somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দ্বৈতস্বত্তা ( প্রথম অংশ )

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চারতলাতে তখন নতুন ভাড়াটে এসেছে ।
প্রায় চার মাস ধরেই খালি পড়ে ছিল । দুষ্টু লোকেরা বলে ,ভূতের আনাগোনা আছে ও ফ্ল্যাটে । আসলে একসাইডের জামগাছটার জন্য আলো আসে না পূর্বদিকে , একটা বিষণ্ণ অন্ধকার চেপে থাকে দিনের বেলাতেও , পছন্দ না হওয়ারই কথা । আমি আর উৎস তখন প্রথম প্রথম লুকিয়ে সিগারেট খাওয়া ধরেছি , বিল্ডিং এ এরকম ফাঁকা জায়গাতো কল্পনাই করাই যায় না । ছাদে কেউ দেখে ফেলার চান্স থাকতে পারে ,কিন্ত যেখানে ভূতের ভয় সেখানে ছায়া মাড়ানোর সম্ভাবনাই নেই । রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে , দুজনে মিলে ভালই আড্ডা জমত ,আর কিচ্ছুক্ষণ পরপর লাইটারের ঝলকানি । তো নতুন ভাড়াটিয়া আসার পর আমাদের কাছ থেকে অভিশাপ ছাড়া আর কিছু পেল না ।
কিন্ত ঐ পর্যন্তই । ওদেরকে ভয় দেখিয়ে ফ্ল্যাট থেকে তাড়ানোর প্ল্যান প্ল্যানই থেকে গেল । দুমাস কেটে গেল , কে আসল , চিনতামই না । ঢাকার বাড়িগুলো বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত । সবার লক্ষণরেখা নিজের ফ্ল্যাটের চোকাঠ পর্যন্তই , সামনে কারা আছে জানতে মানা । লিফটে হঠাৎ দেখা হলে কেমন আছেন কিংবা বাসায় আসবেন বলে মেকি হাসির মধ্যেই সম্পর্ক স্পষ্ট , হাজার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও আর দরজা পার হয়ে অন্য বাড়িতে ঢোকা হয় না , এমনকি বছরে কোন নিয়ম রক্ষার অনুষ্ঠানে কারো সাথে কথা হলে তাদের নাম মস্তিষ্কের গহীন কোণে হাতড়ে ফিরি । এরকম অবস্থায় বিল্ডিঙ্গের আটাশ নম্বর ভাড়াটের সাথে আর দশজনকে আলাদা করা প্রায় অসম্ভব । তবুও গভীররাতে সুখটানের তীব্র তাড়নায় বারান্দায় দাঁড়িয়ে মনে হত , কে আছে ওখানে ?
এইত তিনমাস আগের কথা । সারাদিন ক্লাস শেষে বাসে দুঘন্টা দাড়িয়ে চিড়েচাপ্টা হয়ে অর্ধমৃত্প্রায় । লিফটে উঠে কোনমতে চোখবুজে আমি ফ্যানের কাছে মাথা নেবার চেষ্টা করছি । হঠাৎ পায়ের ওপর এসে পড়ল কিছু । তাকাতেই দেখি পাশে এক আন্টি হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে আছেন , আর ছেড়া পলিথিন ব্যাগ থেকে থেকে এক এক করে আলু,ঢেড়স,বেগুন ফ্লোরে আছড়ে পড়ছে । অতটুকু ব্যাগে এত সবজিসহ এতদূর কিভাবে এলেন -এটা ভেবে অবাক হয়ে রইলাম আমিও । হঠাৎ লিফটের আওয়াজ শুনে আমার কমন সেন্স ফিরে এল । এক পা দিয়ে দরজা আটকে ধরে কাছের আলু পটল কুড়ানোর সময় বললাম , " আন্টি আপনি দ্রুত একটা গামলা নিয়ে আসুন । একবার পায়ের নিচে পড়লে সবকিছু শেষ ।"
"বাবা খামোখা ধরার দরকার নেই । তুমি --"
"ভদ্রতার সময় নেই । তাড়াতাড়ি করুন । "
