somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» মানুষ, ভুত পেত্নি জীন সাপ দেখতে হলে ঢুকে পড়ুন নির্দ্বিধায়..(ফান পোষ্ট)

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১। দাদী বুড়ি :D



©কাজী ফাতেমা ছবি
=ফ্রেমবন্দির গল্প=
নেই কাজ তো খই ভাজ্, যদিও আমার ক্ষেত্রে কথাটা সত্য না। কাজে কামে ব্যস্ততাতেই বেশী থাকতে হয়। কিন্তু বুড়া বেডি আমি মন যেনো এখনো কুড়ি এইডা কিছু হইলো। কখন যে কী দুষ্টুমি মাথায় আসে হাহাহা। বাচ্চারা বলে আমাদের দুষ্টু মা। তা-মীমকে ভাত খাওয়াচ্ছি একদিন। এক লোকমা মুখে নিলে আরেক লুকমা নিতে চায় না। বেশ বিরক্তিকর অবস্থা, আধা ঘন্টা এক ঘন্টা ধইরা পোলারে ভাত খাওয়ানোর মাঝে কী আর মজা আছে কষ্ট ছাড়া হুহ। আমরা ছোডোবেলা এত বদ আছিলাম না, এইডা সিউর কইতে পারি।

তো সেদিন বিছানায় বসে আনমনা যখন হইছি বিছানায় তাকিয়ে, আরে একি! এযে দেখছি সব মানুষের মাথা। একটা ফুল দুইটা ফুল, খালি মানুষ আর মানুষ। ফাইজলামির সীমা নাই। ধ্যানে জ্ঞানে এখন খালি মানুষ খুঁজতাছি হাহাহা। যেদিকে তাকাই খালি মানুষ আর মানুষ। তা-মীমরে ছবি তুলে দেখাইছি এখন দেখি সেও মানুষ খুঁজে।

অবশেষে মোবাইল দিয়া সবগুলার ফটো তুললাম আর ভাবলাম এই দুষ্টুমিগুলো আমি একা কেনো দেখবো সবাইরে দেখাবো। ফটো তু্‌ইলা আবার পেইন্টে গিয়া দিলাম চোখ লাগাইয়া হাহাহা হয়ে গেলো মানুষ, প্রেত, ভুত পেত্নি, সাপের মাথা, জীন হাহাহা। আসল কথা হলো যেকোনো বিষয়ে মজা পেতে হয়। দেখার মত চোখও লাগে। সবাই সব কিছু দেখতে পারে না। যদি না তার একটা সুন্দর মন থাকে।

সব সময়ই আমরা কাজে ব্যস্ত থাকি। আড্ডা দিতে গল্প করতে, প্রতিবেশীদের কাছে যেতে সব ভুলে গেছি। সবাই ব্যস্ত এই শহরে। এমন কি এক পরিবারে থেকেও যেনো সবাই পর পর। আমি আবার ব্যতিক্রম। আমি যেমন ব্যস্ত থাকতে জানি তেমন সুন্দর উপভোগ করতে পারি। আমার এ স্বভাব আমার দুই ছেলে পাইছে মনে হয়। আকাশে সাদা মেঘ দেখলেই ডাকতে শুরু করে মা মা এসো আকাশ দেখবে। তেমন রাতে চাঁদ উঠলেও ডাক পারে মা মা চাঁদের ছবি তুলবা না।

আর এদিকে তাসীনের বাপ বদ বেটা এসব পছন্দ করে না হাহাহা। কয় ছেলেমী বাচ্চামি, এসব সহ্য হয় না ধুচ্ছাই কইয়া উড়াইয়া দেয়। আরে বেটা তোমার পছন্দ না বইলা আমি ফটো তোলা বন্ধ করুম নাকি হুহ। সে কয় কী যা দেখে তাই ছবি তুলন লাগে......শুকনা ........টা দেখলেও ছবি তুলে। এসব শুনে দুই পোলা হাসে। এইজন্য এই বদ বেটার সাথে বেড়াইতে যাইতে মন চায় না। এই ছবিগুলো যদি দেখে ঠোঁট বেকাইয়া হাসবো আর কইবো সংসারের কাজে মন দাও, বাচ্চাদের জন্য রান্না করো গা। ইশ.. রান্না বান্নায় আমার মন নাই হেইডা কী আপনে বুঝেন না মিয়া। পারলে রাইন্ধা খাওয়ান আমারে আর আমি ছবি তুলি আর কবিতা লিখি হাহাহাহা।

