somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দ্বৈতস্বত্তা ( দ্বিতীয় অংশ )

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাসায় কাজ করছিলাম । হঠাৎ সাইলেন্ট করা সেটে ওর মিসকল । কল ব্যাক করলাম কিন্ত ধরার নাম গন্ধ নেই । ভাবলাম , কয়েকদিন দেখা হয় না ,ওর কাছে যাই , কাজটা থেকে ব্রেকও নেওয়া হল । নামার সময় সিড়ির গোড়াতেই দেখতে পেলাম ওকে । যা দেখলাম এখনো মনে পড়লে রক্ত ঠান্ডা হয়ে যায় । ওর শরীর খিচুঁনীর রোগীর মত কাপছে , শক্ত হয়ে আছে ।চোখে মুখে দানবের সাথে যুদ্ধের ভঙ্গি ।ওকে কিভাবে নিজে তুলে নিচে নামালাম জানি না, এরপর রিক্সায় সোজা হসপিটালে

বিশ মিনিট পরের কথা । ইতিমধ্যে আন্টিকে ফোন দেওয়া শেষ । ওর অবস্থা কিছুটা নরমাল , মুখে অক্সিজেন মাক্স । ডাক্তার, আমি ,নার্স সবাই চুপ , খালি দূরে কোন রোগীর স্যালাইনের টুপ টুপ শব্দ । সাথে ফিনাইল আর কর্পূরের বাজে গন্ধ ,আর সবার ভাবলেশহীনমুখ দেখে পুরাই বিরক্ত আমি । কেউ কিছুই বলার প্রয়োজন মনে করছে না । হঠাৎ নার্সকে কিছু বলে আমার দিকে ডাক্তার বললেন ,"আপনি গার্জিয়ান ?"
আমি অস্পষ্ট সুরে হু বললাম । উনি বললেন ," আপনাদের মত কেস লাইফে আরেকবার পেয়েছি । নিজে বড় ভাই বলে কি ছোটজনকে পাত্তা দেন না ? নাকি ওর সমস্যার জন্য ওকে পছন্দ করেনই না ? আপনারা কোন ডাক্তারের কাছে শুনে হরমোন দিয়েছেন ? ওভারডোজে পুরা নার্ভ সিস্টেমের চাপ বেড়ে গিয়ে টেম্পোরারি শকে চলে গেসে ।"
"হরমোন মানে ?"
"আরো কোন হরমোনের ড্রাগস নাকি ? জানেন তো সেক্স হরমোন পিউবার্টির এত পড়ে দিলে কি কি প্রব্লেম হতে পারে ? ওর ডাক্তার কে ? "
এই একটি কথার পর এতদিনের রহস্যর কুহেলিকা চোখের সামনে থেকে নিমেষে সরে গেল । আমি এত দিন কিছুই বুঝতে পারি নি !!!
"আমি ওর নিজের ভাই না। আর পুরো বিষয়টা ওর মা জানে । উনি আসুক ।"
সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতেই ওর আম্মা চলে আসল । কিছুক্ষন পর ওর অক্সিজেন মাক্স খুলে দেওয়া হল । ওকে দেখলাম , জানলা দিয়ে শূন্য দৃষ্টিতে বাহিরে তাকিয়ে আছে । সেখানে বর্ষার কালোমেঘের জমাট বাধা হতাশা । ওকে ডিস্টার্ব করার ইচ্ছা হল না ।আমি বসে মোবাইলে অযথাই গুতোচ্ছিলাম , স্মার্ট ফোন দিয়ে আর কিছু না হোক ,ব্রেন এনগেজ রেখে আশপাশ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আন্টি ফেরত আসলেন । উনার চোখমুখ কান্নার ছাপ , অবশ্য রেস্টরুম থেকে চোখমুখ ধুয়ে এসেছেন বোঝা যায় ।
“ওর কি অবস্থা ?”
“খেল একটু । এখন ঘুমাক । তুমি ওকে কিভাবে পেলে ?”
