somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছবিগুলো ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২০১০ থেকে ২০১৫ ‘র মধ্যবর্তী সময়ে চলতি পথে তোলা (দ্বিতীয় পর্ব)

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পরম যত্নে পড়াশুনা চলছে। ছবি তোলার বিষয়টি অবশ্য তাদের অজ্ঞাতে হয়নি। ক্যামেরার সামনেই ছিল লাই তাতে অবশ্য ছবিটা বিশেষ মাত্রা পেয়েছে ---


মাংসের দোকানে চলছে মাংস কাটাকুটি, পাশেই চলছে পরোটা ভাজাভাজি ---


পুরনো ঢাকার জজ কোর্টের সামনে পাশাপাশি দুইজন, একজন বসেছে পুরনো দিনের টাইপরাইটার নিয়ে, আরেকজন বসেছে কম্পিউটার নিয়ে, কেউ আসে না টাইপরাইটারের কাছে আর, বিস্মিত হয়ে চাচা চেয়ে আছেন কম্পিউটারের দিকে---


মানুষের জুতোর দিকে তাকাতে তাকাতে সে ক্লান্ত, বিমর্ষ দৃষ্টিতে তাকাল আমার দিকে ---


ছবিটির ভাব বিমূর্ত ---


মনে হয় একটু লজ্জা পেয়েছে, খুশিও হয়েছে ---


তাকে তো আমার ‘মা’ মনে হল না, মনে হল এক ডাইনি শিশুকে বিকলাঙ্গ করে রোদে ফেলে ভিক্ষা করছে---


এক ঘষা দিয়ে নাম্বারে ডায়ল করে ফেললেন, ঘষা দেওয়ার স্টাইলটা আমি অবশ্য ধারণ করতে পারলাম না---


খুব সকালে মতিঝিল থেকে তুলেছিলাম ছবিটা ---


সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ছবিটি তোলা, ক্যামেরা দেখে হাসি দিল সবাই। শেষে ফুল কেনার কথা অবশ্য মনে থাকলো না কারোরই, শখের ফেরিওয়ালা ক্যামেরাম্যানও ---


এটা অবশ্য শহরের ছবি নয়, ঢাকার অদূরের এক গ্রামের ছবি। ঐ দোকানে কিছু না পাওয়া গেলেও নানান রকমের ড্রিংক্স, বিশেষ করে এনার্জি ড্রিংকস পাওয়া যায়। ভ্যান রেখে যুবক একটি এনার্জি ডিংকস কিনে চুমুক লাগিয়েছে---


ছবিটাই তো ক্যাপশন ---


ধুকছে মানুষ, ধুকছে দেশ, এই যুবক যেন তারই প্রতিচ্ছবি ---


এটিও ঢাকা শহরের ছবি নয়। মাওয়া থেকে তোলা। পদ্মা নদীতে কিরণমালা ---


মাথার সমান ছাতা। এই ছাতার মাজেজা আমি ঠিক বুঝলাম না---


পরম যত্নে আমলকিতে লবণ মাখিয়ে দিচ্ছেন বিক্রেতা ---


এটি একটি খাম্বা বিল্ডিং। একটি রুমের উপর আরেকটি রুম, এভাবে সাতটি রুম উপরের দিকে উঠে গিয়েছে---



শহীদুল্লাহ হলের পুকুর। হঠাৎ দেখি ভাসমান কলাগাছের উপর একটি ছোট্ট কচ্ছপ---
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৬
১৪টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

ফ্যাসিস্ট আমলে পুলিশকে দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল- এ অভিযোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার অংশ।
জুলাইয়ের পর- সেই পুলিশ কি সত্যিই বদলেছে, নাকি শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×