somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-৬)

১৬ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার_দেশ_আমার_অহংকার
ছুঁয়ে দিলেই স্নিগ্ধতা ঝরে পড়ে,
ধানের পাতায় পাতায় কেবল ভোরের শিশিরের খেলা
সাঁই সাঁই হাওয়া এসে কাঁপিয়ে দেয় ধানের শিষ'দের,
মুগ্ধতাগুলো এখানেই ঝরে পড়ে
আর আমার চোখে থাকে সেঁটে।

চোখের ক্যানভাসে এঁকে রাখি সবুজ রঙ প্রলেপে
আমার দেশের পতাকা,
এখানেই ধানেরা দুলে স্বাধীনতায়-সবুজের বুকে উঁকি দিয়ে,
আর সবুজ পাতার বুকে লাল ফড়িঙ উড়ে বসে স্বাধীনতায়,
ক্ষেতের আলে বসে, নাক টেনে শ্বাস নেই স্বস্তির।

২। #জিনিয়া_কাব্য
রঙ গোলাপী কন্যা'রে তুই-নাম কি তোর জিনিয়া
নিয়ে গেলি রঙ ছিনিয়ে-থাকি ক' কি নিয়া,
সবুজ পাতার বিছনার উপর-রাণী সেজে বসে
যাচ্ছিস বুঝি অহম মনে-রূপের অংক কষে?
বল্ না আমায় ও জিনিয়া
ভাবছিস বসে তুই কি নিয়া?
যৌবন বয়স তাই বুঝি তাই-উছলে পড়ে রূপ তোর
ফুটে থাকিস রঙ দেখিয়ে-একলা তুই রোজ চুপ ভোর।
রূপ বিলাচ্ছিস অহম মনে-বুক ফুলিয়ে তুই কি?
তোকে দেখে হিংসায় মরে-লতানো সেই পু্ঁই কি?
বল্ না আমায় ও জিনিয়া
মন নিবি কি মোর কিনিয়া?



৩। #শুনো_আমার_টিয়া_পাখি
রেগে গেলে আমায় নাকি-লাগে সুন্দর অতি
শুনে তোমার এমন কথা-হলাম প্রজাপতি।
প্রজাপতি মন যে আমার-উড়ে ঘুরে হাওয়ায়
দেখো তুমি মনোযোগে-বসে দখিন দাওয়ায়।
প্রজাপতি হতে হতে-মন হয়ে যায় পাখি
পাশে উড়তে মন বাড়িয়ে-যাচ্ছি তোমায় ডাকি!



৪। ভাঁটফুল_জীবন
ভাঁটফুলেরও কি ঘ্রাণ আছে! মিষ্টি কি তিতে!
তবুও মেঠোপথ জুড়ে ওরা সাদা আলো জ্বালিয়ে চোখ দেয় ধাঁধিয়ে
এখানেই যেনো গাঁথা আছে আমার জোনাক জ্বলা প্রহর,
ভেজা মাটির পথগুলোতে উঁকি মেরে মেরে ওরা চুপ দাঁড়িয়ে
সুন্দর বিলিয়ে ঝরে পড়ে পাপড়ি-লাল টুকটুকে ফল
পাতায় পাতায় বাসা বাঁধে জোনাক পোকার দল।



৫। ভালোবাসি_প্রভু_তোমার_সৃষ্টি
জল আয়নায় ক্লান্তি ছেড়ে দিয়ে আমি শান্তি কুঁড়াই
এই শহরের ইট সুড়কির পথে হাঁটলেই রোদ্দুর আমায় পুড়ায়-
খুব পুড়ায়-ঠিক দুপুর যখন!
আমি তখনো হেরে যাই না, ঝরা পাতায় চোখ রেখে মুগ্ধতা ছুঁই।
কষ্টগুলো ঝেড়ে ফেলে-গাছের ছায়ায় পথিক হই
আর আমার প্রভুর সৃষ্টির সুন্দর উপভোগ করি নি:শ্বাস টেনে।
এই যে চোখের আলো-আল্লাহ তোমার দান
দৃষ্টিতে দিয়েছো আলো-আর এই প্রকৃতি জুড়ে দিয়েছো মুগ্ধতার রঙ
কি করে বলো চোখ ফেরাই নিরস বদনে!
নীল আকাশ করে দাও কখনো বিবর্ণ
কখনো ভরে দাও নীলে
আবার কখনো শুভ্র মেঘেদের ছেড়ে দাও আকাশের বুকে!



