তুমি আবার ফিরে আসলে
নতুন একটা টীপের পাতা কিনব।
চমৎকার রঙ-বেরঙা একটা টীপের পাতা।
আমার কোন কাঁচের চুড়ি নেই।
তোমাকে বলব কিনে দিতে-
জন্মদিনে।
তুমি ফিরে আসলে
তোমাকে নিয়ে লেখা কবিতাগুলো
শোনাব সব এক এক করে-
সে তুমি হাসো, ভেঙচি দাও, যাই করো।
আগে দেখব আমাকে নিয়ে ক’টা লিখলে...
নাহয় শোনাবই না,
হতভাগী কবিতা...!
একবার কি ফিরবে?
ঘাড় ফিরে কি দেখবে একবার,
কাঁটাতারের ওপাশে আমার আস্পর্ধা দিনদিন কেমন বাড়ছে???
আমি হাত গলিয়ে দিয়েছি কাঁটাতারের ফাঁক দিয়েই-
একবার ছুঁতে চাই তোমাকে...
একটাবার কি ফিরবে???
অজস্র সবুজ পাতার ফাঁক দিয়ে
চিকচিক করে স্বর্ণরোদ গলে আসে গায়।
আমি তো তোমাকে আড়াল করিনি!
বদলাইনি কিছুই!
তবু ভুল সময়, ভুল স্পর্শ তোমাকে নিয়ে গেছে ভুল দিগন্তের কাছে...
এখনও আমি দৃষ্টিবিভ্রান্ত!!!
এই তাহলে নষ্ট প্রেম???
যদি তুমি ফিরে আসো,
আমি সবকিছুর সংজ্ঞা বদলে দেব-
সময়, প্রেম, স্পর্শ, কাঁটাতার, সব......!
যতবার তুমি গোলাপ হাতে নিয়েছ
আমি ততবার কেঁদেছি;
তুমি দেখইনি..
তুমি বিমোহিত ছিলে রূপে, গন্ধে- বিলাসে!
যতবার তুমি দীঘির জলে ডুবেছ,
আমি ততবার স্থির হয়ে থাকতাম....!
জানতাম না,
কত তেরো নদী, তেরোশ’ দীঘির জলে ভীজে তুমি একসা!!!
আমার কেবল একথালা আকাশ,
তাতে একপেটা-আধপেটা রোদ্দূর,
কখনো-সখনো এক চিমটি জোৎস্নার ছিটে।
আমার তাই ছিল নৈবেদ্য তোমার পূজার................
কেন তুমি পুরোহিতই ছিলে?
কেন তুমি দেবতা ছিলেনা???
কেন???
যজ্ঞে তবু হোমানলটা আমার হাতে জ্বালিয়েছিলাম-
শিখা চিরন্তন....................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


