
সাধু সন্ন্যাসীদের লোভ থাকতে নেই। কিন্তু সাধু সন্ন্যাসীদের স্ত্রী বা যদি বলি সাধনসঙ্গী, তাদের যে লোভ থাকবেনা তা তো হতে পারেনা। সাধুনী বা মহিলারা স্বাভাবিক ভাবেই সোনার! প্রতি আগ্রহী। যাইহোক গল্পে আসি
সাধু যাইতেছিলেন তীর্থে। সাথে সাধনসঙ্গিনী। যেতে যেতে হঠাত সাধু দেখলেন, পথে সোনা পড়ে আছে! তাড়াতাড়ি মাটি চাপা দিলেন- পাছে সঙ্গিনীর লোভ হয়।
কী মাটি চাপা দিলেন, সাধু? - সাধুনী জিজ্ঞাস করে।
কিছু না, মাটি। কিন্তু সাধুনী বিশ্বাস করেনা।
সাধুনী খুঁড়ে দেখেন সোনার বার।
এটা গোপন করছিলে কেন? সাধুনী জিজ্ঞাস করে।
সাধু বলে পাছে তোমার লোভ হয়।
ওহ্, এখনও তবে সোনা আর মাটিতে তফাৎ করো সাধু, এই ভবে!- সাধুনী দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতেছিলেন।
আজকে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে প্রতিবেদক শুরু করেছেন ‘ছিল রুমাল, হয়ে গেল একটা বেড়াল’। সুকুমার রায়ের হ-য-ব-র-ল-এর সেই ভুতুড়ে কাণ্ড বাস্তবেও ঘটে। আর তা ঘটেছে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকেই। ছিল সোনা, হয়ে গেছে মাটি।
সাধু-সন্ন্যাসীতে ভরা এই দেশে কেন যে এই গল্প মনে পড়তেছে- প্রভুই জানেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



