
পরম যত্নে পড়াশুনা চলছে। ছবি তোলার বিষয়টি অবশ্য তাদের অজ্ঞাতে হয়নি। ক্যামেরার সামনেই ছিল লাই তাতে অবশ্য ছবিটা বিশেষ মাত্রা পেয়েছে ---

মাংসের দোকানে চলছে মাংস কাটাকুটি, পাশেই চলছে পরোটা ভাজাভাজি ---

পুরনো ঢাকার জজ কোর্টের সামনে পাশাপাশি দুইজন, একজন বসেছে পুরনো দিনের টাইপরাইটার নিয়ে, আরেকজন বসেছে কম্পিউটার নিয়ে, কেউ আসে না টাইপরাইটারের কাছে আর, বিস্মিত হয়ে চাচা চেয়ে আছেন কম্পিউটারের দিকে---

মানুষের জুতোর দিকে তাকাতে তাকাতে সে ক্লান্ত, বিমর্ষ দৃষ্টিতে তাকাল আমার দিকে ---

ছবিটির ভাব বিমূর্ত ---

মনে হয় একটু লজ্জা পেয়েছে, খুশিও হয়েছে ---

তাকে তো আমার ‘মা’ মনে হল না, মনে হল এক ডাইনি শিশুকে বিকলাঙ্গ করে রোদে ফেলে ভিক্ষা করছে---

এক ঘষা দিয়ে নাম্বারে ডায়ল করে ফেললেন, ঘষা দেওয়ার স্টাইলটা আমি অবশ্য ধারণ করতে পারলাম না---

খুব সকালে মতিঝিল থেকে তুলেছিলাম ছবিটা ---

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ছবিটি তোলা, ক্যামেরা দেখে হাসি দিল সবাই। শেষে ফুল কেনার কথা অবশ্য মনে থাকলো না কারোরই, শখের ফেরিওয়ালা ক্যামেরাম্যানও ---

এটা অবশ্য শহরের ছবি নয়, ঢাকার অদূরের এক গ্রামের ছবি। ঐ দোকানে কিছু না পাওয়া গেলেও নানান রকমের ড্রিংক্স, বিশেষ করে এনার্জি ড্রিংকস পাওয়া যায়। ভ্যান রেখে যুবক একটি এনার্জি ডিংকস কিনে চুমুক লাগিয়েছে---

ছবিটাই তো ক্যাপশন ---

ধুকছে মানুষ, ধুকছে দেশ, এই যুবক যেন তারই প্রতিচ্ছবি ---

এটিও ঢাকা শহরের ছবি নয়। মাওয়া থেকে তোলা। পদ্মা নদীতে কিরণমালা ---

মাথার সমান ছাতা। এই ছাতার মাজেজা আমি ঠিক বুঝলাম না---

পরম যত্নে আমলকিতে লবণ মাখিয়ে দিচ্ছেন বিক্রেতা ---

এটি একটি খাম্বা বিল্ডিং। একটি রুমের উপর আরেকটি রুম, এভাবে সাতটি রুম উপরের দিকে উঠে গিয়েছে---

শহীদুল্লাহ হলের পুকুর। হঠাৎ দেখি ভাসমান কলাগাছের উপর একটি ছোট্ট কচ্ছপ---
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



