তুরষ্কের সাম্প্রতিক সেনা বিদ্রোহ, এর ব্যর্থতা এবং এরদোগান চাচার জয়জয়কার বিশ্ববাসী একটু ভ্রু কুন্চন করেই দেখছেন।
এরদোগান চাচার খেলাটি অনেকে আঁচ করতে পারলেও চুপটি থাকছেন, থাকছেন কৌশলগত অবস্থানে।
অবশ্য সাহস করে অনেকেই তাদের সন্দেহের বিশালতা কিন্চিতাকারে উপস্থাপন করেছেন, নিজেদের ওয়ালে।
উনাদেরকে অনেক সাধুবাদ জানাচ্ছি..
প্রকারান্তরে; এটা যদি তুর্কী সেনাবাহিনীর সত্যিকারের ব্যর্থতা হয়, আমাদের সেনাবাহিনীর ৯৬'র ঘটনার মতো (যদিও আমাদেরটা রক্তপাতহীন ছিলো), তাহলে তুর্কী সেনাবাহিনীকে শীগগীরই খোল নলচের মধ্যে গ্রোথিত হয়ে যেতে হবে।
এটা তুরষ্কের গনতান্ত্রিক বা স্বৈরাচারী বেসামরিক রাজনৈতিক দলগুলোর জন্যে আতরের গন্ধযুক্ত খবরের মতো, পাকিস্তানের নৈরাজ্যবাদী সেনাবাহিনী তাড়িত ও আস্থাসংকটে জর্জরিত রাজনৈতিক দলগুলোর মতো ৫০/৫০ নয়।
৯৬'র সেনা বিদ্রোহের ঘটনার একজন প্রত্যক্ষকারী হিসেবে বলতে পারি যে; তুর্কী সেনাবাহিনীর আজকের এ ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা আমাদের সেনাবাহিনীর আছে আরো ২০ বছর আগেই।
সুতরাং, দেশে বিশৃঙ্ক্ষল পরিস্থিতি উদগীরণে বিভিন্ন ঘটনার অবতারনা করে ৭১'র পরাজিত শক্তি আমাদের সেনাবাহিনীকে উস্কে দিয়ে আগামীকাল ক্ষমতা দখলের জন্যে ষড়যন্ত্রের যে জাল বিছানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে নিরন্তর, তা অতি উচ্চাভিলাষী দিবাস্বপ্ন মাএ।
কারন, আমাদের সেনাবাহিনী এখন অনেক পরিণত, উন্নয়নকামী, সুশিক্ষিত, অভিজ্ঞ, প্রতিষ্ঠিত এবং আকন্ঠ দেশপ্রেমী।
চন্দ্রবাবা-৬৭/২০.০৭.২০১৬
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