পুরো ঘটনা খুলে বললাম । উনি এক নাগাড়ে শুনে গেলেন । তারপর অখন্ড নিরবতা । দু জনেই হয়ত বলার কিছু পাচ্ছি না । আমি নিজে ভাবছি উনাকে কিভাবে দূর্জয়ের কথা জিজ্ঞেস করব , গত দু তিন মাসের খটকা এক ধাক্কায় ক্লিয়ার হয়ে যাওয়ার জিনিসটা নিজেই সামলাতে পারছি না ।
“বাবা , ডাক্তারের সাথে ত তোমার কথা হয়েছে । আমি জানি জিনিসটা হয়তো তোমার কাছে অদ্ভূত ঠেকেছে , হয়তবো আমারই আগে বলা উচিত ছিল । হাজার চেষ্টা করেও বলতে পারি নি ।যদি আসল সত্যটা জানার পর ওর কাছ থেকে দূরে সরে যাও ? তুমি দূর্জয়ের প্রথম বন্ধু , ও তোমাকে বড় ভাইয়ের মতই ভাবে , ওর কাছ থেকে তোমাকে আলাদা করার অধিকার কখনোই ছিল না। “
“আন্টি তবে কি ওর কোন হরমোনাল প্রব্লেম ? নাকি-“
“না বাবা । ও তোমাদের মতই । খালি দুটো সত্তা একসাথে । অর্ধেক মানব অর্ধেক মানবী ।“
উঠে যাব কিনা চিন্তা করলাম , কিন্ত সেটাও খারাপ লাগবে । এখন কি বলা উচিত আমার ? হঠাৎ আন্টি নিজের মনেই কথা বলতে লাগলেন । বলুক । ।বিশাল দায়মুক্তির ভার চেপে বসেছিল উনার উপর , কথাগুলো বলে নিজেও হাল্কা হতে চান ।
“ এলাকার আর দশটা মেয়ের মতই ছিল আমার জীবন । অনার্স পড়তে পড়তেই বিয়ে হয়ে গেল আমার । পাত্র ব্যাঙ্কে ভালো চাকুরী করে , বাবা মা সবাই খুশি , স্বামী একটু চুপচাপ হলেও স্বপ্নের মধ্য দিয়ে যেন ছ মাস কেটে গেল । একদিন টের পেলাম , আমার মধ্যে নতুন প্রাণ বাসা বেধেঁছে । আমাদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন । এরপর হাজারো কল্পনার মধ্যে দিয়ে এক দিন দুই দিন করে ডেলিভারীর ডেট ঘনিয়ে এল । হাসপাতালে ভর্তি হলাম । নরমাল বাচ্চা । বাচ্চা ক্লিন করার পর ডাক্তার আমার কাছে নিয়ে আসলেন , আমি চুপচাপ ওর দিকে তাকিয়ে থাকলাম । এত ছোট বাচ্চাটা আমার পেটে ছিল কিভাবে ? এখন দূনিয়াতেই বা সে কিভাবে এসে মানিয়ে নিল ? অ্যান্সথেসিয়ার প্রভাব কিনা জানি না , একটা ঘোর লাগা অনুভূতির সাথে প্রথম নিজেকে সার্থক মনে হচ্ছিল ।যাক ও কথা । আমার হাসব্যান্ডের দিকে হঠাৎ চোখ পড়ল ,ও যখন কোন ঝামেলায় পড়ে ভ্রু এমনিভাবে কুচকে থাকে । তবে বাবুর কি কোন সমস্যা ? ডাক্তার কি কিছু বলেছে ? “ এভাবে কতক্ষ্ণ কেটে গেল মনে নেই । এক সময় ওর বাবা আমার কাছে এসে আসল কথাটা জানাল । আমার পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল । না ও আমার দিকে তাকাতে পারছে না আমি ।
সেদিন রাতেই ডিসিশন হয়ে গেল , কাল সকালে ওকে হিজড়াদের হাতে তুলে দেওয়া হল। পুরো সময়টা চুপচাপ থেকে আমি স্বামী , বাবা মা , দেবর ,ভাই সবার আলোচনা শুনে গেলামব । আমাকে কেউ জিজ্ঞেসা করার জন্য একবারও ভাবল না । শুধু বাবুকে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলাম । আমি কি করে ওদের বিরুদ্ধে যাব ? আজকে যার জন্ম , কাল ও আরেকটা সমাজের অংশ হয়ে যাবে ? কখনও নিজের বাবা মাকে জানবে না , চিনবে না ? ও খাবে কিভাবে , ঘুমাবে কিভাবে ?
