somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গানের অনুভূতি - ০১

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১/

Frames - Don't Stay Here

একটা ভ্রমণে আছি - আমার আশেপাশে জমে থাকা বাতাসগুলোকে পেরিয়ে বের হয়ে গেছি শহরে। হাঁটছি, হাঁটছি - একটা ব্লক পেরিয়ে গেলাম; হাঁটছি, হাঁটছি - পেরিয়ে গেলাম স্কুল, কলেজ; আমি ছুটছি অজানার পথে। আমার তীব্র গতি আমি সামলাতে পারছি না - চোখ বুজলেই দিন আর চোখ খুললেই রাত, একটু একা বসে নিজের সাথে নিজে দুটো কথা কইলে সময় চিৎকার করতে থাকে। একটা ভ্রমণে বের হয়ে গেছি - আরও কিছুদিন, আরও অনেকদিন পর ফিরবো বাড়ি। প্রিয়, দূর থেকে একবার দেখতে পেলে দরজাটা তুমি খোলা রেখো...




২/

Low - Lullaby

নিচে ব্যস্ত একটা শহর এখনো ছুটে চলেছে তার গন্তব্যে। আর আমি অবশ - অন্ধকারকে কাঁধে নিয়ে বসে আছি বারান্দায়। জমে যাচ্ছি নিজের জায়গায় - ভাঙতে ইচ্ছে করছে আবার করছে না পায়ের জমাট বাঁধা বেড়ি। I feel the emptiness growing inside - আমি ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছি কোথাও..




৩/

Over The Ocean - I Will Be Silent

অনাগতা, সমুদ্রের কিনারে বসে আছি। জল ধরছে না আমার পায়ে - আমি তাকিয়ে আছি রাতের দিকে। রাত তাকিয়ে দেখছে তারা - তারা বসে আছে ছায়াপথে। ছায়াপথে কি হাঁটছো তুমি? এগিয়ে এসো, এগিয়ে এসো, সমুদ্রের কিনারে বসে আছি।




৪/

Ours Samplus - Over

খারাপ, ক্লান্তিকর একটা দিনের শেষে বা খারাপ একটা রাত্রি কাটিয়ে ভোর শুরু হবার আগে আগে এটা এমন দুর্দান্ত হয়ে যায় - আমি অবসন্ন দেহে চুপচাপ উপভোগ করি। এটা কান থেকে ধীরে ধীরে ছড়ায় পুরো মস্তিস্কে, আরামদায়ক, ছড়িয়ে যায় পুরো দেহে। এত আরামদায়ক লাগে, টুপ করে ঘুম এসে পড়ে আর ঠিক ঘুমানোর আগে মনে হয় - এভাবে মরে গেলে হয়তো খুব খারাপ লাগতো না। হাহাহা।

এটা rainymood এর সাথে কিন্তু দুর্দান্ত যায়!







(আমি গান নিয়ে বেশিরভাগ সময়েই পড়ে থাকি - রাতে। তখন কাজের সাথে সাথে গান নানা অনুভূতির জন্ম দেয় - এই মিউজিকগুলো আমায় নানা রকমের গল্প বলে। টেবিল ল্যাম্পের আলোয় বসে বসে আমি সিলিঙয়ের দিকে তাকিয়ে থাকি ক্লান্ত দেহে, এদের সাথে। এরা আমায় বাঁচিয়ে রাখে।

এগুলো রাতে গল্পটা বলে চিৎকার করে। রাতে শেয়ার করা উচিত ছিল। তবে রাতে মনে করে ট্রাই করে দেখতে পারেন।

প্রতিটা লিংকের শেষে কথাগুলো আসলে আমার অনুভূতি তখনকার। শোনার সময় মিলিয়ে নিতে পারেন, তেমন মনে হয় কি না আপনার।

দুটো লিংকই ইউটিউবের। ভালো লাগলে এমন কিছু আরও শেয়ার করবো।)
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×