হঠাৎ করে নিজেই কনফিউজড হয়ে গেলাম , কি একটু বেশি আদেশের মত শোনালো কথাটা ? নাকি আন্টি বলাতে ভদ্রমহিলা মাইন্ড করবেন ? ভার্সিটিতে ওঠার পর অনেকজনকে আন্টি বা আঙ্কেল বললে বিরক্তি নিয়ে তাকায় , আবার ভাই বলতেও নিজের কাছেই কেমন জানি লাগে । মহাযন্ত্রণা !!!! ভাবতে ভাবতেই উনি ঝুড়ি নিয়ে হাজির , আমি চার পাঁচ মিনিট লিফট ধরে রাখলাম , এর মধ্যে উনি দুবার আনা নেওয়া করলেন । এই সময়ের মাঝে বেশ কয়বার ইনিয়ে বিনিয়ে বাজার করাটা কত কঠিন ,বাড়িতে আর কেউ না থাকলে কি ঝামেলা সব বলে নিজের নার্ভাসনেস কাটাতে চাইলেন , আর আমি হু হা করে গেলাম । শেষবার তোলার সময় একবার চা খাবার জন্য অনুরোধ করলেন ,আমি হাসি দিয়ে এড়িয়ে গেলাম ।
" যখনই সময় পাবে বাসায় আসিও ,কেমন -" বলতে বলতে লিফটের দরজা লেগে গেলো , আর উপরের দিকে তাকিয়ে টের পেলাম , আরে এটাতো থার্ডফ্লোর ! সেই চারতলা !!এদেরকে নিয়ে কত অদ্ভূত প্লানই না করেছি আমরা ! মনে মনে হাসলাম ।
পরের সপ্তাহে কোন একদিন বাসের জানলা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে আকাশ দেখার চেষ্টা করছি ,আর মনে মনে রাস্তার ফাস্টফুড দোকানগুলোকে দিয়ে যাচ্ছি একের পর এক অভিশাপ , সামনে তাকাতেই দেখি সেই ভদ্রমহিলা , উনিও আমার দিকে তাকিয়ে আছেন । দুজনই চোখ নামিয়ে ফেললাম । ধ্যাৎ ! বাসে আসার সময় কালে ভদ্রে সিট পাই সেটাও আবার ছেড়ে দিতে হবে ? কিছুই করার নেই .উঠে উনাকে বসালাম । এরপর পুরো রাস্তাজুড়ে আমার অ্যাদোপান্ত জেনে ফেললেন ।ঘটকের কাজ করেন নাকি ? আমি বিরক্তি চেপে রেখে একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলাম । মহিলার চেহারায় তামাটে ভাব , বিগত যৌবন এখনও মুখে সৌন্দর্যের চিহ্ন রেখে গেছে । চুলও বেশি নেই , যত্নের অভাবে ফেলে রাখা সুতোর মতই তাকিয়ে আছে । বেগুনি রঙ্গের নরমাল সিল্কের শাড়ি , সবকিছুই আর দশজনের মত । চোখের জ্যোতিতে জানার অসীম আগ্রহ , ছোট ছোট প্রশ্ন করে যে আনন্দ পান তার জন্য অবশ্য তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে।
একথা ওকথা বলতে বলতে বাসায় পৌছালাম । লিফটে থেকে উনি বের হওয়ার সময় হঠাৎ আমার হাত চেপে ধরলেন ,"আজকে কিন্ত আমার বাসায় যেতেই হবে ।"
" আজকে না অন্যদিন ।আজ একটু কাজ আছে । আমি নিজেই না হয় কোনদিন চলে আসব ।" আমার মুখে নার্ভাস হাসি
'কালতো ছুটি, আজকে যেতে সমস্যা কিসের ? চল আজকে । বেশিক্ষণ ধরে রাখব না তোমাকে ।" এই বলেই টান দিয়ে ভিতরে নিয়ে গেলেন আমাকে ।"বাধ্য হয়ে ঢুকলাম আমি । দুইদিনের পরিচয়ে আমাকে কি না জানি ভাবছেন , আর দেয়ালগুলো যদি প্রতিরাতে আমার আর উৎসের পাপের সাক্ষ্য দিত , কি অবস্থাটাই না দাড়াতো ।
ফ্রেশ হয়ে আসতেই টেবিলে দেখেই চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল । একের পর এক নাস্তা সাজানো । বিস্কুট ,চানাচুর থাকতেই পারে , কিন্ত একসাথে সেমাই, রোল ,সিঙ্গারা কি উনি একাই করলেন , দূর্গার মত দশ হাত হলে মেনে নেওয়া যেত , কিন্ত আর কেউ তো নেই ?