সেদিন তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গেলাম । হঠাৎ রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেল । হাত বাড়িয়ে খুঁজলাম , কিন্ত ওকে না পেয়ে মন কেমন যেন করে উঠল । তবে কি রাতের মধ্যেই আমাকে না জানিয়ে সব করে ফেলল ? নার্সকে ডাক দিলাম । ওকে নাকি ইনফেন্ট্রি ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । আমি ওর কাছে নিয়ে যাতে বললাম । নার্স বলল আমার সেলাই তখনও ভালোভাবে শুকোয়নি , যেতে পারব না । আমি জোর করে উঠলাম । উঠার পর হালকা ব্যাথা টের পেলাম , তবুও দেখার জন্য মন আকুপাকু করছিল । ধীরে ধীরে ওর হাত ধরে ওয়ার্ডের দিকে এগুলাম । সব রুমগুলো প্রায় অন্ধকার থাকলেও এই রুমে দিনের মতই লাইট জ্বালানো । একে একে ঘুরতে ঘুরতে ওকে পেয়ে গেলাম । চারিদিকে তোয়ালে দিয়ে মোড়ানো , উপরের দিকে ছোট দুটি চোখ নিয়ে তাকিয়ে আছে , আর কোন সাড়া নেই । ওকে কোলে তুলে নিলাম । এত বাচ্চার মাঝখানেও ও সবার থেকে আলাদা আমার কাছে । ওকে না দেখলে যদি মন এত অস্থির করে তাহলে ওকে কিভাবে দিয়ে দেব অন্যের হাতে ?ওকে রুমে নিয়ে এসে ঘুমিয়ে পরলাম ।
সকালে উঠেই জানলাম , দূর্জয়কে নেয়ার জন্য কয়েকজন চলে এসেছে । বিছানার এক পাশে আমার হাসব্যান্ড বসে , ওর চোখে পানি ।কোলে থাকা বাবুর দিকে তাকিয়ে দৃষ্টি আড়াল করছে যেন ।
বললাম, “আমি ওকে ছাড়ব না ।“
ও আবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল ।আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করল । নিজের বাচ্চা ছেড়ে থাকলে কি ও নিজেও ভালো থাকবে? কিন্ত বাবু আমাদের সমাজের অংশ নয় , হতেও পারবে না ।ওকে কেউ স্বীকার করবে না ,ফ্যামিলীর কেউ রাজি হবে না এভাবে অনেক কিছুই শোনালো । কিন্ত আমি কেন ওকে আলাদা হতে দেব ? মানুষের কত বিকলাঙ্গ প্রতিবন্ধী বাচ্চা হয় তবুও তারা কি বাচ্চাদের আলাদা করে দেয় ? সেখানে আমার বাচ্চা পুরোপুরি সুস্থ , কোমরের নীচে একটু আলাদা বলে ওকে সারাজীবনের জন্য চোখের আড়াল করে ফেলব ?
এরপর যা হওয়ার তাই হল ।আমি আলাদা হয়ে গেলাম , একঘরে । প্রথমে শ্বশুরবাড়ি , পরে স্বামী । স্বামীর মনোভাব প্রথমে স্বাভাবিক ছিল , পরে সবার চাপে পড়ে আলাদা হয়ে যেতে বাধ্য হল ।
বাবার বাড়িতে এসে কখনো আগের ব্যবহার পাইনি । বাবা নাতিকে খুব ভালবাসতেন , অনেকেই হয়তো আমাকে মনে মনে সাপোর্ট দিত , অনেকে লুকিয়েও সাহস দিত, কিন্ত আশপাশের রক্তচক্ষুর ভয়ে কেউ সামনাসামনি এগিয়ে আসত না । এরপর থেকে মোটামুটি ও আমার জীবনের সবকিছু ।“
“আপনার স্বামী এরপর কখনোই কিছু করেন নি ? মানে নিজে থেকে বাবা হিসেবে ?”
“ক্লিনিক থেকে সোজা নিজেদের বাসায় গিয়ে উঠি । এরপর ওর বাড়ির হাজারো চাপে অনেকদিন ভালোই সাপোর্ট দিয়েছে । বাড়ির কেউ কিছু বললে চুপ করে থাকত , পরেরদিকে বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলো । এভাবেই মোটামুটি ভালই চলছিল ,খালি কেউ “ভাই , বাচ্চা কি ছেলে না মেয়ে ?” জিজ্ঞেসা করলে ওর মুখ কালো হয়ে যেত । ওকে ছেলে বলে অনেকদিন পরিচয় দিয়েছি । কিন্ত একবার ব্যাপারটা ফাঁস হয়ে গেল। বাড়ির চাপ আর আশেপাশের মানুষের আজব কথাবার্তা শুনে ও তখন প্রায় পাগলপারা ।এরপর ধীরে ধীরে সম্পর্ক ফিকে হতে লাগল । দূর্জয়কে ভুলে দুজনেই ঝগড়া আর ভবিষ্যত নিয়ে মেতে থাকতাম । আমি চাইতাম বিদেশে চলে যেত ,কিন্ত ও এখানে ওর ক্যারিয়ার ছেড়ে যেতে রাজি ছিল না ।