৬। সূর্যমূখী নোস কি-রে তুই -যেনো সূর্যমূখী
হেসে থাকিস ঠাঁয় দাঁড়িয়ে-মুখটি করে সুখি।
হলুদ রঙের শাড়ি পরে-সেজে থাকিস হেসে
যায় না থাকা তোকে বাপু-ভালো'টা না বেসে।
খয়েরি টিপ কপালেতে-হলুদ চুড়ি হাতে
সূর্যমুখী কন্যারে তুই-ফুটিস কি রোজ প্রাতে?
নাম দিলাম তোর হলুদ কন্যা-হলুদ বরণ রঙে
থাকিস সেজে রোজ বিকেলে-চোখ বাঁকিয়ে ঢঙে।



৭। #এসো_বসি_সভ্যতা_ছুঁয়ে
দু'দন্ড শান্তি না হয় এখানেই পেয়ে যাই-
দৃষ্টিতে মুগ্ধতা না থাকলে সব রঙ বিবর্ণ ছাই,
বিকেল ছুঁয়ে চলো বসি শান বাঁধানো ঘাটে
জলে পা ডুবিয়ে-ছুটি দিয়ে সকল কর্ম পাঠে!
ব্যস্ততার নাও খানা দাও ডুবিয়ে দাও এবেলা
মুগ্ধ প্রহর আসে না হরপল-করো না অবহেলা।
মুগ্ধ হয়ে তাকাও
মনে এক লহমা সুখ আঁকাও
বন্ধ চোখে দেখো তুমি আমি ফিরে যাই সেই সভ্যতায়
এখানে নেই আমি তুমি-সেই সেই রাজকুমার তুমি
বেঁধে রেখেছো আমায় প্রেম সূতায়!



১০। আবোল_তাবোল_ইচ্ছে
লাল ফড়িংয়ের দেশে লো-নীল ফড়িংয়ের দেশে
কে কে যাবি সঙ্গে আমার-আয় না হেসে হেসে লো
আয় না হেসে হেসে!
সবুজ ঘাসের ডগায় ডগায়-ফড়িং বসে রোদ পোহায়
বুনোফুলের ঘ্রাণে মাতাল-কি মায়াবী মোহ হায়...
যাই ভেসে যাই সুখে লো
আমি যাই সুখে যাই ভেসে।
এই যে আমার সোনার দেশে বৃক্ষ তরুর ছায়ায়
সুখাবেশে ধরে রাখে খুব মায়ায় লো
রাখে ধরে খুব মায়ায়।



সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১১
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রম্যরচনাঃ ক্যামেরা ফেস

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৫৯


খুব ছোট বেলায় আমাদের শহরে স্টার স্টুডিও নামে ছবি তোলার একটা দোকান ছিল। সেটা পঞ্চাশের দশকের কথা। সে সময় সম্ভবত সেটিই ছিল এই শহরের একমাত্র ছবি তোলার দোকান। আধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবাসন ব্যাবসায় অশনি সংকেত

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১১ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২২




জুলাইয়ের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেল একটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের । তারা ৫০ পারসেনট কমে ফ্লাট বিক্রি করছে । মুখ চেপে হাসলাম এত দুঃখের মাঝেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রৌপ্যময় নভোনীল

লিখেছেন স্বর্ণবন্ধন, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯


একটা অদ্ভুত বৃত্তে পাক খাচ্ছে আত্মা মন,
বিশ্বকর্মার হাতুড়ির অগ্ন্যুৎপাতে গড়া ভাস্কর্যের মতো গাড়-
হাড় চামড়ার আবরণ; গোল হয়ে নৃত্যরত সারসের সাথে-
গান গায়; সারসীরা মরেছে বিবর্তনে,
জলাভুমি জলে নীল মার্বেলে সবুজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

""--- ভাগ্য বটে ---

লিখেছেন ফয়াদ খান, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

" ভাগ্য বটে "
আরে! সে কী ভাগ্য আমার
এ যে দেখি মন্ত্রিমশায় !!
তা বলুন দেখি আছেন কেমন
চলছে কেমন ধানায় পানায় ?
কিসের ভয়ে এতো জড়োসড়ো
লুকিয়ে আজি ঘরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ‘অন্তরবাসিনী’ উপন্যাসের নায়িকাকে একদিন দেখতে গেলাম

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১১ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪২

যে মেয়েকে নিয়ে ‘অন্তরবাসিনী’ উপন্যাসটি লিখেছিলাম, তার নাম ভুলে গেছি। এ গল্প শেষ করার আগে তার নাম মনে পড়বে কিনা জানি না। গল্পের খাতিরে ওর নাম ‘অ’ ধরে নিচ্ছি।
বইটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×