somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমি রানা
বাস্তব এবং সাধারন মানুষ আমার লিখার জীবন। এখানে রানা নামের একজন অতি সাধারন ব্যক্তির দৈনিক জীবন এবং তার দৃষ্টিতে সমাজের বর্তমান অবস্থা এবং এর প্রভাব তার নিজের ভাষায় প্রকাশ করা হবে।

সম্পর্কের শুরু শেষ।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্পর্ক গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে কোন এক অজানা কারনে। পুরনো সম্পর্কটা ভেঙ্গে আবার সচেষ্ট হয়ে উঠে নতুন কোন সম্পর্কে। শুরু হয় আবার নতুন করে ভালো থাকার অভিনয়। অভিনব অভিনয়। নতুন মানুষটার সবকিছুই নতুন, কথা বলার ধরন, চলার ধরন, দেখার ধরন,স্পর্ষ করার ধরন, সর্বপোরি ভালোবাসার ধরন। ভালো লাগে সবটাই । সাথে সাথে চলতে থাকে পুরনো সেই মানুষটাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা।

নতুন মানুষ, নতুন স্বপ্ন, নতুন সকাল, নতুন একটা তাজা গোলাপ। কত কত ভালোবাসা। আনন্দের বৃষ্টি অবিরত বর্ষিত হতে থাকে। সবকিছুই স্বপ্নের মত,কোন এক সিনেমা যা পুরোটা সময় একটা ঘোর নেশার মত মুগ্ধ করে রাখে, অন্য কিছুই মনে থাকেনা। মস্তিষ্ক যেন শুধু তাকেই চায়। জগৎটা যেন শুধু সে কেন্দ্রিক হয়ে পরে। সকল চিন্তার উৎস সে এবং চিন্তার শেষটাও সে, কবিতায় সে, গল্পেও সে, বন্ধুদের আড্ডা এবং সিগারেট এর প্রতি টানে সেই।
সবকিছুই নতুন নতুন লাগে । শরীরে লাগে ভালোবাসার বাতাস তখন বাতাসেও একটা গন্ধ থাকে, ভালোবাসার গন্ধ।প্রেমে না পড়লে এই গন্ধ নাকে আসেনা।তখন জীবনটার মানে হয়ে যায় অন্যরকম, যেন সদ্য ফােনটা চার্জ করে আনলাম।

কিন্তু সকল সমস্যার মূল হলো ঐ চাদঁটা। সকল নতুনের মাঝে হঠাৎ ঐ পুরোন চাদঁটা আলো দিতে থাকে। মধ্যরাতে মাঝ আকাশে উজ্জ্বল হয়ে, ঘরের জানালার ফাকঁ দিয়ে, কোন অনুমতি না নিয়েই ঢুঁকে পরে মনের ভিতরে। মনে করিয়ে দেয় সেই সকল পুরনো কথা, পুরনো মানুষটা, পুরনো স্বপ্নগুলো, পুরনো হয়ে যাওয়া সেই সকালটা, বাসি শুকিয়ে যাওয়া সেই গোলাপটা।
তখনই ইচ্ছে করে সেই বাসি গোলাপটাকে দেখতে,হন্যে হয়ে খোজাঁখোজিঁ শুরু হয়ে যায় গোলাপটাকে। পুরনো ব্যাগটার ভেতরে থাকা ছিরে যাওয়া ডায়রির ভাঁজথেকে বের করা হয় গোলাপটাকে। হাতেনিয়ে দেখতে থাকে পুরনো প্রিয় মানুষটার শুকিয়ে যাওয়া চেহারা। নিজের অজান্তে চোখে জল চলে আসে।
আবার সম্পর্ক ভাঙ্গে কোন এক অজানা কারনে.....................



সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৯
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালো শিক্ষার্থী কখনো পরীক্ষা পেছাতে চায় না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

কারণ একজন প্রস্তুত শিক্ষার্থী জানে, পরীক্ষা যত দ্রুত শেষ হবে, সে তত দ্রুত জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে। অনিশ্চয়তা, বারবার সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘ অপেক্ষা—এসব কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।

বৃষ্টি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপপোকায় খাওয়াচ্ছ

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮


তোমার ফসলী মাঠের ফসল.
কেন উইপোকায় খাওয়াচ্ছ
কিছুদিন পর করবেটা কি
পাগল পাগল হবেই. শুনি!
পড়ালেখা করে একদিন বড় হবে
এটাই তো স্বপ্ন দেখি ওগো সোনাধন
তোমার সুনাম ভরে যাবে পাড়ায় পাড়ায়
গর্বে ভরে ওঠবে বাবা মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×