

সকালের মাঝে গাড়ি এসে হাজির। এশিয়ান হলিডেজ এর গাড়িতে ব্যাংকক দিয়ে আসবে। আমরাও নাস্তা খেয়ে রেডি। আমার ঘুম তখনও কাটে নি।আগের দিনের টায়ার্ড নেস যায় নি। নাস্তা করে গাড়িতে উঠে আমি ঘুম দিলাম।
৯ টায় পাতায়া থেকে ছেঁড়ে ব্যঙ্কক ফিরতে ফিরতে আমাদের প্রায় অনেক সময় লেগে গেলো। প্রথম ব্যঙ্কক এর জ্যাম দেখলাম


সকাল এ তৈরি হলাম, সাফারি ওয়ার্ল্ড গন্তব্য। সকল প্রস্তুতি এশিয়ান হলিডেজ এর ছিল। এর জন্য ৫ হাজার টাকা বাংলাদেশ থেকে দিয়ে রেখেছিলাম।যাওয়া-আসা, পার্ক এ বিভিন্ন শো দেখা আর দুপুরের খাবার এই ৫০০০ টাকার মধ্যে ছিল। পার্ক এ যেতে যেতে ৮টা বেজে গেল। মাথার উপর কড়া সূর্য। ছাতা নিয়ে যাওয়া ভাল। হাটতে হাটতে দেখতে লাগ্লাম প্রানীদের নিয়ে নানা রকম শো। সাফারি পার্ক ঘুরার পর গাড়ি নিয়েই সাফারি পার্ক ঘুরলাম। কত নিশ্চিন্তে আছে প্রানী গুলো। বিকেলে হোটেল এ ফিরে আরেক দফা গেলাম চাতুচাক মার্কেট এ। সেখান থেকে এম বি কে মার্কেট। ওই দিন্টা ছিলো আমার মার্কেট ডে। যতটুকু বুঝলাম চাতুচাক এর পর সস্তায় সপিং এর জন্য এম বি কে ভালো। যাই হোক আবার হোটেল ফিরলাম। কাল দেশে ফিরে যেতে হবে।
ডে ৮
সকাল ৮টায় গেলাম আবার এম বি কে তে। বাকি কেনাকাটা শেষ করে ট্যক্সি করে রউনা দিলাম সুবরনভুমি তে। তারপর দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা। আর সেখানেই শেষ আমার থাইল্যান্ড ডায়রি।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



