somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাম বলা নিষেধ

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.
নেতাঃ আমাদের (মহিলা দলের নাটোরের) কমিটি ভালই হয়েছে তবে বনলতা সেন কে বাদ দেওয়া ঠিক হয় নি। (মৃদু কৌতুক)

মহিলা নেত্রীঃ স্যার বলেন কি! ওঁ কি আমাদের দলের যোগ্য কর্মী? বাদ পড়েছে?

নেতাঃ (হেসে হেসে) বলেন কি আপনি! চিনেন না? ঐ যে- বনলতা সেন, পাখির নীড়ের মতো গোল গোল বড় বড় চোখ!

এবার মহিলা একটু বিপর্যস্ত হলেন। কেননা, বুঝতে পারছিলেন না- কে এই বনলতা সেন? অথচ উনি ছিলেন বিজ্ঞান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বইয়ের অগাধ পড়াশোনার ধারক ও বাহক। তাঁর ছিল ডক্টরেট।

কে একজন ঠাট্টা করে বললেন, না আপা, মহাসচিব সাহেব আপনার সাথে দুষ্টুমি করেছেন।
(মহিলাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি)

২.
Student politics and other topics in the sixties বইটা হাতে নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, এটা এই বছরের শেষ বই। কিন্তু ৪৫ পৃষ্টা পড়ার পর বুঝতে পারলাম আপাতত বাম রাজনীতির এত ভারি ভারি আলাপ মাথায় ডুকবে না। রেখে দিলাম। অর্থাৎ এ বছর আমার পড়া শেষ বই "Student politics and other topics in the sixties" না, বরং অন্য একটা বই (কাল রাতে শেষ হয়েছে)। নামটা যথাসময়ে বলব। আজ আমার বন্ধু ফোন করে জানতে চাইল-
বন্ধুঃ তোমার পড়া সর্বশেষ বই কোনটা?
আমিঃ নাম বলা নিষেধ। তোমার কোনটা?
বন্ধুঃ তুমি বইয়ের নাম বলবা না, তাহলে আমি বলবো কেন?
আমিঃ আরে আমি তো বললাম, নাম বলা নিষেধ। এবার তোমারটা বলো।
বন্ধুঃ সত্যি করে বলো তো, খারাপ বই নাকি?
আমিঃ হ্যাঁ, খারাপ বই। প্রিন্ট টা খুবই খারাপ। খুব আগের তো। লাস্ট সংস্করণ ২০০১ সালে!

শেষে বন্ধুকে বললাম, বন্ধু বইটার নামই, "নাম বলা নিষেধ"। লিখেছেন- এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। বন্ধু এবার ফিক করে হাসল। বলাই বাহুল্য প্রথম ঘটনাটি (১) "নাম বলা নিষেধ" বই থেকে নেওয়া।

[বুঝা-নাবুঝার মাঝখানে একটা জায়গা আছে। তবে বুঝতে বেশি সময় লাগে না। বিষয়টা খুব মজার। এটার একটা নাম আছে। বলা যাবে না। নাম বলা নিষেধ।]

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভাবতে পারি না

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪


আমি ভাবতে পারি না মধ্য রাতের চাঁদ
আমি ভাবতে পারি না স্নিগ্ধ ভোরের স্নান
মধ্য দুপুরের সূর্য তাপ, সন্ধ্যার ক্লান্তি মুখ!
আমাকে ডেকে নিয়ে যায় ঘাসফড়িং কিংবা
জোনাকির ঘরপোড়া দল- শান্তির সংগ্রামে
দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পতাকার যুদ্ধ অথবা গামছা ও কালিমা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০

একটি দেশের পতাকা শুধু কাপড় নয়। এটা একটি চুক্তি—আমরা কে, এই প্রশ্নের সম্মিলিত উত্তর। বাংলাদেশের পতাকার রং লাল-সবুজ। লাল মানে রক্ত, সবুজ মানে মাটি। এই দুটি রঙের পেছনে একটি নির্দিষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

কি করে কি করি, কি যে করি !

লিখেছেন মেহবুবা, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৫




আজ বেশ ক'দিন হোল আমার ব্লগবাড়িতে জ্বীন ভূতের কারসাজি চলছে! আধা পৃষ্ঠা জুড়ে কয়েকটি পোষ্ট আসছে, সব আসছে না।নিজ ব্লগবাড়িতে কত কি আয়োজন থাকে ; যেমন মন্তব্য,... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের আন্দোলনরত HSC শিক্ষার্থীদের ধিক জানাই

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:২০



দেশের কমপক্ষে ৬ টি জেলায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিল ও স্থগিতের জন্যে আন্দোলনে নেমেছে। এরা হল লীগ সরকরারের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেড়ে ওঠা তরুন তরুনী, যারা পড়ালেখা না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×