মানুষের কল্পনা আর বাস্তবতা দুটোর মধ্যে অনেক প্রার্থক্য আর বৈষম্য রয়েছে। মূলত কল্পনা আর বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই। সম্পুর্ন অপরিপূরক। বাস্তবতার মুখোমুখি হলে অনেক বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। কারন এটাই হলো বাস্তব যে মূল বাস্তবিক জগতে সব কিছুই নিজের মতন করে গড়ে উঠেনা, পাওয়াও যায় না। বাস্তবতা অনেক কঠিন, ইট পাথর কিংবা নাইট্রোস অক্সাইড বা হাইড্রোমনো অক্সাইড এর চাইতেও অনেক কঠিন। এভারেষ্টের চূড়ায় ওঠার চাইতেও কঠিন। কল্পনায় সব কিছু নিজের মতন করে সাজিয়ে নেয়া যায়। চাইলে কল্পনা থেকে অনেক কিছুই বাদ দেয়া যায় জোড়া লাগানো যায়। বাস্তবে এরকম কখনো হয় না। যখন বাস্তবতা সামনে আসে তখন আমরা থমকে যাই, হতবাক হয়ে যাই। তখন পৃথিবী টা একদম অন্য রকম লাগে, যেন কি ভাবলাম সারা জীবন আর কি পেলাম । এর মাঝেই আমাদের লড়াই করে বেচে থাকতে হয়, নিজেকে গড়তে হয়।
এটাও ঠিক যে, অনেকে সহজে, কোনরুপ বাধা বিপত্তি ছাড়াই উপরে উঠে যায়, এখানে ভাগ্য বলে একটা কথা আছে। অনেকে আমার এ কথার সাথে একমত নাও হতে পারেন, কিন্তু এ বিষয় টা আমার নিজের দেখা। যেমন; একটা শ্রেনী কক্ষে ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকে কিন্তু সবার রোল নং ০১ হয় না। আমার অনেক বন্ধু আছে যারা প্রতিষ্ঠিত ভালো আয় রোজগার করে, আর আমি মামুলি ছোট খাটো একটা চাকরি করি। এছারাও আমার আরও বন্ধু আছে যারা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এটাই হলো বাস্তবতা , জানি না কে কিভাবে বাস্তবতা কে সংজ্ঞায়িত করবেন।
ছোট বেলায় স্কুলে আমাদের "এইম ইন লাইফ" নামক একটা রচনা পড়ানো হতো। সেখানে অনেকই ডাক্তার কিংবা ইন্জিনিয়ার হতে চেয়েছি। আসলে আদৌ কজন এরকম ডাক্তার কিংবা ইন্জিনিয়ার হতে পেরেছি। সত্য কথা হলো কল্পনাটা ফিকে পরে যায় বাস্তবতার গ্যারাকলে। কিন্তু মানুষ স্বপ্নের ভেলা না ভাসিয়ে বাচতে পারে না। মানুষ স্বপ্ন দেখে আশা করে বেচে থাকার, নতুন এক ভবিষ্যতের জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৭ রাত ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



