somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"জয় বাংলা" শ্লোগান ষড়যন্ত্র

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৩:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(১) "জয় বাংলা" শ্লোগানকে পরিকল্পিতভাবেই মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে বারংবার।
এর কারন কম বেশী আমাদের সবারই জানা আছে।
তবে দোষের সিংহভাগটি '৭৫ পরবর্তী প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপরই চলে আসে।
কারন, '৭৫ পরবর্তী শাসকরা সেনাছাউনী থেকেই ক্ষমতায় এসেছিলেন এবং "জয় বাংলা" শ্লোগানটিকে আস্তাকুঁড়ে ছু্ঁড়ে ফেলে প্রচলন করেছিলেন "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ"!
ঐ সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর সকল পর্যায়ে অনুষ্ঠিত রিক্রুট প্যারেড, বিএমএ প্যারেড, বিজয় দিবস প্যারেড, স্বাধীনতা দিবস প্যারেড অর্থাৎ সব প্যারেডের শেষ সিকোয়েন্সে থাকতো জাতীয় ধ্বনি "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ"!
অপরদিকে এই "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ" শ্লোগান ব্যবহার করতো বিএনপি, যা এরশাদের জাতীয় পার্টিও অনুসরন করেছে পরবর্তীতে।

"জয় বাংলা" উচ্চারণ কেবল আওয়ামীলীগের একঘরে শ্লোগান হয়েই বেঁচে রইলো, ঐ সময়ে, খুব ম্রিয়মান !
এমনকি এদেশের সাধারন মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধারাও ঐ সময়ে "জয় বাংলা" উচ্চারণ করতে ভয় পেতো।
বেশ কৌশলে মসজিদ মক্তবের মাধ্যমে মহল্লায় মহল্লায় ছড়িয়ে দেয়া হলো, "জয় বাংলা" হিন্দু বিধর্মীদের ধ্বনি এবং এটা উচ্চারণ করলে কঠিন গুনাহ হবে।

এটা ছিলো পাকিপ্রেমীদের একটা সুদূরপ্রসারী নিরেট ষড়যন্ত্র !!!

প্রার্থনা তাই; পাকিপ্রেমী মুক্ত বাংলাদেশ চাই...


(২) মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার,
স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার হাতিয়ার,
আমাদের চিরন্জ্ঞীব চেতনা।

বেসামরিক মুক্তিসেনার তুলনায় চাকুরীরত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাই বেশী ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো দেশমাতৃকার মুক্তির জন্যে, সেই অসম লড়াইয়ে।
কৃতিত্বের সিংহভাগ সেনাসদস্যদেরই, স্বীকৃত।

কিন্তু কতেক মুক্তিযোদ্ধা এবং অমুক্তিযোদ্ধা সেনাশাসকের যুদ্ধ পরবর্তী কর্মকান্ডই আজ এই গর্বের অর্জনকে ম্লান করে তুলেছে, মানুষকে করেছে সেনাসদস্যদের প্রতি সন্দিগ্ধ !

চরিএ বদলে ফেলার এই সস্তা প্রকাশই আজ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ইন্টিগ্রিটি নিয়ে তীর্যক দৃষ্টিপাতের এক অমোঘ অস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছে বেসামরিক বলয়ে।

এটাও ছিলো পাকিপ্রেমীদের আরেকটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র !!!

আবেদন তাই; পাকিপ্রেমী মুক্ত সশস্ত্র বাহিনী চাই...
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাষণময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১


বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×