব্যবহার করেছি। কাদিয়ানীদের উৎপত্তি আর ব্যুৎপত্তি কোথা থেকে হলো, কিভাবে এরা বিবর্তিত হলো, কিংবা কিভাবেই বা তারা আজকের পর্যায়ে উপনীত হলো……….সে‘সবে আর যাচ্ছি না। কারন, আমার এই পোষ্টের মূল উদ্দেশ্য সেটা না। তবে, একটা গুরুত্বপূর্ণ নাম জানিয়ে রাখি, মির্জা গোলাম আহমদ। ব্রিটিশ ভারতে জন্ম নেয়া এই ভদ্রলোকই আহমদিয়া মুসলিম জামাত তথা কাদিয়ানীতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। এই মির্জা সাহেব কিন্তু লেখালেখিতে অতিশয় দক্ষ ছিলেন। আজকের যুগে জন্ম নিলে উহাই ''যুগশ্রেষ্ঠ ব্লাগার'' হইতেন। দুর…….কি বলতে কি বলি!! আসল কথায় আসি। অনেক লেখালেখির মধ্যে ইহার অন্যতম কীর্তি ৮৪টা বই, যেটা ২৩ খন্ডে প্রকাশিত। নাম ''রুহানী খাজায়েন''। সেটারই পরতে পরতে বিভিন্ন বানী ছড়িয়ে আছে।

সে যাই হোক; চলেন, শুরু করা যাক।

১। আমরা মুসলমানেরা জানি যে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের ধর্মের শেষ নবী এবং রাসুল। উনার পরে আর কোন নবী বা রাসুল এই পৃথিবীতে আসবেন না। আর উনার উপর নাজিলকৃত কোরআন শরীফের মাধ্যমেই আল্লাহ ইসলামকে পূর্ণতা দান করেছেন। ফুলস্টপ!!! তবে, মির্জা সাহেব দাবী করেন যে, ''আমি রাসুল, এবং নবীও''। (রুহানী খাজায়েনের ১৮তম খন্ডের ২১১নং পৃষ্ঠা) । ইসলামের পূর্ণতা লাভের পর মির্জা সাহেবের নবী বা রাসুল হিসাবে কামটা কি? প্রথমে ইমাম মাহদী, তারপরে প্রতিশ্রুত মসীয়াহ অর্থাৎ হযরত ইসা (আঃ) এবং সর্বশেষ নবী তথা মুহাম্মদ। এইটাকে বলে থ্রি-ইন-ওয়ান। এমন লোকের হাতে ইসলাম পড়লে তার সাড়ে-সর্বনাশের আর কিছু বাকী থাকে?

২। উহা নিজেকে নবী দাবী করেই থেমে থাকে নাই। নিজেকে আল্লাহও দাবী করেছে (রুহানী খাজায়েনের ৫ম খন্ডের ৫৬৪ নং পৃষ্ঠা)। সেখানে বলা আছে, ''স্বপ্নে দেখলাম আমিই আল্লাহ। এবং আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, আমিই আল্লাহ।'' আবার রুহানী খাজায়েনের ১৩তম খন্ডের ১০৩ নং পৃষ্ঠাতেও একই দাবী করা হয়েছে। সে আরো বলেছে, Quran is God's Book and words of my mouth. (Roohani Khazain vol.22 p.87) ফেরাউন নিজেকে খোদা দাবী করার কারনে অভিশপ্ত হয়েছিল। মির্জা সাহেবকে কি বলা যায়? আর যাই বলা যাক, মুসলমান কি বলা যায়? আর তার অনুসারীদেরকে?

৩। এরা কালেমা তাইয়্যেবা পড়ার সময়ে যে ধারনা অন্তরে পোষণ করে, সেটা পৃথিবীর বাকী তাবৎ মুসলমান থেকে ভিন্ন। সেই অনুযায়ী তাদের দৃষ্টিতে বাকী সব মুসলমান কাফের। এখন তারাই আবার অভিযোগ করে যে, তারাও কালেমা পড়ে, তাহলে তাদেরকে কেন কাফের বলা হবে? তাছাড়া মির্জার বইতে আছে, 'যে ব্যক্তি মির্জার নবুওয়াত মানে না সে জাহান্নামী কাফের' (রবয়ীন পৃ.৪. আদইয়ানে বাতেলা পৃ. ১৩২)। অথচ সমগ্র দুনিয়ার উলামায়ে কেরামের ফতোয়া হলো, যে ব্যক্তি মির্জাকে নবী মানবে সে কাফের। কি তামশা!!! কয়েকদিন আগে একটা ভিডিও দেখেছিলাম, এক চোর গণপিটুনি খাওয়ার পর অভিযোগ করছে, আমি না হয় চুরি করলাম। তাই বইলা আমারে এইভাবে মারবে? একটা ভিডিও দিলাম। আগ্রহীরা দেখেন। বিষয়টা পরিস্কার হবে।