এই হলো কাহিনী, আমার একটা স্বভাব হলো লিখতে বইলে খালি লিখি আর লিখি। কই থন কই যাই নিজেও জানি না। কখনো প্রথম লাইন দেখে শেষ লাইন কী লিখবো তা দেখি না বা ভাবি না। লেখা যেখানে গিয়ে থামতে কয় সেখানেই গিয়ে থামি। তাই আমার লেখার আগামাথা নাই। তবুও অনেকেই আমার লেখা পছন্দ করে। একদিন আমার কলিগ জিগাইলো আপা আপনার কবিতার বই কয়টা বিক্রি হইছে। আমি বললাম ৩৫ এর মত। তখন উনি বললেন আপা লেখার স্বার্থকতা এখানেই । যদি একজন লোকও মনোযোগ দিয়ে আপনার লেখা পড়ে তাতেই আপনি খুশি হবে। এই ভাগ্যও অনেকে পায় না। তার কথা শুনে মনটা কৃতজ্ঞতায় ভরে গেলো। লেখায় সাহস পাইলাম হাহা।

আজকে আর কবিতা লিখলাম না। তাই বইলা কবিতা মনের মধ্যে গুতাগুতি করে নাই তা কিন্তু নয় । আজকে হলো ফান পোস্ট । শুধু ফান আর ফান। কবিতা অবশ্য ফানও লিখা যায় কিন্তু লিখতাম না। এখন ছবি দেখেন, আর ক্যাপশন কিতা লিখতাম কইয়া দেন। ফি আমানিল্লাহ। ভালো থাকুন সবাই।

২। ক্রিমিনালী হাসি মনে হয়



৩।েআরে বেটা জনসম্মুখে পাপ্পি দিবি নাকি, থাবড়াইড়া দাঁত ফালায় দিমু কইলাম



৪। আলাপ আলোচনা চলছে ভুত পেত্নিদের মাঝে



৫।ঠোঁট মোটা ঝগড়াইট্টা মহিলা



৬। পাখি সাপওয়ালা



৭। পাতার আদর



৮। ঠোঁট মোটা ঝগড়াইট্টা নর



৯। ইহা একটি সাপ



১০। সমজোতায় সুন্দর জীবন , কিন্তু বুঝে না সে বুঝে না



১১। ভুতের আড্ডাখানা



১২। প্রেমালাপ অতপর ছেড়ে যাওয়ার ক্ষণে বিষণ্ণ মুখ



১৩। মানুষ আর মানুষ



১৪। ডাকাতির ফন্দি আঁটার মুহুর্ত



১৫। দে দে কপালেটে দে পাপ্পি হাহাহাহা ....



১৬। বলে দে মাটির পৃথিবী কোথায় শান্তি আমার জীবনে...



১৭। রঙ্গ ব্যাঙ্গ আর দুষ্টুমি মুহুর্ত....



১৮।নাক মোটা মানুষ



১৯। সুখের হাসি



২০। কইলাম কপালে তুই দেহি গালেই হামলে পড়লি.......ভালা । লাভিউ



২১। আরেকটা সাপ পাইছি



২২। ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা.........



২৩। আসলে ইহা একটি বিছানার চাদর



চাদর বহুত পুরাতন, বাচ্চাদের ঘরে চাদর মাদর কিছু ঠিক থাকে না। সারাদিন আওলা ঝাউলা থাকে। তামীম কলমে একে একে সব চাদরের বারোটা বাজায় ছাড়ে। আর বেটারে বইয়া ভাত খাওয়াই আর ভাত তরকারীর মাখামাখি। যাই হোক চাদর ময়লা টয়লা আছে এ নিয়া কথা ছাড়ুইনা যে কেউ। আজকের মত আসি। বাচলামি বহুত হইছে। সালাম সবাইকে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫
১৬টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×