শেষে দুইজনই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলাম । তখন দূর্জয়ের বয়স দুই । এরপর প্রায়ই মাঝে মাঝে ওকে দেখতে আসত । ও আবার একটা বিয়ে করল ।ঐ সংসারেও দুই মেয়ে আছে ।এখন খুব কম দেখতে আসে । অবশ্য আসলেও ওর দেখা পায় না ।ও বলে,’আমাকে আমার বোনদের সাথে দেখা করিয়ে দাও । তা না হলে আমাকে দেখতে আসবে না ।‘ বেচারার খুব বেশি দোষ নেই, দুর্জয়ের বোনদের নিয়ে আসতে চাইলেও এখনকার ওয়াইফের জন্য পারে না । শেষবার পুরো দিন ওর রুমের বন্ধ দরজার সামনে দাড়িয়ে ছিল ,তবুও খোলে নি । “
“ এরপর আমি সরকারী কলেজের লেকচারার পদে চাকুরী পেলাম । প্রতি বছর আমরা দুজন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ট্রান্সফার হয়ে যেতাম । না হলেও নিজেই করতাম ,এক জায়গায় বেশিদিন থাকলে যদি টের পেয়ে যায় । ও ধীরে ধীরে বড় হতে লাগল। স্কুলে ভর্তি হল । ওর চেহারার পরিবর্তন কিছুটা চোখে পড়ল সবার । সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হল কথা বলার স্টাইল আর দশটা ছেলের মত ছিল না । ক্লাস ফোর ফাইভে উঠে ছেলেরা টিজ করা শুরু করল । প্রথম প্রথম লুকিয়ে কাদত , পরে টের পেয়ে আমি সাহস দেওয়া শুরু করলাম ।এরপর ক্লাস এইটে উঠার পর একবার ক্লাসের ছেলেরা মিলে বাথরুমে নিয়ে যা করল আমার বলতেও লজ্জা করছে । ওই ঘটনার পর ছয় মাস ওকে রুম থেকে বের করে আনতে পারি নি । স্কুলে নালিশ দিলে কেউ কিছুই করে নি , বরং হেডমাস্টার ওকে সরিয়ে নিতে বললেন। ততদিনে ওই এলাকায় জানাজানি হয়ে গেছে । এলাকার হর্তাকর্তা আর সুশীলরা জানাল , আমার অদ্ভূত সন্তানের ছায়া তাদের ছেলেমেয়ের উপর পড়ুক তা তারা চায় না । এরপর ওই এলাকা ছেড়ে ট্রান্সফার নিলাম আরেক জেলা শহরে । সেখানেও একি অবস্থা ।আর ও ছেলেদের দেখলেই ভয়ে অস্থির হয়ে যেত ।পরে ওকে নিজে ইংরেজী শেখালাম । স্কুল না থাকায় আর আগ্রহ নিয়ে নিজেই রান্নাটা শিখে ফেলল । অফিস থেকে আসলে মা রান্না দেখে একটু হাসি দেবেন –এই জন্যই নিজে একাই সব তৈরী করত । বছরখানেক বাদে ঢাকায় ট্রান্সফার নিলাম এই ভেবে যে প্রাইভেটে ও লেভেল আর এ লেভেল দেওয়াবো । আর আঁকাআঁকি তো সাথে চলছেই । ঠিক করেছি , এ লেভেল শেষ হলে দেশের বাহিরে পাঠিয়ে দেব । অন্তত ঐ জায়গায়তো তো চেহারার আগে গুণ বিচার করে ।“
“আপনি একা থাকতে পারবেন ?”
“ কখনো মনে হয় পারব । কখনো মনে হয় সম্ভব না । নিজেও ওর সাথে যাওয়ার চেষ্টা করব । আর ও নিজেও তো কখনো আমাকে ছেড়ে থাকে নি । দেখা যাক সামনে । “
এরপর আমার দিকে মুখোমুখি তাকালেন ,” এখানে আসার পর বাবা তুমিই ওর জীবনের প্রথম বন্ধু । তার আগে কাছের বলতে আমাকে বুঝত । তোমার সাথে মিশে ও এখন অনেকটাই স্বাভাবিক । তোমাকে নিয়ে হাজারো গল্প তার। এমনকি ছেলে হওয়ার ইচ্ছা তৈরী হয়েছে ওর মধ্যে । এমনিতেও ছেলেদের বৈশিষ্ট্যই বেশি ছিল । এরপর ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর ওকে কিছু হরমোনের ঔষধ দেয় । দুবার সার্জারীও হয়েছে । কিন্ত এত বয়ে্সে হরমোন চেঞ্জ করতে গেলে কিছু সাইড ইফেক্ট পরবেই ,যেটা আজকে হয়েছে । বাবা , তুমি কিন্ত এখন ওর রোল মডেল । তোমার মতই হওয়ার স্বপ্ন দেখে ও । আজকে জানার পর তুমি ওকে ছেড়ে যেও না বাবা !! প্লিজ ওকে একটু সঙ্গ দাও । এরপর ওর নিজের পথ ও নিজেই খুঁজে নেবে ।”
চোখের জল যে কখন গালে এসে শুকিয়ে গেছে নিজেও টের পাইনি ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”

বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×