somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» মোবাইলগ্রাফী-১৪ (আমার প্রিয় শরতের আকাশ)

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



শরতের আকাশ কে না পছন্দ করে। আর সবারই জানা এই ঋতুতে পেঁজাতুলো মেঘ সারি সারি, থোকা থোকা, থরে বিথরে সাজানো থাকে পুরো আকাশ জুড়ে। যদিও ঢাকা শহরে খোলা জায়গা না পাওয়া গেলে আকাশ দেখাটা বা ছবি তুলা দুরূহ হয়ে উঠে। আহা কি শুভ্রতা ছড়ানো পুরো আকাশ জুড়ে। গাঢ় নীল আকাশে শুভ্র মেঘেদের খেলা দৃষ্টি জুড়িয়ে যায়... প্রচন্ড খরতাপেও আকাশ দেখতে ইচ্ছে করে। রোদ চশমা ছাড়াই আমি আকাশ দেখি মুগ্ধ হয়েআকাশ দেখি। আকাশের প্রতি আমার আজন্ম ভালবাসা। প্রতিবারের মতো এবারও আকাশের অনেকগুলো ছবি তুলেছি। এবার ক্যামেরায় নয় মোবাইল দিয়ে (স্যামসাং এ সেভেনে তোলা) অনেকগুলো ছবি দুই পর্বে হয়তো শেষ করতে পারবো। এত সুন্দর আকাশ এবঙ তার ছবি ফেলে দিতে ইচ্ছে করে না। তাই দুই পর্বেই তাহলে দিয়ে দেই নাকি বলেন আপনারা .... বিরক্ত হলে আমি দায়ী নই কিন্তু। একটা আফসোস ঢাকা আসার পর আমি আর কাশফুল দেখিনি.... মন বড় খারাপ হয়। ১৫ বছর ধরে আমি কাশফুল দেখিনি sad

১। অভ্র, দেখো আজ তোমার আকাশটাকে আমার বৃত্তে বন্দি করে এনেছি। আহা-কি নীল পুরো আকাশ আমার। মুগ্ধতায় শুধু দেখেছি-আর টাচ স্ক্রীনের ক্যামেরায় ক্লিক ক্লিক আর ক্লিক। তুমি তো ভেবেই বসে আছো তোমাকে আর মেঘের খামে চিঠি লিখি না।



২। দেখো আজ আকাশটা কি সুন্দর -নীল আকাশ চাদর বিছিয়ে আকাশ ডাকছে হাত বাড়িয়ে। আর তুমি অভ্র বসে আছো নীলের বুকে থোকা থোকা -থরে বিথরে মেঘমালা সাজিয়ে। আমাকে দিবে মেঘের মালা পরিয়ে। আচ্ছা অভ্র তুমি আজ ভেলা হবে? এমন শরত বেলা আমি আর পাবো না । আমি ভাসতে চাই নীল শুভ্র ভেলায় নীল আকাশটার বুকে।



৩। পুরো সকালটা কেটেছে আজ শুভ্র অভ্রদের সাথে। আকাশের বুকে অভ্রদের খেলা সে যদি তুমি অভ্র দেখতে! আকাশসম প্রাসাদগুলো যেনো শুভ্র অভ্রদের ছুঁয়ে ছুঁয়ে ছিল। কি মনোরম দৃশ্য আহ্ এখনো যেনো মেঘেদের ঘোরে আছি। আকাশের বুকে এলোমেলো হাওয়ায় মেঘগুলো উড়ে উড়ে এখানে সেখানে জড়ো হতে থাকে। সেকি আর চোখ কে ফাঁকি দিতে পারে অসম্ভব। আমার বিমুগ্ধ চোখ দুটি আকাশের সাথে সেঁটে দিয়েছিলাম।



