বহুদিন পড়ে এ বিষয়টা নিয়ে লেখার কিছু পেলাম। শিক্ষার্থীর বাসায় রীতিমতো পড়াতে গেলাম.......... এই বছর নবম শ্রেনীতে উঠেছে......... মানবিক বিভাগের...... প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল আশাব্যঞ্জক হয়নি ফলে শিক্ষার্থীর সাথে শিক্ষককেও শাস্তির খাতায় এক কাতারে দাড় করানো হলো........
শিক্ষার্থীর মাতা আমার কাছে এমন ফলাফল ধসের হেতু জানিবার ইচ্ছা প্রকাশ করিলে..... এই অবুঝ ও নির্বোধ শিক্ষক পাশ কাটিবার সুযোগ হইতে বঞ্চিত হইলো , বহু ইতস্তত বোধ করিয়া অবশেষে তাহার জবানের মরিচা পড়া তালাটি কাহারো চাপ উপলব্ধি করিয়া খুলিতে বাধ্য হইলো.....
জ্বী আন্টি, গত দুমাস যাবৎ আমি লক্ষ্য করিয়াছি ছাত্রী মোর পড়াশোনায় মনযোগ দিতে অপারগ, বহু চেষ্টা করিয়াও আমি তাহার মনযোগের তিল পরিমান সন্ধানও পাইনি, একপ্রকার অতিষ্ঠ হইয়া অবশেষে যখন সিদ্ধান্ত গ্রহন করিতে যাইবো....... তাহাকে আমি আর বিদ্যা দান করিবোনা, ঠিক তৎক্ষণাৎই সে এই অপকর্মটি সাধন করিয়া আমাকে বিপাকে ফেলিয়াছে......... তাহার এহেন অপকর্মের সহভাগীদার হইয়া নিজকে খুব অপমানিতববোধ করিতেছি.........
আড়ষ্ট সুরে শিক্ষার্থীর মাতাকে দেয়া বক্তব্যে, ছাত্রী ব্যাপক নাখোশ তাহা তার অগ্নিবর্ণ মুখমন্ডলী দেখিয়া আচ করিতে পারিয়া .... বক্তব্য দীর্ঘায়িত করা থেকে বিরত হইলাম....
... ছাত্রীর মুখমন্ডলীদেখে বুঝা যাইতেছে "" মাতাকে অন্দরে যাইতে দিন, তাহার পর আপনাকে কাঁচা খাইবার পরিকল্পনা করিয়াছি""
হঠাৎ করিয়া চুপ মেরে যাওয়াতে.. মাতার মনে কিঞ্চিৎ সন্দেহ জন্মাইবার অবকাশ এড়ানোর উদ্যেশ্যে....... বলিলাম ........ আজ আমি চলিলাম...... কাল থেকে এর একটা ব্যাবস্থা গ্রহন করিবার প্রয়াশ চালাইবো....... আসসালামু আলাইকুম......... শিক্ষার্থী ও তাহার মাতা আমার গমন পথে ফ্যাল ফ্যাল করিয়া কিছুকাল চাহিয়া ছিলো বোধ করি।
রাস্তায় এসে বোধ করিলাম...... ভিতরে প্রচন্ড গরম ছিলো......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