৪। যতোদূর জানি যে, মির্জা সাহেব পুরুষ ছিল। তবে, উহার একজন অনুসারী, কাজী ইয়ার মোহাম্মদ; যার কাজ ছিল মির্জা সাহেবের মুখ-নিঃসৃত বিভিন্ন বানী লিপিবদ্ধ করা……...''ইসলামের কোরবানী'' নামক একটা বইয়ের ১৩নং পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেছে, মির্জা সাহেব একজন নারী এবং আল্লাহ নাকি তার সাথে ''ইয়ে'' করেছে (নাউজুবিল্লাহ)। এই দাবী যখন আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়, তখন খাড়ার উপ্রে আমার আর্নল্ড শোয়ার্জনিগার অভিনীত ''দ্য টার্মিনেটর'' মুভিটার কথা মনে পড়ে যায়। কেন? তাহলে এটা পড়েন (বাংলায় আর তরজমা করলাম না। আমার কেন জানি মনে হলো ইংরেজিতে যেই মজাদার ফ্লেভারটা আছে, সেটা নষ্ট হয়ে যাবে)…….He claimed to be the mother of Prophet Jesus and then he claimed to be Prophet Jesus himself. He said the 'first God' converted him into Mary. After two years, God made him pregnant for ten months, after which God converted him into Jesus. [Roohaani Khazaain]

হে হে হে……….কি বুঝলেন?

৫। মির্জার বইতে আছে, 'ফেরেশতা বলতে কিছু নেই' (তাওযীহে মারাম পৃ. ২৯, আদইয়ানে বাতেলা পৃ. ১৩৩) তাহলে মহান আল্লাহ আল ইমরান. ১৮, সূরা বাকারা.৩০,১৬১, সূরা নিসা. ৯৭ তে কি বলেছেন? আর হাশর সম্বন্ধে মির্জা ফরমায়, 'মৃত্যুর পর হাশরের ময়দানে কেউ একত্র হবে না। বরং সরাসরি জান্নাত বা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।' (ইযালায়ে আহকামে কুলাঁ পৃ.১৪৪, আদইয়ানে বাতেলা পৃ.১৩৩)। অন্যদিকে এই বিষয়ে সূরা আনআম. ২২, সূরা কাহাফ. ৪৭ এবং সূরা ফাতিহা. ৩ যদি দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন মির্জার বুজরুকি!!


আমি পাচটা পয়েন্ট তুলে ধরলাম। আরো অনেক দেখাতে পারি, তবে মনে হয় তার আর দরকার নাই। শুধু শুধু পোষ্ট বড় করে কি লাভ? যেটুকু দেখিয়েছি, সেটাই যথেষ্ট। হাড়িতে চাল ফুটালে ভাত হয়েছে কিনা বোঝার জন্য সবগুলো চাল টেপাটেপি করার দরকার পড়ে না। কয়েকটা টিপলেই ঘটনা পরিস্কার বোঝা যায়।

এইবার আসেন, কাফেরের ক্লাসিফিকেশান সম্পর্কে একটা ধারনা নেই। কাফের হলো তিন প্রকারের।
১। প্রকাশ্য কাফেরঃ এতে ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু ইত্যাদি সকলেই অন্তর্ভুক্ত। এরা প্রকাশ্য এবং সুস্পষ্ট কাফের। এদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব ধর্ম আছে, এবং সেইসব ধর্মকে সমীহ করার কথাও ইসলামে বলা আছে।
২। যারা ভেতরে ভেতরে কাফের, কিন্তু প্রকাশ্যে নিজেকে মুসলমান বলেঃ এদেরকে মুনাফিক বলা হয়। এরা ভয়াবহ এবং এদের ব্যাপারে সাবধান থাকা প্রতিটা মুসলমানের কর্তব্য। পবিত্র কোরআনের সূরা মুনাফিকূনে এদের সম্পর্কে বলা আছে।
৩। যারা নিজের কুফরকে ইসলাম প্রমাণ করার চেষ্টা করেঃ এরা হলো ভয়াবহতম। মুনাফিকদের কুফর সাধারণ কাফেরদের চেয়েও বড়। কেননা তারা কুফর ও মিথ্যাকে ব্লেন্ড করে। মুনাফিকদের চেয়েও এই তৃতীয় প্রকারের কাফেররা বড় অপরাধী, যারা নিজেদের কুফরকে ইসলাম বলে। তাদের আকীদা সুস্পষ্ট কুফুরী। অথচ তারা একে ইসলাম বলে উপস্থাপন করে। শরীয়তের পরিভাষায় এদেরকে 'যিনদীক' বলা হয়।

কাদিয়ানীরা হলো এই যিনদিক!!!

