somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিএনপিতে ফিরে যাবার ইচ্ছা পোষণ করেছেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ বীর বিক্রম।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে বিএনপিতে ফিরে যাবার ইচ্ছা পোষণ করেছেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তবে সেই জন্য বিএনপিকেও এলডিপির বেশ কিছু দাবি মানতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোবাবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘির পাড়ের নিজ বাসায় অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এলডিপি বিলুপ্ত করে I'm বিএনপিতে যাবার জন্য এখনো সেই রকমের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব আসেনি। তবে গত গত ৫ আগস্ট রাতে এমাজউদ্দীন আহমদ ও অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আমার ডিওএইচএসের বাসায় এসেছিলেন। এলডিপির যোগদানের বিষয়ে সেখানে আলাপ হয়েছে। তবে উত্তরে বলেছি, এটি শুধু আমার একার বিষয় নয়, রাজনৈতিক দলের বিষয়।তবে এটি সেই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। বিয়ষটি নিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন কিংবা দলটির মহাসচিব কেউই আমার সাথে এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। সেকারণে আমিও বলতে পারছিনা, আমরা বিএনপিতে একীভূত হচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি একটি বৃহৎ দল। তারা হচ্ছে আমেরিকার মত বড় দেশ আর আমরা হচ্ছি ভূটানের মত ছোট দেশ। সেই হিসাবে আমিতো আর বিএনপিতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান হয়ে যাব সেটি না। এলডিপি দেশের নিবন্ধিত পঞ্চম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। এই দলে সাবেক বেশ কয়েকজন এমপি-মন্ত্রী আছেন। প্রেসিডিয়াম এবং অঙ্গদলগুলোও অত্যন্ত শক্তিশালী। সুতরাং যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের মনোনয়ন তথা মূল্যায়নের জন্য আলোচনার প্রয়োজন আছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে তাদের মনোনয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। সেখানে আমারও একটা সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে তখন সেটি আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনার পর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিব।’
তবে সেই জন্য বিএনপিকেও এলডিপির বেশ কিছু দাবি মানতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোবাবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘির পাড়ের নিজ বাসায় অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যাবার জন্য এখনো সেই রকমের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব আসেনি। তবে গত গত ৫ আগস্ট রাতে এমাজউদ্দীন আহমদ ও অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আমার ডিওএইচএসের বাসায় এসেছিলেন। এলডিপির যোগদানের বিষয়ে সেখানে আলাপ হয়েছে। তবে উত্তরে বলেছি, এটি শুধু আমার একার বিষয় নয়, রাজনৈতিক দলের বিষয়।তবে এটি সেই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। বিয়ষটি নিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন কিংবা দলটির মহাসচিব কেউই আমার সাথে এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। সেকারণে আমিও বলতে পারছিনা, আমরা বিএনপিতে একীভূত হচ্ছি।’বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তরের দুই দিন আগে ২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপার্সন ও বিএনপির সিনিয়র ভাইসে চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে অলি আহমদসহ বিএনপির ৩১ জন সাবেক মন্ত্রী-এমপি দল থেকে বেরিয়ে এলডিপি গঠন করেছিলেন। প্রথম দিকে বিএনপির আরেক দলছুট নেতা সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিকল্পধারা গঠন করলে দুই দলই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুললেও অল্প দিনের মধ্যেই দূরে সরে যান বি চৌধুরী। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয় অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপিরও। বেশ কিছুদিন ধরে দলটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরীক হয়ে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভা নির্ভাচন নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন এলডিপি চেয়ারম্যান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা এলডিপির সভাপতি নুরুল আলম তালুকদার, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট কপিল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন লিপু প্রমুখ।


তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি একটি বৃহৎ দল। তারা হচ্ছে আমেরিকার মত বড় দেশ আর আমরা হচ্ছি ভূটানের মত ছোট দেশ। সেই হিসাবে আমিতো আর বিএনপিতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান হয়ে যাব সেটি না। এলডিপি দেশের নিবন্ধিত পঞ্চম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। এই দলে সাবেক বেশ কয়েকজন এমপি-মন্ত্রী আছেন। প্রেসিডিয়াম এবং অঙ্গদলগুলোও অত্যন্ত শক্তিশালী। সুতরাং যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের মনোনয়ন তথা মূল্যায়নের জন্য আলোচনার প্রয়োজন আছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে তাদের মনোনয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। সেখানে আমারও একটা সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে তখন সেটি আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনার পর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিব।’
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রের ভুলের মূল্য কি তবে শিশুদের জীবন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৪


যেকোনো দেশে শিক্ষিত নাগরিককে রাষ্ট্রের সম্পদ মনে করা হয়। তাদের জ্ঞান, বুদ্ধি আর অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র উপকৃত হবে, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সময় চিত্রটা যেন উল্টো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৬


শ্রদ্ধেয় ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত নিবেদন,
ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা দীর্ঘদিন ধরেই মনে জমে আছে। কথাগুলো কোনো অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং একজন সাধারণ ব্লগার ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫

'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×