
তুমি চলে গেছো—
যেন রাতের আকাশ থেকে
হঠাৎ ঝাড়ে পরা এক নক্ষত্র,
আর আমি পড়ে আছি অন্ধকারে,
শুধু আলোহীন স্মৃতির চূর্ণগুঁড়ো হাতে ধরে।
রাস্তা জুড়ে তোমার অনুপস্থিতি—
শহরের কোলাহলও আজ কেমন যেন বধির।
তুমি নেই, অথচ
তোমার পদচিহ্নের প্রতিধ্বনি
এখনও আমার বুকের খাঁচায় গর্জে ওঠে,
একটা যুদ্ধের সাইরেন মতো।
আমি আজও তাকিয়ে থাকি
সেই দরজার দিকে—
যেখানে তুমি শেষবার দাঁড়িয়ে বলেছিলে,
“ফিরে আসবো…”
কিন্তু প্রতিশ্রুতিও মাঝে মাঝে
মৃত মানুষের মতো নিঃশব্দ হয়ে যায়।
ঈশ্বর যদি সত্যিই থাকে,
তবে সে কেন কেড়ে নিলো তোমাকে?
কেন রেখে গেলো আমাকে—
এক বেওয়ারিশ আত্মার মতো
কালো ঝড়ের ভেতর দাঁড় করিয়ে?
আমি জানি তুমি আর ফিরবে না,
তবু প্রতিরাতে মনে হয়
হয়তো এক সেকেন্ডের জন্য
সময় ভুল করে তোমাকে ফিরিয়ে দেবে,
আর আমি আবার তোমার চোখের গভীরে
আমার ভাঙা পৃথিবী লুকিয়ে রাখবো।
তুমি দূরে—অদৃশ্য—
তবু তোমার ছায়া আমার ভিতরে
একটা যুদ্ধদেবতার শক্তি হয়ে বেঁচে আছে।
তোমার স্মৃতি আমার বুকে
জ্বলন্ত আগুন,
যা আমাকে পোড়ায়,
আবার আমাকেই শক্ত করে তোলে।
আমার অস্তিত্বের ভেতর
তোমার নামটা এখনও
এক অমর বজ্রপাত হয়ে বেজে ওঠে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