৪। অভ্র শুভ্র অভ্রদের ফাঁকে যখন রোদ্দুর খেলা করছিল । তখন আমিও অভ্র’র সাথে প্রেম প্রেম লুকোচুরি খেলেছি হাহাহাহা সে তুমি কিভাবে জানবে। মেঘের ফাঁক গলে আমি রোদ্দুর ঝরে পড়েছিলাম সবুজ গাছের পাতার বুকে। তখন সবুজ’রা আলতো দুলে উঠেছিল। এমন মুহুতগুলোতে অভ্র ছিল দূরে বহুদূরে। অভিমানে মুখ আমসি করে অভ্র শুধু রোদ্দুরকে মনে মনে অভিশাপ দিচ্ছিল হয়তো। অভ্র তোমার রাগী রাগী আর অভিমানি মুখটা তখন আকাশের নীলের বুকে লেপ্টে ছিল শুভ্র অভ্র হয়ে। এমন বেলা কেটে যায় আমার মুগ্ধতাদের ভিড়ে। আমি মুগ্ধ আবার মুগ্ধ ফের মুগ্ধ ঘুরে ফিরে মুগ্ধ।



৫। এতদিন পর আমি শরত পেয়েছি। থরে বিথরে সাজানো মেঘ পেয়েছি। নীল পেয়েছি গাঢ় নীল আহা। সেকি মনোহারী আকাশ আমার। কিন্তু আচম্বিতে শুভ্র মেঘগুলো আবার অভিমানি হলো-পুরো আকাশ কালো করে মুখটা বাংলা পাঁচ বানিয়ে আমার দিকে বাঁকা চোখে তাকিয়ে রইল ।



৬। আমি চুপসে গেলাম। আমিও তবে অভিমানি হলাম। মলিন মুখে মাথা নিচু করে হাঁটতে থাকি আর হাঁটতে থাকি। সহসা পুরো আকাশ জুড়ে শুভ্র অভ্র কালো অভ্র হয়ে মেঘে মেঘে ঘষনে বিদ্যুত চমকিয়ে আমাকে আতংকে রেখে শুভ্র অভ্র মিলিয়ে গেলো নীল আকাশ থেকে। আামার আকাশ হলো ধূসর-ছাই sad ।



৭। মুহুমুহু বজ্র নিনাদে মেঘেরা আমাকে তাড়া করে বন্দি করলো ঘরের নিজন কোণে। অভ্র রোদ্দুরকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো আর রোদ্দুরের চোখে ঝরতে থাকলো অঝোরে শ্রাবণ। রোদ্দুর কাঁদতে পেরে অনেকটা হালকা। সে আবার মুগ্ধতায় নিজেকে ফিরে পায় ।



৮। বৃষ্টি ছুঁয়ে সে মনে ফিরিয়ে আনে এক চিলতে প্রশান্তি। আর আকাশে জেগে উঠে ফের শুভ্র মেঘেদের আনাগোনা। এইতো রোদ্দুরের মুগ্ধতা। অভ্র -এটাকে তুমি চিঠিও ধরে নিতে পারো। উত্তর দিতে পারো এবার।



৯। রোদ্দুরের খামে ভরে দিলাম না না মেঘের খামে ভরে দিলাম অঘোষিত এই চিঠি অভিমানি সে অভ্র’র কাছে।-অভ্র আবার ফিরে আসুক এমন শরত হয়ে রোদ্দুরের চোখে। ভাল থেকো-ইতি রোদ্দুর।



১০। মেঘ, এজন্যই বুঝি রোদ্দুর আজকাল বড্ড তেজোদীপ্ত হয়ে জ্বলতে থাকে শহর জুড়ে। মনের জ্বালা মিটাতে রোদ্দুর জ্বালিয়ে দিচ্ছে বৃক্ষ তরুলতা সকল কিছু। আর তুমি কতটা নির্লিপ্ত হয়ে হারিয়ে গেলে অকালে অবেলায়।