" বসো বাবা । সারাটা রাস্তা দাঁড়িয়ে ছিলে ।" এই বলে একে একে নাস্তা নাস্তা তুলে দিতে থাকলেন ,একদিক থেকে দাঁড়িয়ে লাভ হয়েছে । উনি যতই কথা বলুক না কেন , রান্নার হাত যে বেশি ভালো সেটা স্বীকার করতে বাধ্য হলাম । আমি খেয়েই চলেছি , হঠাৎ "দূর্জয় ওখানে দাঁড়িয়ে কেন তুই ? এদিকে আয় ।"
প্রশ্নটা আমার পিছনের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা কারো জন্য করা । আবাক হয়ে পিছনে ঘুরতেই দেখি চৌদ্দ-পনের বছরের রোগা একটা ছেলে দরজার অর্ধেক ধরে দাঁড়িয়ে আছে , মুখটা লম্বাটে পড়নে লাল ঢোলা গেঞ্জি , খয়েরি থ্রি কোয়ার্টার । পাশ দিয়ে বিকালের রোদ এসে বর্ণচ্ছটার সৃষ্টি করছে ।এত ঢোলা গেঞ্জি কেন পড়ে সেটা একটা রহস্য ।আপাতদৃষ্টিতে মুখটা কিছুটা অদ্ভূত , না না সুন্দর অসুন্দর নয় , কোন কাটা বা পোড়া দাগ নয় , কি যেন হিসাবমত মিলছে না ।
“এই ভাইয়ার কথাই ওইদিন বলেছিলাম রে । আর বাবা ,আমার ছেলে দূর্জয় । আজকের সিঙ্গাড়া আর রোল ওর বানানো ।“ ছে্লে্টা যেন পাহাড় ঠেলে মায়ের কাছে দাড়ালো । লজ্জা মিশ্রিত দৃষ্টিতে কৌতূহল । " আমরা শুধু দুজনই বাবা । বুঝতেই পারছো সব নিজে করতে হয় । এই বিল্ডিং প্রথম তোমার সাথেই যা কথা হল "
এইসময় প্রশ্ন জেগে উঠল আমার মধ্যেও , হাসবেন্ড নেই কেন ? হয়ত এই জিজ্ঞাসা প্রতিবেশিদেরও মনে ঘুরে ফিরে , কেউ হয়ত আমার মতই জানতে চান ,পারেন না । দূর্জয়ের সাথে কথা হল বেশ , লজ্জার রেশ কাটিয়ে উঠার পর অনেক কিছুই বলল সে । যা বুঝলাম বাহিরের লোকজনের সাথে খুব একটা মিশেও না , তাই শিশুসুলভ সরলতা চিন্তাভাবনায় আচঁড় রেখে গেছে । রান্না করতে ভালবাসে , আর ছবি আঁকতে । আমি খাদক মানুষ , খাওয়া নিয়েই চলল আলোচনা , এক সময় বিদায় নিলাম ।
এরপর থেকে ওর সাথে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠল । নতুন পিসি কিনেছে , মুভি নিতে আসত । তবে ওর মধ্যে জানার আগ্রহ প্রবল , হয়ত বংশগতই ব্যাপারটা । ভার্সিটি সম্পর্কে জানতে চাইত বেশি ।আমার প্রজেক্টের জিনিসও নেড়ে চেড়ে দেখত । মাঝখানে ওকে একদিন ভার্সিটিতে নিয়ে গেলাম । ও বেশ খুশি । নিজের কখনো ছোট ভাইবোন ছিল না , কিন্ত ওকে দেখে মনে হত থাকলে হয়ত এরকমই লাগত । এভাবে চলতে চলতে আম্মা একদিন জিজ্ঞেসা করলেন ,'কি রে ভাই পাতালি নাকি ?"
আমি হাসলাম ।"ওকে দেখে তোর কিছুটা অন্যরকম লাগেনি ? হাত কেম্নে যে নাড়ায় , কিভাবে জানি কথা বলে --''
" আরে সবাইতো একটু নিজের মতই হয় । আবাক হচ্ছ কেন ?"
কিন্ত নিজের মনে আমারও জিজ্ঞেসা , ওর মধ্যে কি যেন একটা অদ্ভূত ব্যাপার আছে । আমার মনে প্রশ্নটা ঘুর ঘুর করে , সংকীর্ণতার দোহাই দিয়ে চাপিয়ে রাখার চেষ্টা করি । কিন্ত একদিন সামনের দোকানের সামাদ চাচা বললেন ," ভাইস্তা তোমার লগে বিল্ডিং র আরেকখান পোলা দেখি মাঝে মইধ্যে ।শুকনা কইরা , আমার দোকানেও আসে ।"
" কে সজিব ? নাকি দূর্জয় ?আমার ঘাড়ের সমান লম্বা ? "
" হু বাবা । দোকানেও আসে । তয় পোলাটা একটু অন্যরকম লাগে , তোমার মনে হয় না কি কও ?"
শুধু একজন নয় ।কয়েকজনের মধ্যে সেই একই প্রশ্ন - ও এমন কেন ? আমার জানার আগ্রহ যত বাড়ল ,আমি ততই জিনিসটা ভুলার চেষ্টা করলাম ।
একদিন সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম । তবে না জানলেই মনে হয় ভালো ছিল ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”

বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×