somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বিভক্ত আত্মা
সময় অনেক কম, কাজ অনেক বেশি। সংবাদ মাধ্যমের চেয়ে উৎকৃষ্ট এই সিটিজেন জার্নালে অন্তত চটি লেখক মার্কা লোক নেই-আমি এতেই সুখ অনুভব করছি। লিখতে শুরু করেছি-লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন ফুড়িয়ে যাবো। তারপরেও সকল মানুষের কল্যান কামনা করেই যাবো

দেশের একমাত্র কাঁঠালপাতা বিক্রির হাট

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দু’জেলার ছাগলরা কাঁঠালগাছের মালিকদের জন্য দিনরাত প্রার্থনা করছেন!


এসব কাঁঠাল পাতা রাস্তার দুধারে, কবরস্থান, শ্বশান বা সরকারি ভাবে লাগানো কাঁঠাল গাছের। ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের দুরামারি এলাকা থেকে রুহিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার রাস্তা। রাস্তার দু-পাশে প্রায় ১৫ বছর আগে প্রায় ৩৪ কাজার কাঠাল গাছ লাগানো হয়। এর দেখাদেখি আশপাশের লোকজনও একই সময়ে গাছ রোপন করেন। ব্যক্তিগতভাবে রোপনকৃত গাছ থেকে গত ১২ বছর থেকেই ফল আসছে, পুষ্টি পাচ্ছে। সেই সাথে বছরে এক একটি গাছ থেকে প্রায় ৪ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। আর রাস্তার ধারের গাছগুলো ন্যাড়া। প্রতিদিন পাতার সাথে ডাল পালা কেটে প্রয়োজন সারছে এলাকার লোকজন। সাংবাদিক তো লিখছে আর লিখছেই। বলা হচ্ছে বছরে এত টাকার ফল বিক্রি করা যেতো, জাতীয় পুষ্টিতে যোগ হতো আরো পুষ্টিমান।
আসলে এসব লিখে কোন লাভ হয়নি। জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন কাউন্সিলের মহান কর্তা ব্যক্তিরা এলাকার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ছাগলদের কথা চিন্তা করে, এসব গাছ রক্ষনাবেক্ষনে উদাসিন থেকে "জীবে প্রেম করে যেইজন, সে বিছে সে ঈশ্বর" কথাটির যথাযথ মর্যাদা দান করছেন। প্রায় ৩৪ হাজার গাছের মধ্যে কিছু মরে গেছে, মেরে ফেলা হয়েছে বা চোরদের কর্মসংস্থানের জন্য কিছু বাদ পরেছে। তারপরেও যা ছিল বা আছে, তাতে বছরে প্রায় ২.৫ কোটি টাকা সমপরিমান ছাগলদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অবশ্য গত ১০ বছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। আসছে মৌসুমেও প্রায় আড়াই কোটি টাকা সমপরিমান এলাকার ও পাশ্ববর্তী জেলার ছাগলদের জন্য বরাদ্দ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এলাকার লোকজন ছাগল প্রেমিদের সাধুবাদ জানিয়েছেন। অন্যদিকে জানা গেছে যে, দুই জেলার ছাগলরা এসব ছাগল প্রেমিদের তাদের গোত্রের বলেই ভাবছে আর দিনরাত শুভ কামনা করছে। এসব ছাগল প্রেমিরা সাংবাদিকদেরও বলেছিলেন, যথাশিঘ্র ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যথা শিঘ্র কথাটির অর্থ বলতে যা বোঝায় তা হলো, এসব ছাগল প্রেমিরা, বাবা আদমের আয়ু পেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
(সংগতকারণে স্থানের নাম উল্লেখ করা হলোনা)

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:১৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন-উচাটন

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫০


তিড়িং বিড়িং ফাল পাড়ি,
যাচ্ছে রে মন কার বাড়ি?
পুড়ছে তেলে কার হাঁড়ি,
আমি কি তার ধার ধারি!

পানে চুনে পুড়ল মুখ,
ধুকছে পরান টাপুর-টুপ;
তাই বলে কি থাকব চুপ?
উথাল সাগর দিলাম ডুব।

আর পারি না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভয়ংকর সেই খবরের পর… সন্তানের হাতটা শক্ত করে ধরুন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

আজ সকালে খবরটি পড়ে আমার মনটা একদম ভেঙে গেল। ভাবতেই ভয় লাগছে—আমাদের সন্তানদের আমরা আসলে কতটা অরক্ষিত পরিবেশে বড় করছি! ছোট্ট একটি নিষ্পাপ শিশু, যে পৃথিবীটাকে ঠিকমতো চিনতেই শেখেনি, তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু খতরে মেঁ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


শুধুমাত্র মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু। তার বক্তব্যের মূলপ্রতিপাদ্য হলো হিন্দু খতরে মেঁ! আশ্চর্যের বিষয় হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা নাকি মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, কিছুদিন পরেই নাকি পশ্চিমবঙ্গ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় খুব দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে।

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

দিনগুলো কেমন যেন দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে!
দেখতে দেখতে মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে,
এইতো সেদিন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করলাম,
আর এদিকে দেখি চার মাস শেষ হয়ে পাঁচ মাস চলছে। অথচ আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×