১১। একবার জানিয়ে গেলেই পারতে অথচ তুমি এই কাজটি করনি। কি ভাবছিলে রোদ্দুর কেদে কেটে তোমার চোখে বৃষ্টি হবে। না রোদ্দুর ক্রোধের অনলে পুড়িয়ে মারবে তোমায় দেখে নিয়ো। রোদ্দুরের আগুনে পুড়ে তুমি মেঘ গলে যাবে। বৃষ্টি হবে আর ঝরবে তুমি ঝরবেই। ঝরা পাতার কাব্য হবে মেঘ তুমি।



১২। আচ্ছা তুমি কি খুব অহংকারী।আমার তাই মনে হয়। তা না হলে একবার হলেও উঁকি দিয়ে যেতে। কিন্তু তুমি তা করনি। আচ্ছা বলতো, মেঘ বড় না রোদ্দুর বড়। আমি জানি রোদ্দুর বড় কারণ তুমি তো শুধু আকাশটাতে থাকো আকাশ আর কতদূর হাহাহা দৃষ্টি বাড়ালেই তার সীমানা দেখা যায়। আর রোদ্দুরের কিন্তু কোনো সীমা রেখা নেই। সে মাঠে ঘাটে পুকুরে জলে নদী নালায় আকাশে বাতাসে বৃক্ষ তরুলতায় বাড়ি ঘরে পাহাড় ঝর্ণায় সব জায়গাতেই তার একছত্র অধিকার হাহাহা।



১৩। মেঘের নাকে ঘুষি মারবো
গালে ধরে টানবো
ঢেঁকির মাঝে ফেলায় তোরে
ঢেঁকিতে ধান ভানবো।



১৪। এখন বল কে বড়। তোমার উপর খুব রাগ হয়েছে। ইচ্ছে করতে মেঘের কানের গোড়ায় এক ঘা লাগিয়ে দেই তখনই সব অভিমান ধূলায় মিশে যাবে।



১৫। চিঠির উত্তর পাইনি মেঘ-তাই আচ্ছা করে বকে দিলাম - এই যে দেখো কেমন করে বকলাম হাহাহাহা... নিচে চোখ রাখো তো দেখি



১৬। মেঘের চোখে গুতা দিমু
কান লতিতে টোকা
বুঝবি তখন বুঝবিরে মেঘ
তুই যে কত বোকা।

অভিমানের ডিব্বা খুলে
দূরে বসে আছিস
না জানি তুই কার আকাশে
আনন্দেতে ভাসিস।



১৭। মেঘের পায়ে ল্যাং মেরে যে
ধরায় দিব ফেলে
আটার খামি বানায় তোরে
ফেলব রুটি বেলে।



১৮। সাদা মেঘ’রে কালো করবো
মাখায় দিবো কালি
ছুরি দিয়া কাটবো দেখিস
করবো ফালি ফালি।



১৯। খুব রাগ হচ্ছে মেঘের উপর । কেনো রাগ হচ্ছে জানিনা। রোদ্দুর তো জানেই মেঘ স্বার্থপর সে কখনো এক আকাশে থাকে না বা তার রং একই থাকে না।মেঘ তার রং বদলায়। মেঘের ডানা আছে-মেঘ উড়তে পারে। মেঘ কখনো ঘুড়ি হয় , নাটাইবিহীন ঘুড়ি, কখনো সে পাখি হয়,রংবেরঙের ডানা মেলে মেঘ উড়ে বেড়ায় এক আকাশ থেকে অন্য আকাশে।



২০। মেঘ কখনো পেজাতুলো মেঘ হয় তখন মেঘ থোকা থোকা থরে বিথরে সাজানো আকাশ শোকেশে থাকে। আবার ডানা মেলে উড়ে যায়। মেঘ কখনো প্রজাপতি হয়-উড়ে বসে গিয়ে মোহের পুষ্পবৃক্ষে। অথবা সে হয়ে যায় ফড়িঙ-কারো বাড়ির আঙ্গিনার দূর্বাঘাসের ডগায় উড়ে বসে মেঘ।রঙিন ডানা নেড়ে হাত বাড়িয়ে ডাকে অন্য কাউকে মোহের আবেশে।



