দেশের বর্তমান রাজনৈতিক দেওলিয়াপনা ও জিঘাংসামুলক প্রতিপক্ষকে গুম, হত্যা ও বন্দুক যুদ্ধের নামে ঠান্ডা মাথায় খুন করা দেখে একজন বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষই স্বীকার করবেন যে, এটি কোন সভ্য দেশের শাসক গোষ্টির কাজ হতে পারেনা।
প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে রাজনীতিকে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছেন যে, এখান থেকে সরাসরি শান্তিপূর্ন কোন পরিবেশ বিরাজ করা সম্ভব হবেনা। কারন এসব ক্ষেত্রে নিউটনের তৃতীয় সুত্র সফলভাবে কাজ করবে । বাবাহারা, ভাইহারা, স্বজনহারা সকল দিক থেকে বঞ্চিত মানুষগুলো অনুকুল পরিবেশ পেলে এর সফল জিঘাংসা চরিতার্থ করবেই। অন্তত তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতির ক্ষেত্রে এটা বলাই যায়।
তাই পুলিশী রাষ্ট্র কায়েম করে টুকু, হানিফ, মায়াসহ যে সকল সরকারী দলের নেতাকর্মীরা বিরোধী সকল মতকে দমন করে স্বস্তির ঢেকুর তুলছেন, তাদের বোঝা উচিত যে, শাসকদলের নির্বতনমুলক রাজনীতি একটি সময়ে শেষ হতে বাধ্য।
আকাশচুম্বী জনসমর্থনের পুরোধা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শাসনামলে কিছু নিবর্তন মুলক আইন পাশের মাধ্যমে এবং জনগনের আস্থার ভিত্তিমুলে আঘাত করার জন্য মাত্র সাড়ে তিন বছরের ব্যবধানে নির্মমভাবে ফলাফল দেখতে হয়েছে। শেখ হাছিনা তার বাবার কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য চমৎকার মেকিয়াভিলান রাজনীতি শুরু করেছেন। তিনি বিশ্বের চলমান কুটচাল অনুসরন করে নতুন ধারার রাজনৈতিক দমন পীড়নের যে কৌশল অবলম্বন করেছেন তা আজ না হোক কাল শেষ হবে। যেদিন শেষ হবে সেদিন তার দলের নেতাকর্মীদের পরিনতি সম্পর্কে তিনি উপলব্ধি করছেন না বলেই মনে হচ্ছে।
যাইহোক পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিবেশ যেন সালাউদ্দিন, ইলিয়াসের মতোই টুকু, হানিফ, মায়া, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীরা নিখোঁজ না হয়ে যান। ।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





