ভিসা রেডি, আমরাও রেডি। সব কিছু খুব দ্রুতই হাতে পেয়ে গেলাম, আলহামদুলিল্লাহ্। এই পর্যায়ে ধন্যবাদ দিতে চাই ওয়েডিং ডায়েরি এবং এশিয়ান হলিডেইজ কে।
যথারিতি সকল বাঙালি নারীর মত বড় লাগেজ সাথে নেই নাই। একটা বড় কাঁধ ব্যাগ এবং ক্যামেরার জন্য আর ১টা ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পরলাম বিদেশ সফরে। আমার জামাই আগে থেকে অনলাইন এ অনেক কিছু ঠিক করে রেখেছিলো। যেমনঃ ব্যাংকক থেকে ফুকেট এর বিমান টিকিট, সেখানে রাতে থাকার হোটেল, পরদিন সকালের ফি ফি আইল্যন্ড যাওয়ার প্যাকেজ এইগুলো।
১৬ নভেম্বর দুপুর ১২টায় আমাদের বিমান। সঠিক সময় এর ২ ঘন্টা আগেই ইমিগ্রেশন ক্রস করলাম, কিন্তু বাংলাদেশ বিমান সবসময় লেট। প্রায় ১ ঘন্টা বসে থাকার পর বিমান ছাড়লো। ভাড়া ছিলো আসা যাওয়া ২৬০০০ টাকা জনপ্রতি । ভাগ্য ভালো যে ফুকেট যাওয়ার জন্য ফ্লাইট এর সময় অনেকটা হাতে রাখা ছিলো, না হলে ঐ ফ্লাইট আমাদের মিস হয়ে যেত। তাই পরবর্তীতে কেউ এই ভুল করবেন না, যথেষ্ট সময় রেখে পরবর্তী টিকিট কাটবেন।
প্রায় ৩ ঘন্টা পর আমরা সুবর্ণভুমি এয়ারপোর্ট এ পৌঁছালাম। তখন স্থানীয় সময় প্রায় ৫ টা। সুবর্ণভুমি থেকে যেতে হবে ডনমং এয়ারপোর্ট এ। সময় লাগে ১ ঘন্টার মত। সুবর্ণভুমি এয়ারপোর্ট এ আমরা কিছু USD কে থাই বাথ করে নিয়েছিলাম।সাথে ১ টি সিম কার্ড। ২৯৯ বাথ। সুবিধার জন্য বলে দিচ্ছি যে এয়ারপোর্ট এর ভিতরে কারেন্সি রেট অনেক কম। তাই বাইরে থেকে নেয়া ভালো।
কারো যদি ডনমং থেকে কোন বিমান এর টিকিট থাকে তবে শাটাল বাস এ ফ্রি যাওয়া যায়। ৮ নাম্বার গেইট থেকে শাটাল বাস এ আমরা ডন মং এ গেলাম। সবকিছু সেরে সাটাল বাস এ ডন মং এ যেতে যেতে আমাদের রাত ৮টা বেজে যায়।
ফুকেট যাওয়ার জন্য আমাদের এয়ার এশিয়ার টিকিট কাটা ছিল রাত ১০ টার। টিকিট প্রমোশনাল অফার এ ৭৯০ বাথ জনপ্রতি। খাবার খেয়ে রাত ৯ টার মধ্যে বিমান এ। ঠিক সময় রওনা করে ১২ টার মধ্যে আমরা ফুকেট পৌঁছলাম। ফুকেট এয়ারপোর্ট থেকে মিনিবাস এ পাতং বিচ/বাংলা রোড এ যেতে খরচ ১৬০ বাথ জন প্রতি। ১ ঘন্টার মত সময় লাগলো হোটেল পর্যন্ত যেতে। হোটেল আগেই বুক করে রেখেছিলাম।নাম হাসিয়ান্ডা, বাংলা রোড এর এর কোনায়। ভারা ৮০০ বাথ। ছোট্ট হোটেল কিন্তু সকল সুবিধা বিদ্যমান। আমার ভালো লেগেছে।১ ঘন্টার জন্য বাংলা রোড এ একটু ঘুরে আসলাম। সেদিন এর মত লম্বা জার্নি খতম হল। একটা চমৎকার ঘুম এ রাত পার।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