২১। কিংবা মেঘ হয় হেমন্তের কুয়াশা। কারো দখিন জানালার শার্শিতে মেঘ উড়ে গিয়ে বসে ধূয়াশা রূপে। অবশেষে মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে কাউকে শান্তি দিতে তার মনের চালায় ঝমঝমিয়ে মধুর সুরে। মেঘ কখনো রোদ্দুর ছুঁয়ে দেখেই না।



২২। তবে কিভাবে মেঘ রোদ্দুরকে ভালবাসবে উহু। এত জানি মেঘ সম্পর্কে তবু কেনো তার উপর রাগ হয়। সে জানি না বাপু। খুব মাথা ব্যথা তাই হয়তো রাগ বেড়ে গেছে। মাথার রগ ছিঁড়ে যাচ্ছে। কিন্তু চিঠি লিখতে হবে তাই লিখছি আর রাগ ঝারছি মেঘের উপর।মেঘের কাছে আমার চাওয়ার কিছু নেই পা্ওয়ার কিছু নেই। কিন্তু মেঘকে ভালবাসিতো।



২৩। তার বুকের ভেলায় ভাসতে খুব ইচ্ছে জাগে। তার শুভ্র পালকের নরম ছুঁয়ায় রোদ্দুর হতে চায় বিকেলের মিষ্টি রোদ্দুর অথবা শীত সকালের রোদ্দুর। কিন্তু এসবই আশায় গুড়েবালি। মেঘ পালিয়ে গেছে রোদ্দুরকে ছেড়ে। আর আসবে না মেঘ রোদ্দুরের আকাশে।



২৪। আজ তো বেশ ভাব ধরে আছ। পুরো আকাশ কালো করে মেঘ বুঝি এসিতে কাথামুড়ি দিয়ে ঘুমায় হা হা আমার তাই মনে হচ্ছে। সকাল থেকেই এমন বিবর্ণ আকাশ। এটা আমার আকাশ নয় যেনো... আবার গুড়্গুড় ডাকও শুনতে পাচ্ছি, কি মতলব তোমার বুঝি না বাপু! ঝরে পড়বে নাকি আচানক আমার চোখের পাতায়, এলোচুলের উদোম মাথায়... ভিজিয়ে দিবে এ অভিমানি মন আমার... মেঘ দেখো হাওয়া বইছে খুব মৃদুমন্দ, বেশ লাগছে সময়টা, তুমি হয়তো ঘুমে।



২৫। অভিমান করে মনে হচ্ছে ডাকবাক্সে হাত রাখছ না। বৃষ্টিতে ভিজে দেখ ডাকবাক্সে মরিচিকা পড়ে গেছে। তালায়ও পড়েছে বিরহের মরিচিকা... এক্টু যত্ন নিতেও জানো না,



২৬। এত অবহেলা করো কেন আমায়... ভেবেই বসে আছ আমি হারিয়ে গেছি তাই অন্য আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছ নির্দ্বিধায়। আমি কিছু বলব না, চাইব না আমি তুমি সানন্দে ভেসে বেড়াও কিন্তু আজ অন্তত ডাকবাক্সটা খুলো, চিঠি পড়ো কিন্তু। আজ আর নয় -সমাপ্তিতে রোদ্দুর।



২৭। পুনশ্চঃ ভাল থেকো সুখে থেকো, মনে না রেখো এই আমারে। সোনারও পালঙ্কের ঘরে লিখে রেখেছিলাম দ্বারে, যাও পাখি বলো তারে, সে যেনো ভুলে যায় মোরে


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:০৩
১৬টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গরীবের বউ সবার ভাবি

লিখেছেন অপলক , ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



৩৬ জুলাই আন্দোলনের পর অনেক আশায় ছিলাম। আশার গুড়ে বালি। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্ণর ড. আহসান এইচ মনসুর বুদ্ধিদীপ্ত প্ররিশ্রম করে ২০২৬ জানুয়ারীতে রিজার্ভে রেখে গেছেন ৩৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×