১.
নেতাঃ আমাদের (মহিলা দলের নাটোরের) কমিটি ভালই হয়েছে তবে বনলতা সেন কে বাদ দেওয়া ঠিক হয় নি। (মৃদু কৌতুক)
মহিলা নেত্রীঃ স্যার বলেন কি! ওঁ কি আমাদের দলের যোগ্য কর্মী? বাদ পড়েছে?
নেতাঃ (হেসে হেসে) বলেন কি আপনি! চিনেন না? ঐ যে- বনলতা সেন, পাখির নীড়ের মতো গোল গোল বড় বড় চোখ!
এবার মহিলা একটু বিপর্যস্ত হলেন। কেননা, বুঝতে পারছিলেন না- কে এই বনলতা সেন? অথচ উনি ছিলেন বিজ্ঞান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বইয়ের অগাধ পড়াশোনার ধারক ও বাহক। তাঁর ছিল ডক্টরেট।
কে একজন ঠাট্টা করে বললেন, না আপা, মহাসচিব সাহেব আপনার সাথে দুষ্টুমি করেছেন।
(মহিলাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি)
২.
Student politics and other topics in the sixties বইটা হাতে নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, এটা এই বছরের শেষ বই। কিন্তু ৪৫ পৃষ্টা পড়ার পর বুঝতে পারলাম আপাতত বাম রাজনীতির এত ভারি ভারি আলাপ মাথায় ডুকবে না। রেখে দিলাম। অর্থাৎ এ বছর আমার পড়া শেষ বই "Student politics and other topics in the sixties" না, বরং অন্য একটা বই (কাল রাতে শেষ হয়েছে)। নামটা যথাসময়ে বলব। আজ আমার বন্ধু ফোন করে জানতে চাইল-
বন্ধুঃ তোমার পড়া সর্বশেষ বই কোনটা?
আমিঃ নাম বলা নিষেধ। তোমার কোনটা?
বন্ধুঃ তুমি বইয়ের নাম বলবা না, তাহলে আমি বলবো কেন?
আমিঃ আরে আমি তো বললাম, নাম বলা নিষেধ। এবার তোমারটা বলো।
বন্ধুঃ সত্যি করে বলো তো, খারাপ বই নাকি?
আমিঃ হ্যাঁ, খারাপ বই। প্রিন্ট টা খুবই খারাপ। খুব আগের তো। লাস্ট সংস্করণ ২০০১ সালে!
শেষে বন্ধুকে বললাম, বন্ধু বইটার নামই, "নাম বলা নিষেধ"। লিখেছেন- এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। বন্ধু এবার ফিক করে হাসল। বলাই বাহুল্য প্রথম ঘটনাটি (১) "নাম বলা নিষেধ" বই থেকে নেওয়া।
[বুঝা-নাবুঝার মাঝখানে একটা জায়গা আছে। তবে বুঝতে বেশি সময় লাগে না। বিষয়টা খুব মজার। এটার একটা নাম আছে। বলা যাবে না। নাম বলা নিষেধ।]

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