কাজেই এসব ফেতনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীদের থেকে সাবধান। এরা মুসলমান নাম ধারন করে, তাদের আচার-আচরণকে ধারণ করে। তারপরে মুসলমানদের সাথে মিশে তাদের ক্ষতি করে।

আমাদের এই উপমহাদেশেই শিখ সম্প্রদায় হিন্দু এবং ইসলাম ধর্ম থেকে আইডিয়া নিয়ে একটা স্বতন্ত্র ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা অন্যান্য ধর্মের সাথে সহাবস্থানও করছে। কাদিয়ানীদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা শিখদের মতো করে নতুন একটা ধর্মের কনসেপ্ট নিয়ে আসেন। নিজেদেরকে মুসলমান বলা বাদ দেন। তাহলেই একমাত্র আপনাদের সাথে মিলেমিশে থাকা যাবে। বিভ্রান্তী সৃষ্টিকারীদেরকে কেউই পছন্দ করে না।

আমি কোন ইসলামী স্কলার না, একজন মামুলী ছা-পোষা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানব। আমার লেখায় ভূল-ত্রুটি থাকতেই পারে। সেসবসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনাও হতে পারে। তবে একজন সাধারন মানুষ হিসাবে আমি রাগ-বিরাগের উর্ধে না। সেসব মহামানবদের বিষয়। উনারা শত খোচাখুচিতেও নির্বিকার থাকতে পারেন। আমার পক্ষে সেটা যেহেতু সম্ভব না, তাই ব্লগের চিহ্নিত ইসলামোফোবরা পোষ্ট থেকে দূরে থাকেন। আগেই বলে রাখছি, আমার এই পোষ্টে কোন ফাজিল-মার্কা মন্তব্য কিন্তু আমি সহ্য করবো না। তবে যেহেতু লক্ষ্য করেছি, ইসলামোফোবরা ইসলাম নিয়ে বেশ পড়ালেখা করে; তো, তেনাদের জ্ঞানগর্ভ, প্রাসঙ্গিক এবং যুক্তিসঙ্গত আলোচনাকে স্বাগতম!!!

ছবিসূত্র।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০২৩ দুপুর ১:২৫
৫৪টি মন্তব্য ৫৪টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ডিটেকটিভ, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার: মধ্য বৃত্ত

লিখেছেন রিয়াদ( শেষ রাতের আঁধার ), ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৪:০৭


প্রফেসর সাজিদ এলাহী, বয়স সাতান্ন। ইংরেজি বিষয়ের প্রফেসর। লম্বা চওড়া শরীর, গায়ের রং হালকা তামাটে। প্রতিদিন সকালে উঠে এক ঘণ্টা করে হাঁটাহাঁটির কারণে এখনও শরীরে বয়সের ছাপ স্পষ্ট নয়। শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোষ্ট প্রকাশের পর, আপনি কি কিছুক্ষণ সামুতে থাকেন?

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৫:৫০



আমি পোষ্ট দেয়ার পর, বেশ কিছু সময় সামুতে থাকি; ঘর থেকে বের হওয়ার আগে, আমি প্রায়ই পোষ্ট দিই না সামুতে। অবশ্য আজকাল, আমি আমার নিজের নিয়মও খুব একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত ইবাদত এবং হালুয়া রুটি খাওয়ার উৎসবের ঘনঘটা

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:২২

BVNEWS24 ||



আলোকসজ্জা করা যাবে কি?
শবে বরাত রাতে বাড়িঘর, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনায় আলোকসজ্জা করেছেন। এর মাধ্যমে একটি উৎসবের আমেজ তৈরি করা হয়। এই উৎসব করা কিসের ভুল? উৎসব মাধ্যমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র লাইলাতুল বরাত রজনীতে মডারেট মুসলিম হওয়া উদাত্ত আহ্বান জানাই।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:০৪


শবে বরাতের সাথে খানাদানার একটু সম্পর্ক আছে। তাই শুরুতেই হালাল খাবার।

ব্লগে ঢুকে দেখি শবই বরাত নিয়ে দুইটা পোস্ট আসছে।এই ব্লগ সকল ব্লগারের মত প্রকাশের একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম। ব্লগটিমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ জাতিসংঘেও পাঠাতে পারবো একটা স্মারক চিঠি

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১০:২৬



হৃদয়ে আবার কাঁপন - একটা ঠিকানার কি এক তৃষ্ণায়
মনে হয় আবার এসেছে ফিরে আরেক শীতকাল;
পশ্চিম আফ্রিকার সব তাপমাত্রা নিজের মধ্যে টেনে নিয়ে আমি কি এক প্রাণপণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×